খুঁজুন
, ,

বোল্টদের কাছে তামিমদের অসহায় আত্মসমর্পণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 20 March, 2021, 11:06 am
বোল্টদের কাছে তামিমদের অসহায় আত্মসমর্পণ

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডে কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ের চরম ভরাডুবিতে প্রথম ইনিংসেই ম্যাচ চলে যায় স্বাগতিকদের কাছে। ১৩২ রানের লক্ষ্য ৮ উইকেট ও ১৭২ বল হাতে রেখেই টপকে যায় নিউজিল্যান্ড।

লক্ষ্যটা ছিল মাত্র ১৩২ রানের। অত্যন্ত মামুলি এ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল আর হেনরি নিকোলস মিলে ঝড়ো সূচনা এনে দেন। ডানেডিনের ছোট্ট মাঠে বাউন্ডারির ফোয়ারা ছোটান মার্টিন গাপটিল। প্রথম পাঁচ ওভারেই দলীয় অর্ধশত রান পূর্ণ করে নিউজিল্যান্ড।

এ জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। তাসকিনের দারুণ এক ডেলিভারিতে পরাস্ত হন গাপটিল। ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে। ৩ চার ও ৪ ছক্কা মারা গাপটিল ২৭ বলে ৩৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর দেখেশুনে খেলতে থাকেন ডেভন কনওয়ে এবং হেনরি নিকোলস। এ দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের রানের লাগাম টেনে ধরেছিলেন দুই অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ এবং মেহেদী হাসান।

কনওয়ে আর নিকোলসের ৬৫ রানের জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। কনওয়ে ফ্লিক করতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর উইল ইয়ং আর হেনরি নিকোলস মিলে ইনিংসের ২২ তম ওভারেই দলকে জয় এনে দেন।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন স্বাগতিক অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তিন অভিষেক নিয়ে নিউজিল্যান্ড এবং এক অভিষেক নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ।

ইনিংসের প্রথম বলেই দারুণ এক ডেলিভারি করে বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবালকে পরাস্ত করেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রথম ওভারেই বোল্টের বলে তামিম অফ-সাইডে ছক্কা মেরে দারুণ কিছুর আভাস দিলেও তা মিলিয়ে যায়। ১৩ রান করে বোল্টের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তামিম। তামিমকে ফুল লেংথে বেশ কিছু লেট আউটসুইং ডেলিভারি করেন বোল্ট। সেগুলো পিচ করে অফ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে চলে যাচ্ছিল। হুট করে একটা হালকা ভেতরে ঢোকা বলেই ধোকা খান তামিম।

তামিমের বিদায়ের দুই বল পরেই তিন নম্বরে উন্নীত হওয়া সৌম্য সরকার বোল্টের এক শর্ট ডেলিভারিতে বাজে শট খেলে ডেভন কনওয়ের হাতে ক্যাচ দেন। কোনো রান না করেই ফিরে যান তিনি।

তৃতীয় উইকেটে ২৩ রান যোগ করেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। জেমস নিশামের প্রথম ওভারেই থিতু হয়ে যাওয়া লিটন আউট হন। থিতু হওয়ার পর একটি শর্ট ডেলিভারিতে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন লিটন। ১৯ রান করেন তিনি। অপর প্রান্তে মুশফিক শুরু থেকেই ক্রিজে টিকে থাকতে সংগ্রাম করছিলেন। রানের গতি বাড়াতে গিয়ে আউট হন তিনি, নিশামের বলে কাট করতে গিয়ে ক্যাচ দেন পয়েন্টে থাকা মার্টিন গাপতিলের হাতে। ৪৯ বলে ২৩ রান করেন মুশফিক।

এক ওভার পরেই সাজঘরে ফিরেন মোহাম্মদ মিঠুন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের স্ট্রেইট ড্রাইভ জেমস নিশামের হাতে লেগে নন স্ট্রাইকিং প্রান্তের স্টাম্প ভেঙে দেয়। ২৭ বলে ৯ রান করা মিঠুন রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন।

মেহেদী হাসান মিরাজকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন মিচেল সান্টনার। মাত্র ৭৮ রানেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর অভিষিক্ত মেহেদী হাসান ক্রিজে এসেই ছক্কা হাঁকান। ৯৪ মিটারের এক ছক্কা দিয়ে রানের খাতা খোলেন মেহেদী। কিন্তু ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনিও। ১৪ রান করে সান্টনারের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে তুলে মারতে গিয়ে বিদায় নেন মেহেদী।

রিয়াদকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন তাসকিন। অনেকক্ষণ ক্রিজে থাকার পর এক পর্যায়ে হাত খুলতে গিয়ে রিয়াদ ক্যাচ দেন স্যান্টনারের হাতে। ১ চার ও ১ ছক্কা মারা রিয়াদ ৫৪ বলে ২৭ রান করেন তিনি।

রিয়াদের বিদায়ের পর বোল্টের বলে ভুল লাইনে খেলে বোল্ড হন হাসান মাহমুদ। এক বল পরেই তাসকিনকে ফিরিয়ে দিয়ে ইনিংসের সমাপ্তি টানেন বোল্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ ১৩১/১০, ৪১.৫ ওভার
রিয়াদ ২৭, মুশফিক ২৩, লিটন ১৯
বোল্ট ৪/২৭, সান্টনার ২/২৩, নিশাম ২/২৭

নিউজিল্যান্ড ১৩২/২, ২১.২ ওভার
নিকোলস ৪৯*, গাপটিল ৩৮, কনওয়ে ২৭
তাসকিন ১/২৩, হাসান ১/৪৯

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।