খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লকডাউনেও থেমে নেই ইয়াবা পাচার : লোহাগাড়ায় ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৬

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ
লকডাউনেও থেমে নেই ইয়াবা পাচার :  লোহাগাড়ায় ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৬

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে লকডাউনেও থেমে নেই ইয়াবা পাচার। লোহাগাড়ায় চুনতি ফরেষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে ৬ ইয়াবা কারবারীকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং পাচার কাজে ব্যবহৃত ১টি প্রাইভেট কার ও ১টি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করা হয়। লোহাগাড়া থানার ওসি জাকির হোসাইন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযানে আটককৃতরা হল- কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ এলাকার মৃত আলী মিয়ার পুত্র আজিম উদ্দিন (৪৫), কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌধুরী পাড়ার নুরুল আবছারের পুত্র নুরুজ্জামান আসিফ (২০), পটুয়াখালী জেলা সদরের বড় বিঘাই এলাকার মন্নান প্যাদার পুত্র বশির প্যাদা (৪২), বগুড়া জেলার শেরপুরের মরিচা এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (২৫), সিরাজগঞ্জ জেলা সদরের তিলাকুলি এলাকার মুকুল হোসেনের পুত্র সেলিম হোসেন (৪০), সিরাজগঞ্জের কমরখন্দ এলাকার আবদুস সালামের পুত্র সবুজ সরকার (৩২)।

লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে এসআই গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি টিম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে আজিম, আসিফ ও বশির প্যাদার কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একই স্থানে চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে জাহাঙ্গীর, সেলিম ও সবুজের কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোট ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক কারবারীকে আটক করা হয়।

আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা রুজুর পর ১৪ এপ্রিল দুপুরে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে একইদিন বিকেলে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

২৪ ঘণ্টা/আজাদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…