খুঁজুন
, ,

হালদা নদীতে মাটি ও বালি পাচারের মহোৎসব; হুমকীর মুখে রাবার ড্যাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 February, 2021, 12:09 pm
হালদা নদীতে মাটি ও বালি পাচারের মহোৎসব; হুমকীর মুখে রাবার ড্যাম

ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী থেকে মাটি ও বালি উত্তোলন নিশিদ্ধ হলেও দিন-রাত পাচারের মহোৎসব চলছে। এখান থেকে মাটি ও বালি পাচারের আ’লীগ-বিএনপি-জামায়াত শিবিরের লোকজন মিলে গড়ে উঠেছে বিশাল সিন্ডিকেট। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে হালদা নদীর মৎস ক্ষেত্র, ভূজপুর রাবার ড্যাম এবং হালদা নদী ভাঙ্গণ রোদে চলমান সিসি ব্লক স্থাপন ও ভেড়ী বাঁধ স্থাপনের ১৫৭ কোটি টাকার প্রকল্প। এদিকে উপজেলা প্রশাসন বার বার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেও এই সিন্ডিকেটটির তৎপরতা বন্ধ করতে পারছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহামান্য হাই কোর্টের নির্দেশে বিশ্বের এক মাত্র প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর সকল বালির মহাল ইজারা প্রদান, বালি ও মাটি তোলা, চরকাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু এই বিধি নিষেধ অমান্য করে ফটিকছড়ি ও ভূজপুর এলাকার বিশাল একটি সিন্ডিকেট নির্বিচারে রাত দিন বালি উত্তোলন করছে, নদীর পাড় ও চর কেটে সড়ক নির্মান, বাড়ি ঘর নির্মাণসহ নানান কাজে ব্যবহারের জন্য পাচার করছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে নানান ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা, বিএনপি নেতা ও জামায়াত শিবির নেতারা।

সরেজমিনে পরিদর্শনে স্থানীয়রা জানায়, হালদা নদীর ভূজপুর রাবার ড্যামের নীচে (দক্ষিণে) আওয়ামীলীগ ও জামায়াত শিবিরের একটি সিন্ডিকেট বিগত এক মাস যাবৎ নদীর ধার, চর ও পাড় কেটে মাটি পাচার করছে। প্রতি ৫মিনিটে এক একটি ড্রাম ট্রাক ভর্তি হচ্ছে মাটি ও বালি। সেখানে মাটি কাটার শ্রমিকরা স্থানীয় নেতাদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে জানান, মাটি ও বালি গুলো সড়ক নির্মাণ কাজের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এদিকে প্রতিদিন পাইন্দং ইউনিয়নের যুগিনী ঘাটা, ফকিরা চাঁন, সুন্দরপুরের ছোট ছিলোনিয়া, এক্কুলিয়া, পাঁচ পুকুরিয়া, সুয়াবিলের সিদ্ধাশ্রমের আশে পাশে, বারমাসিয়া ঘাট, নাইচ্চের ঘাট, আজিমপুর ঘাট, নাজিরহাট পৌরসভার কুম্ভার পাড়, নারায়ণহাট ইউনিয়নের কুয়ারপাড়া, হাপানিয়া, পিলখানা, বারমাসিয়া খালের মাথা, মির্জারহাট এলাকা থেকে জীপ, ট্রাক, ট্রলী ভরে প্রতিটি স্পর্ট থেকে হাজার হাজার গাড়ি বালি ও মাটি পাচার করছে। প্রতি গাড়ি মাটি ও বালি ৩-৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে হালদা নদীর মৎস ক্ষেত্র, ভূজপুর রাবার ড্যাম এবং হালদা নদী ভাঙ্গণ রোদে চলমান সিসি ব্লক স্থাপন ও ভেড়ী বাঁধ স্থাপনের ১৫৭ কোটি টাকার প্রকল্প।

সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যান জানান, হালদা নদী থেকে যে হারে মাটি ও বালি উত্তোলন করে পাচার চলছে তাতে ১৫৭ কোটি টাকার ভেড়ী বাঁধ ওনসিসি ব্লকের উন্নয়ন প্রকল্পে গুড়ে বালি হচ্ছে।

সুন্দরপুর এক্কুলিয়া এলাকার বাসিন্ধা সফিউল আজম জানান, হালদা নদীর বালি মাটি পাচারকারীদের গাড়ির শব্দে রাতের ঘুম হারাম হয়েছে। ইউএনও অভিযান করে চলে যাবার পর আবার সক্রীয় হয় পাচারকারী সিন্ডিকেট।

পাইন্দং এলাকার এক ইট ভাটার মালিক জানান, ইট তৈরীর জন্য আমরা মাটি কাটি সত্য। কিন্তু নদী থেকে মাটি ও নদীর পাড় কাটি না। এখন সড়ক উন্নয়ন কাজে ব্যবহারের কথা বলে একটি সিন্ডিকেট রাত দিন নদী থেকে বালি ও মাটি পাচার করছে।

নারায়ণহাট ইউনিয়নের এক বাসিন্ধা রহিম সিকদার জানান, মাটি ও বালি পাচারকারীরা অধরা। তারা ক্ষমতাসীন দল ও কতিপয় জনপ্রতিনিধির নাম ব্যবহার করে রাত দিন এমন কাজ করেই চলছে।

ভূজপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা বাবু রনজিৎ কুমার জানান, অভিযোগ পেয়ে একবার হালদা নদীতে লোকজন পাঠিয়েছিলাম।তখন কাউকে পাওয়া যায়নি।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিসান বিন মাজেদ বলেন, প্রতিদিন বালি চোর, মাটি চোর ও পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এরা বৃহৎ সিন্ডিকেট এবং দূর্ত। আমরা উপজেলা থেকে বের হবার পর পরই তারা পালিয়ে যায়। তাই ছদ্মবেশ ধারণ করেও অভিযান চালানো হচ্ছে।

এব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন বলেন, কয়েকদিন আগে হালদা নদীর চর কেটে মাটি পাচার করার অপরাধে কয়েক ব্যক্তিকে অর্থ দন্ড করা হয়েছে। ৮/১০টি জীপ ট্রাক ট্রলী সহ খনন যন্ত্র আটক করা হয়েছে। এসব কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেয়া হচ্ছে। বেশ কয়েকটি এলাকার বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ পাচ্ছি। পর্যায়ক্রমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে নদীর চরের দখলদার ব্যক্তিরা সোচ্ছার হলে এসব মাটি পাচার সিন্ডিকেট দ্রুতই নির্মুল হবে। কিন্তু তারা মুখ খুলে না এবং প্রশাসনকে সহযোগীতা করে না।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।