খুঁজুন
, ,

চসিক মেয়রের সাথে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 3 March, 2021, 8:43 pm
চসিক মেয়রের সাথে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জী।

আজ বুধবার সকালে টাইগারপাসস্থ চসিকের অস্থায়ী নগর ভবনে তিনি সাক্ষাতে মিলিত হন।

এসময় ওষুধ শিল্প, তৈরী পোশাক রফতানী শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করণ শিল্প খাতে বাংলাদেশ বেশ ভাল অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করে অনিন্দ্য ব্যানার্জী বলেন, ক্রম বিকাশমান এই খাতগুলো বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধিতে গতিশীলতা এনেছে।

তিনি বলেন, পর্যটন শিল্প বিকাশে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্প দৃশ্যমান। এই খাতে ধারাবাহিক উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত ও সমৃদ্ধ করবে।

তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে ঘিরে রিজিওনাল কোনেক্টিভিটি সংযুক্ত হলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই উপকৃত হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত টিআইসি স্থাপনার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ছোট্ট পরিসরের হলেও এই নাট্যভূমি ও সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক ও নান্দনিক স্থাপনা। আমি সেখানে গিয়ে মুগ্ধ হয়েছি। এর আধুনিকায়ন ও সরঞ্জাম সংযোজনে ভারত দু’কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে।

তিনি কোভিড-১৯ অতিমারী মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, অনেকেই আশংকা করেছিলেন কোভিড-১৯ সংক্রামন ছোবলে বাংলাদেশের অবস্থা ভয়াবহ হবে। বাংলাদেশ একটি ঘন বসতিপূর্ণ দেশ।

বিশ্বের অনেক উন্নত ও ক্ষমতাধর দেশের চেয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বাংলাদেশে তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। বাংলদেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। তিনি চট্টগ্রামরে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য সিটি মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ও অবদানের জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং অশেষ ঋণ স্বীকার করি।

একাত্তরে ভারত আমাদের দেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিলে। তাদের সেনা বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও জওয়ান প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে। এই ঋণ কোন দিন শোধ হবে না।

তিনি আরো বলেন, যারা একসময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে মন্দবাক্য উচ্চারণ করেছিল তারা এখন বাংলাদেশের নজীর বিহীন উন্নতি দেখে লজ্জা পায় এবং তারা স্বীকার করে যে, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের চট্টগ্রাম বন্দরের বহমুখী ব্যবহারের মতামতের সাথে সহমত প্রকাশ করে মেয়র বলেন, আমি দৃঢ় ভাবে মনে করি চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারে রিজিওনাল ও ইন্টারন্যাশনাল কানেকটিভিটির সংযুক্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন পরিকল্পিত ভাবে করা হবে বলেন মেয়র।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ।

২৪ ঘন্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2
Feb2

দক্ষিণ পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ করলেন চসিক মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 11:24 pm
দক্ষিণ পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ করলেন চসিক মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের মাইজপাড়া এলাকার এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।

সোমবার বিকেলে নগরীর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের মাইজপাড়ার একটি কমিউনিটি সেন্টারে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার পরিবারের মাঝে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণকালে মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। নালা নর্দমা পরিষ্কার, খাল পুনরুদ্ধার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। নালা নর্দমা ও খালে ময়লা আবর্জনা না ফেললে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। নাগরিক সচেতনতাই একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার, আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা, খাবার বিতরণ এবং জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা মাঠে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানোই জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন দুর্যোগের শুরু থেকেই নগরবাসীর পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আমরা অসহায় অবস্থায় রেখে যাব না। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ ও অন্যান্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, যুগ্ম আহবায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো, কামরুল ইসলাম, ডা. নুরুল আবসার, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম বাকি মাসুদ, বিএনপি নেতা আবদুস সাত্তার, মোহাম্মদ হারুন, ইকবাল হোসেন, নাজমুল হুদা চৌধুরী নাজিম, শফি মেম্বার প্রমুখ।

উত্তর পতেঙ্গার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 8:27 pm
উত্তর পতেঙ্গার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ

চট্টগ্রাম নগরের উত্তর পতেঙ্গাতে পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুবদল। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) উত্তর পতেঙ্গা ৪০ নং ওর্য়াড় এর হিন্দু পাড়া ১ ও ২ নং গলির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তারা শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন জানান, এটি কেবল একটি ছোট প্রচেষ্টা। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে আরও অনেক অসহায় এবং পানিবন্দি পরিবারের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় এই মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে যারা আর্থিক ও নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান যুবদল নেতৃবৃন্দ। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগে এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

উত্তর পতেঙ্গা ৪০ নং ওর্য়াড় এর হিন্দু পাড়া ১ ও ২ নং গলির পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল, সহ সম্পাদক ইয়াছিন আজাদ, পতেঙ্গা থানা যুবদলের সংগঠক আলমগীর হোসেন জুয়েল, জিলহজ্জ শাকিল, মাসুদ রানা, মামুনুর রশিদ, জিসু দত্ত, রান্টু দত্ত, রাজন দাস, মিন্টু ধর, মাসুদ প্রমুখ।

সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 6:12 pm
সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্গত মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর গ্রহণ এবং ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সমবেদনা জানিয়ে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিনি দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি কামনা করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্গত, অসহায় ও খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের কাছে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু জরুরি খাদ্য সহায়তাই নয়, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া যাদের ফসলের জমি, মাছের ঘের কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বন্যার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও তদারকির জন্য সাতকানিয়ায় এসেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।