খুঁজুন
, ,

এবার জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে সীতাকুণ্ডের বাকপ্রতিবন্ধী দুইবোন ইরিনা-শারমিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 4 November, 2019, 9:07 pm
এবার জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে সীতাকুণ্ডের বাকপ্রতিবন্ধী দুইবোন ইরিনা-শারমিন

ইরিনা আক্তার ও শারমিন আক্তার দুইবোন। তারা জন্মগতভাবে বাকপ্রতিবন্ধী। কিন্তু এ প্রতিবন্ধকতা তাদের দমাতে পারেনি। কৃতিত্বের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে পিএসসি। এবার তারা দিচ্ছে জেএসসি পরীক্ষা।

অন্য আর ৫টি স্বাভাবিক শিশুর মতোই তারা লেখাপড়া শিখছে। সাধারণত বোবারা বোবা স্কুলেই লেখাপড়া করে। কিন্তু এ দুইবোন অন্য সব সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথেই স্কুলে পড়ালেখা করছে। তারা এবার সীতাকুণ্ডের দক্ষিণ সোনাইছড়ি মোস্তফা হাকিম কেজি এন্ড জুনিয়র হাই স্কুল থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, তারা দুইবোন হাতের ইশারায় সব কিছু বুঝে নেয়। বাকিটা বোর্ডে লিখে দিতে হয়। তারপরও শিক্ষকদের আলাদা একটা নজর তাদের দিকে দিতে হয়। সব শিক্ষকই তাদের প্রতি আন্তরিক। ফলে তারা এ পর্যন্ত আসতে পেরেছে। তারা পিএসসি পরিক্ষায়ও ভালো রেজাল্ট করে।

নগরীর কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, স্বাভাবিক অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে তারা পরিক্ষা দিচ্ছে। দেখে বুঝার উপায় নেই তারা দুইবোন যে বাক-প্রতিবন্ধি।

সীতাকুণ্ড উপজেলার ৮ নং সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর এলাকার মো. আবদুল আজিজের ২ ছেলে ৩ মেয়ের মধ্যে দুইজনই জন্মগতভাবে বাক প্রতিবন্ধি। ইরিনা আক্তার ও শারমিন আক্তার দুইবোন বাকপ্রতিবন্ধি হয়েও লেখাপড়ার পাশাপাশি ভাল ছবিও আঁকতে পারে।

বাবা আব্দুল আজিজ ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, তারা যে বাকপ্রতিবন্ধি এটা মানতে রাজি নয় তারা। ছেলেবেলা থেকেই লেখাপড়ার দিকে প্রচন্ড ঝোঁক তাদের। প্রথম প্রথম ভেবেছিলাম পড়ালেখা ওদের ভাগ্যে সম্ভব নয়। কিন্তু সে ধারণা পাল্টে গেছে আমার। এখন ভাবছি যত কষ্টই হোক লেখাপড়া করিয়েই ওদেরকে বড় দেখতে চাই।

ইরিন ও শারমিনের বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তফা হাকিম কেজি অ্যান্ড জুনিয়র হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘ইরিনা ও শারমিন একসময় ব্র্যাক স্কুলে পড়লেও ওই স্কুলের শিক্ষকেরা তাদেরকে পরীক্ষা দিতে দেয়নি। এজন্য খুব কান্নাকাটি করছিল শুনে আমি গিয়ে তাদেরকে আমার স্কুলে ভর্তির সুযোগ করে দিয়েছি।

ভর্তির পর দেখলাম তাদের মেধা ভালো। ইশারাতেই প্রায় সব বোঝতে পারে। বলেও ইশারায়। কিছু না বোঝলে বোর্ডে লিখে দিলে তারা বোঝে নেয়। সকল শিক্ষক এখন তাদের বুঝতে পারেন। সেভাবেই পড়াচ্ছেন তারা। শিক্ষকদের নির্দেশনা বোঝতে পারে বলেই সফলতার সাথে পড়াশোনা করে পাস করে যাচ্ছে।

৫ম শ্রেণির প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ওরা ভালোভাবেই পাস করে গেছে। জেএসসি পরীক্ষায়ও তারা ভালো ফলাফল করবেন আশা প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক আরো বলেন, ‘ইরিন ও শারমিনের কথা জানতে পারার পর মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক সিটি মেয়র মনজুর আলম মনজু যতদিন তারা পড়াশোনা করবে তাদেরকে বিনা বেতনে পড়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

