হাটহাজারীতে ই-সিগারেটের ভয়ঙ্কর নেশায় আসক্ত স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা
হাটহাজারীতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তরুণ-যুবকরা তামাক পণ্যের নতুন ও আধুনিক রূপ ‘‘ই-সিগারেটের’’ ভয়ঙ্কর নেশায় আসক্ত হচ্ছে।
অনলাইন জগতের বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়ের ওয়েবসাইটে তরুণ প্রজন্মের মনকাড়া ই-সিগারেটের বিজ্ঞাপন কিংবা বন্ধুদের খপ্পরে পড়ে মেধাবী এসব তরুণ শিক্ষার্থীরা এ নেশায় দিন দিন আক্রান্ত হচ্ছে। সাধারণ সিগারেটের নেশার বিকল্প, ক্ষতি কম হওয়ার আশঙ্কা কিংবা নিজেদেরকে স্মার্ট ধূমপায়ী ভেবে তরুণ প্রজন্ম আজ এ নেশায় বেশি আসক্ত।
এদিকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গ করে তামাকজাত পন্য বিক্রি করার অভিযোগে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে হাটহাজারী পৌর বাজারের কাচারী সড়ক ও বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় চারটি ডিপার্টমেন্ট ষ্টোরে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযানে এসব দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ ই-সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ রুহুল আমীন।
ইউএনও রুহুল আমীন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, হাটহাজারী উপজেলার অনেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ ই-সিগারেট বিষয়ে আমাকে অভিযোগ করেছেন। স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে ছাত্ররা দলবেঁধে ই-সিগারেট পান করেন। তারপর বড় ভাইয়ের সান্নিধ্য সর্বশেষে কিশোর গ্যাং হয়।
তিনি আরো বলেন, আজ চারটি দোকানে অভিযানে গেলে দোকানিরা জানান, মূলত ১৪/১৫ বছরের কিশোররাই ই-সিগারেট নেয়। শুধু নেয় তা না তারা দোকানীকে আরও বলে বেশি দামের ই-সিগারেট আনবেন।
তবে আশার কথা হল, অনেক দোকানদার একমত হয়েছেন যে, তারা বাচ্চাদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রি করে অন্যায় করেছেন এবং ই-সিগারেট আর বিক্রি করবে না বলে তারা আমাকে জানিয়েছেন। তাদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। তাই কিশোরদের অধঃপতন রোধে মা-বাবাসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোর্শেদ ও মডেল থানার পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন