খুঁজুন
, ,

আনোয়ারা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 21 February, 2021, 10:33 pm
আনোয়ারা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মোঃজাবেদুল ইসলাম, আনোয়ারা প্রতিনিধি : আনোয়ারা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে উপজেলা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। পরে দুপুরে প্রেস ক্লাবের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক আবদুল নুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, মহান একুশ বাঙালি জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। মহান একুশ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার জন্য। একুশ বাঙালির স্বাধীনতা চেতনার প্রথম স্তম্ভ। সেদিন যারা ভাষা আন্দোলনের জন্য শহীদ হয়েছিলো তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। সেই সাথে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার জন্ম না হলে এই বাংলার জন্ম হতোনা এই মহান নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। ১৫ আগষ্ট যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। মহান একুশ আমাদেরকে যে শিক্ষা দিয়েছেন সে শিক্ষাই অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।

মাদক ব্যবসায়ীদেরকে উদ্দ্যেশে করে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, যারা মাদক এবং ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত আছে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে কারণ তারা কোন মানুষ নয়। তারা হলো সমাজের কীট। তারা জারজ সন্তান। তাদেরকে চিহ্নিত করে যদি আমরা ব্যবস্থা নিতে না পারি তাহলে আগামীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই সোনার বাংলা আমার মহান নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া কখনো সম্ভব হবেনা।

আনোয়ারা-কর্ণফুলির উন্নয়ন তুলে ধরে তৌহিদুল হক চৌধুরী বলেন, আমার রাজনৈতিক অভিভাবক সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ অত্যন্ত পরিশ্রম করে আনোয়ারা-কর্ণফুলিকে উন্নয়নের দিকে ধাবিত করেছেন। ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করা হবে। চায়না ইকোনোমিক জুনের কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের এখানে কাফকো, সিইউএফএলের মতো বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি তাহলে আনোয়ারা হবে বাংলাদেশের মধ্যে একটি আদর্শ উপজেলা।

সাংবাদিকদের জাতির বিবেক উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, দেশ থেকে মাদক, অপরাধ, দুর্নীতি বন্ধ করতে সৎ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। আনোয়ারাকে মাদকচক্র থেকে মুক্ত করতে আনোয়ারা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের প্রতি আপোষহীন ভূমিকা রাখার জন্যও তিনি উদাত্ব আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আবদুল নুর চৌধুরী বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি এদেশ স্বাধীনতার উৎপত্তি। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদেরকে নিজের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে সোচ্চার হওয়ার জন্য শিক্ষা দেয়। ১৯৪৮ সালে যখন পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় এসে উর্দু ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করা হবে বলে ঘোষণা দিল তখন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেছিল। ১৯৫২ সালে যখন আবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন বাংলা ভাষাকে পদদলিত করে উর্দু ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার ঘোষণা দিল তখন সালাম, রফিক, শফিক, জব্বারসহ এদেশের আপামর জনসাধারণ ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের দীর্ঘ রক্তের বিনিময়ে একুশে ফেব্রুয়ারি অর্জিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। একুশ আমাদেরকে শিক্ষা দেয় অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার জন্য, নিজের অধিকার আদায় করার জন্য, গণমানুষের অধিকার আদায় করার জন্য সংগ্রাম করার শিক্ষা দেয়। কিন্তু প্রতিবছর আমরা শুধু একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করলে হবে না, মাতৃভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য, এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা করার জন্য মানুষ মানুষের জন্য প্রত্যেকে আমরা পরের তরে এ থিউরী মনে রেখে মানবাধিকার যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে আমাদের জীবন সার্থক হবে অন্যাথায় একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করে কোন লাভ হবে না।

প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ বদরুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরানুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক নাবিদ, অর্থ সম্পাদক ওসমান গণি, অফিস ও দপ্তর সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ জাবেদুল ইসলাম, পাঠাগার সম্পাদক রিয়াদ হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক জাহিদ হাসান হৃদয়, নির্বাহী সদস্য কে এম হাছান, আরমান হোসেন, শেখ আব্দুল্লাহ, মোঃ জামশেদ, মোঃ আলবীন প্রমুখ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।