খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“হাইকোর্টের আদেশ অমান্য” গুড়িয়ে দেয়া ইটভাটায় এবার ড্রাম চিমনীতে পুড়ছে ইট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
“হাইকোর্টের আদেশ অমান্য” গুড়িয়ে দেয়া ইটভাটায় এবার ড্রাম চিমনীতে পুড়ছে ইট

ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ হাইকোর্টের নির্দেশে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে গুড়িয়ে দেয়া ইটভাটায় ড্রাম চিমনী দিয়ে ইট পোড়ানোর খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ফকিরা চাঁন এলাকার গ্রামীণ ব্রিকস নামক ইটভাটায় এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারী জেলা প্রশাসনের ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিপ্তর, র‍্যাব, পুলিশ যৌথ অভিযানে পাইন্দং ফকিরা চাঁন এলাকার গ্রামীণ ব্রিকস নাজিরহাট পৌরসভায় হালদা ব্রিকস এবং সুয়াবিলে জেএন ব্রিকস গুড়িয়ে দেয়। কিন্তু অভিযানের পর দিন থেকেই হালদা ব্রিকস ও গ্রামীণ ব্রিকস টিনের তৈরী ড্রাম চিমনী ব্যবহার করে পূণঃরায় ইট পুড়ানো শুরু করে।

এদিকে গতকাল বুধবার যৌথ বাহিনী আবার অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের ম্যাজিষ্ট্রেট সুরাইয়া ইযাছমিন। তিনি পাইন্দং এসএন্ডবি ব্রিকস ও একতা ব্রিকস গুড়িয়ে দেয়ার পর নাজিরহাটস্থ হালদা ব্রিকসটির ড্রাম চিমনী আবার গুড়িয়ে দেয়। কিন্তু বহাল তবিয়তে ড্রাম চিমনী ব্যবহার করে ইট পুড়াতে ব্যস্ত রয়েছে পাইন্দং গ্রামীণ ব্রিকস।
অপর দিকে গত ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর পাইন্দং, নাজিরহাট, সুয়াবিল, ধর্মপুর, নানুপুর, খিরাম এলাকায় যৌথ বাহিনীর ফুটো করে দেয়া ইট ভাটা গুলো পূণঃরায় ইট পুড়ানোর খবর পাওয়া গেছে।

প্রশাসন গুগিয়ে দেয়ার পরও কেন নিষিদ্ধ ড্রাম চিমনী ব্যবহার করে ইট পুড়ানো হচ্ছে জানকে চাইলে গ্রামীণ ব্রিকসের মালিক মো. নাসির উদ্দিন জানান, বেশ কিছু কাঁচা ইট রয়েছে। তাই এগুলো ড্রাম চিমনী দিয়ে পুড়িয়ে নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন বলেন, গুড়িয়ে দেয়া ইটভাটায় ড্রাম চিমনী ব্যবহারের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উদ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আবার অভিযান পরিচালনা করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…