খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ: শিক্ষক আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
ফটিকছড়িতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ: শিক্ষক আটক

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোহাম্মদ রবিউল আলম (৮) নামে এক মাদরাসা শিশু ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর (৩০) আটক করেছে পুলিশ।

গতকাল সোমবার উপজেলার পাইন্দং ইউপির হযরত ইমাম এ- আজম আবু হানিফা (রা:) গাউসিয়া সুন্নিয়া হেফজ ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) আহত ছাত্রের বাবা আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রথমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরে ফটিকছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পরে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা জাহাঙ্গীরকে উক্ত মাদ্রাসা থেকে আটক করে পুলিশ। মাদ্রাসা ছাত্র মোহাম্মদ রবিউল আলম উপজেলার দাঁতমারা ইউপির হাসনাবাদ গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুল হাকিমের পুত্র।

রবিউলের বাবা মো: আব্দুল হাকিম জানান,”গতকাল সোমবার আমি আমার বাচ্চাকে মাদ্রাসায় দেখতে গেলে আমার বাচ্চার শারীরিক অবস্থা দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যাই।আমি দেখতে পাই যে,আমার বাচ্চাকে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষার পরির্বতে মানসিক ও শারীরিকভাবে অনেক নির্যাতন করা হয়। উক্ত মাদ্রাসার হুজুর জাহাঙ্গীর আলম আমার বাচ্চাকে মারধর করে। যার ফলে আমার বাচ্চার শারীরিক অবস্থা খুবই সংকটপন্ন।কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে উক্ত বিষয়ে অভিযোগ করার পরেও তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি’।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম জানান, আহত মাদ্রাসা ছাত্র রবিউলের বাবা আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমকে মাদ্রাসা থেকে আটক করা হয়েছে’।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সায়েদুল আরেফিন জানান, “অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকে গ্রেফতার করেছে। মামলা কার্যক্রম চলমান”।

২৪ ঘণ্টা/জুনায়েদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…