খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের রাউজানে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের রাউজানে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের রাউজানে ইরফাত আলম ইরা(১৮) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোমর পাড়া গ্রামের ইদ্রিস চেয়ারম্যানের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রাউজান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিহত গৃহবধূ ইরা এলাকার ইদ্রিস চেয়ারম্যানের বাড়ির নুর মোহাম্মদের পুত্র আকিজুর রহমান রিমনের স্ত্রী।

নিহতের জা নুসরাত জাহান বলেন, আমার দেবর রিমন বিকাল ৪ টার দিকে ফোন করে জানায়, সে বেশ কয়েকবার তার স্ত্রী ইরাকে কল দিলেও ফোন রিসিভ করছেনা। আমি রুমে গিয়ে দেখি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। পরে দেবরকে বিষয়টি জানানোর পর দরজা ভেঙ্গে তার কক্ষে প্রবেশ করে জানালার গ্রীলের সাথে গলার ওড়নায় পেঁছিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পাই।
সন্ধ্যা সাতটার দিকে রাউজান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কায়সার হামিদ, এসআই ইব্রাহিম, এসআই ইসমাইলসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দিন চৌধুরী, ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিন, কমল চক্রবর্তী, ইলিয়াস মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইদ্রিস চেয়ারম্যানের বাড়ির নুর মোহাম্মদের পুত্র আকিজুর রহমান রিমনের সাথে পার্শ্ববর্তী পাহাড়তলী ইউনিয়নের মৃত দেলোয়ার আলমের কনিষ্ঠ মেয়ে ইরফাত আলম ইরার প্রেম ঘটিত সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কে তারা একে অপরের খালাত ভাই-বোন হন। বিগত তিন বছর পূর্বে পরিবারের অমতে তারা পালিয়ে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর দুই বছর ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন দুজন। পরে প্রবাস থেকে রিমনের ভাই দেশে ছুটিতে এসে সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভাই ও তার স্ত্রীকে ঘরে তোলেন। তবে বিয়ের বিষয়টি ইরার পরিবার মেনে নেননি।

রাউজান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কায়ছার হামিদ বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছেনা। তবে মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা/নেজাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…