খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচিত হলে বোয়ালখালী পৌরবাসীকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে প্রস্তুত: মেয়র প্রার্থী ওয়াসিম মুরাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১, ২:০৯ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচিত হলে বোয়ালখালী পৌরবাসীকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে প্রস্তুত: মেয়র প্রার্থী ওয়াসিম মুরাদ

চট্টগ্রামের ব্যাপক আলোচিত বোয়ালখালী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ ওয়াসীম মুরাদ।

তিনি ইতোমধ্যে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নির্বাচনী এলাকায় ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় সভা করে যাচ্ছেন। ছুঁটে বেড়াচ্ছেন পৌরসভার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদানের মধ্য দিয়ে তিনি সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা যায়, ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন সময় হামলা-মামলার স্বীকার হন ওয়াসিম মুরাদ। একেবারে তৃণমূল পর্যায় হতে উঠে আসা ওয়াসিম মুরাদ দলের দুঃসময়ে (১৯৮৮) সালে পশ্চিম গোমদন্ডী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন।

১৯৯০ সালে পশ্চিম গোমদন্ডী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

১৯৯৩ সালে পশ্চিম গোমদন্ডী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৯৮ সালে বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০১৬ সালে বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের এডহক কমিটির সদস্য ছিলেন এবং সর্বশেষে তিনি বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়ে উপজেলা আওয়ামী পরিবারে অবদান রেখে যাচ্ছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হাতে বারবার নির্যাতিত ও ১৯৯৮ সালে শিবির কর্তৃক অপহৃত হওয়া এই সাবেক ছাত্রনেতা সন্ত্রাসীদের হাতে বারবার নির্যাতিত হয়ে মর্মান্তিক ভাবে আহত হয়ে কয়েকবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে অনেক বাধাবিপত্তি পাড়ি দিয়ে আসা ওয়াসিম মুরাদ বোয়ালখালীর সাংসদ ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযাদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এর বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক ও মানবিক কর্মকান্ডে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

বিশেষ করে করোনা মহামারীতে অসংখ্য মানুষকে ত্রাণ বিতরণ, মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন-কাফন, আইসোলেশন সেন্টার, রমজান মাসে চিকিৎসকদের জন্য সেহেরীর খাবার সরবরাহ কার্যক্রমে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য।

বোয়ালখালী পৌরসভার নির্বাচন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ব্যক্তি জীবনে অতন্ত সৎ ও সজ্জন ব্যাক্তি মোহাম্মদ ওয়াসীম মুরাদ বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকান্ডে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। বোয়ালখালীর সাংসদ আমার নেতা মোছলেম উদ্দীন আহমদের নির্দেশে মানুষের পাশে থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি।

আগামী দিনে বোয়ালখালী পৌরসভার নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দল থেকে “নৌকা” প্রতীকে মেয়র পদে মনোনয়ন দিলে নির্বাচিত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে আমি পৌরবাসীর জন্য একজন সেবক হিসেবে নিজের সর্বোচ্চ উজাড় করে সেবা করে যাবো। বোয়ালখালী পৌরসভাকে একটি পরিচ্ছন্ন, শিক্ষা বান্ধব, সন্ত্রস ও মাদক মুক্ত, মডেল এবং আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তর করবো ইন-শ আল্লাহ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।