আমি এবং স্কুলের শিক্ষকরা যতদিন এখানে আছে আমরা তাদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাব।

Feb2
Feb2

ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসায় পুলিশ সুপার সাময়িক বরখাস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 2:32 pm
ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসায় পুলিশ সুপার সাময়িক বরখাস্ত

ডোপ টেস্টে বেনজোডায়াজেপিনস ও অ্যামফিটামিন/মেথঅ্যামফিটামিন পজিটিভ আসায় পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (টিআর) আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষরিত হয়।

এতে বলা হয়, পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বর্তমানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশ নিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তিনি প্রস্থান করেন।

কোর্স চলাকালে গত ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় Urine Benzo Diazepines (BZO) এবং Amphetamine/Methamphetamine Positive পাওয়া যায়।

আদেশে বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের এই ফলাফল ডিএসসিএসসি কোর্সের শৃঙ্খলার পরিপন্থি। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এটি অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ কারণে একই বিধিমালার বিধি অনুযায়ী ৩১ আগস্ট থেকে পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে গোপনে পুরস্কার দেবে র‌্যাব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 2:20 pm
হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে গোপনে পুরস্কার দেবে র‌্যাব

চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের সন্ধান দিতে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে র‌্যাব। অস্ত্রের তথ্য দিয়ে উদ্ধারে সহযোগিতা করলে গোপনে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের চান্দগাঁওয়ে র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্রের প্রায় ৮৪ শতাংশ এরই মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ১৬ শতাংশ অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তা সমাজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

র‌্যাব-৭ অধিনায়ক বলেন, হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে র‌্যাবের নেতৃত্বে বিশেষ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। কারও কাছে এমন অস্ত্র থাকলে তা র‌্যাবের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, যাদের কাছে অস্ত্র রয়েছে তাদের সবাই অপরাধী এমন নন। বিভিন্নভাবে অনেকের কাছে অস্ত্র চলে আসতে পারে। কেউ অস্ত্রটি কোথায় বা কীভাবে জমা দেবেন, তা নিয়ে ভয় পেতে পারেন। তাদের জন্য এটি একটি সুযোগ। গোপনে অস্ত্রের তথ্য দিলে বা উদ্ধারে সহযোগিতা করলে পুরস্কার দেওয়া হবে।

পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র পাওয়া গেলেও সেটি নিজে বহন না করে র‌্যাবকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। তথ্য পেলে র‌্যাবের সদস্যরা গিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করবেন বলেও জানান।

মতবিনিময় সভায় সম্প্রতি অপহরণের অভিযোগের অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন র‌্যাব-৭ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে তিনটি অপহরণের অভিযোগে র‌্যাবের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালিয়েছেন। পরে তদন্তে একটি ঘটনায় দেখা যায়, অনলাইন জুয়ায় তিন লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত এক ব্যক্তি পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য নিজেকে অপহৃত হিসেবে সাজিয়েছেন।

অন্য একটি ঘটনায় এক ব্যক্তি বান্দরবানের লামায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলেন। আরেকজন পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, র‌্যাব একটি বিশেষায়িত বাহিনী। সংবেদনশীল অভিযোগ পেলে আন্তরিকতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে মিথ্যা বা সাজানো অভিযোগের পেছনে দীর্ঘসময় ব্যয় হলে প্রকৃত গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের ঘটনায় র‌্যাবের জনবল ও সক্ষমতা ব্যবহারে সমস্যা হয়। তাই প্রকৃত ঘটনা জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে।

জঙ্গল সলিমপুর প্রসঙ্গে র‌্যাব-৭ অধিনায়ক বলেন, এলাকাটি র‌্যাবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগের বিষয়। সেখানে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের পর থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটেনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত জঙ্গল সলিমপুর থেকে র‌্যাবের ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিদেশিদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়েও সতর্ক করেছেন র‌্যাব-৭ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিদেশিদের যাতায়াত বেশি। এ সুযোগে অপরাধীরা ছদ্মবেশে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। সাম্প্রতিক দুটি ঘটনার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 1:32 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।