খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেমসেন ভবনে জাদুঘর স্থাপনের ঘোষণায় ২৯ জানুয়ারি আনন্দ শোভাযাত্রা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:১৮ পূর্বাহ্ণ
জেমসেন ভবনে জাদুঘর স্থাপনের ঘোষণায় ২৯ জানুয়ারি আনন্দ শোভাযাত্রা

গণমাধ্যম সচেতন নাগরিক সমাজের ক্ষমতা বিপুল স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর স্থাপনে প্রথম বিজয়ে তা আবারও প্রমাণিত।

ঐতিহাসিক যাত্রামোহন সেন ভবনকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘরে রূপান্তরিত করার প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বিষয়ে চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক সমাজ এর উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলন সোমবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজন করা হয়।

উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, চট্টগ্রাম এই উপমহাদেশের এক অনন্য স্থান। এ জেলা বিপ্লবতীর্থ, বীরপ্রসবিনী চট্টগ্রাম হিসেবে খ্যাত। চট্টগ্রাম বহু কৃতী মানুষের জন্মস্থান, তাঁদের কীর্তি ও স্মৃতিধন্য এক পুণ্যভূমি।

দুর্ভাগ্যের বিষয় পাকিস্তান আমলে ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রাম ও তার কৃতী ব্যক্তিদের কোনো স্মৃতি রক্ষা করা হয় নি, যথাযথ সম্মানও তাঁরা পান নি। আবার মুক্তিযুদ্ধে বন্দরনগরীর বিশিষ্ট ভূমিকা সত্ত্বেও সে স্মৃতি সংরক্ষণেও ব্যবস্থা হয় নি। অথচ নতুন প্রজন্মের জন্যে এমন উদ্যোগ যে কত জরুরি তা বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের সংবিধানে এসব স্মৃতিমণ্ডিত স্থাপনা ও সকল সম্পদ সংরক্ষণের বিধান রয়েছে; এতদসংক্রান্ত প্রত্নসামগ্রী রক্ষায় আইনও রয়েছে। কিন্তু সচেতনতার অভাব এবং এক শ্রেণির মানুষের চরম লোভের শিকার হয়ে এসব সম্পদ বেদখল রয়েছে, লুণ্ঠিত হয়েছে, ধ্বংস হয়েছে। এরকমই দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি হতে যাচ্ছিল দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন ও নেলী সেনগুপ্তার বাসভবনটি।

সাংবাদিক ও সচেতন জনগণের ঐকান্তিক সহযোগিতায় আমরা ভবনটি দখল ও ভেঙে ফেলার চক্রান্ত ঠেকাতে সক্ষম হয়েছি। আবারও প্রমাণিত হল গণমাধ্যম ও জনগণের শক্তি বিপুল, এই শক্তির সক্রিয় ভূমিকা নাগরিকসমাজকে অনেক ভালো উদ্যোগ বাস্তবায়নে সফল করে তুলতে পারে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আমরা যতীন্দ্রমোহন সেনের দুই নাতির সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছি। তারা নিউজিল্যান্ডে বসবাস করে। এই জাদুঘরে স্থাপনে তাদের সংযুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্মৃতি চিহ্ন রয়েছে। একটি ভালো জাদুঘর করতে সেসব সংগ্রহ করে তা আধুনিক ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য আমরা সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা কামনা করছি। সেই সাথে এরকম দুর্লভ কোন স্মৃতিচিহ্ন, তথ্য থাকলে তা চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক সমাজকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেন জেলা প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় সহযোগিতায় এ ভবনটি রক্ষা হয়েছে। এখন আমাদের দায়িত্ব বেড়ে গেছে। একটি যাদুঘর করতে যে সমস্ত বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন আমরা তাদের সাথে ইতিমধ্যেই কথা বলা শুরু করেছি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এখন সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাংবাদিক আলীউর রহমান। বক্তব্য রাখেন নাট্যকার ও সাংবাদিক প্রদীপ দেওয়ানজী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নেতা অধ্যাপক জিনবোধি ভিক্ষু, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ডাক্তার মাহফুজুর রহমান,গবেষক প্রফেসর ডঃ ইদ্রিস আলী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক তাপস হোর, আবৃত্তিকার রাশেদ হাসান, ওয়ার্কাস পার্টি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌহান, কলেজ শিক্ষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম, এডভোকেট রুবেল পাল, চট্টগ্রাম পূজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল পালিত প্রমুখ।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্থাপন উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা আগামী ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় চেরাগী পাহাড় থেকে জেমসেন ভবনে গিয়ে সমাপ্ত হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…