খুঁজুন
, ,

চকরিয়ায় চলাচলের পথেই স্যানিটারী লেট্রিনের কাচাঁ ট্যাংকী স্থাপন করল প্রভাবশালী মহল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 May, 2021, 11:22 pm
চকরিয়ায় চলাচলের পথেই স্যানিটারী লেট্রিনের কাচাঁ ট্যাংকী স্থাপন করল প্রভাবশালী মহল

চকরিয়া প্রতিনিধি : কক্সবাজরের চকরিয়ায় স্যানিটেশন প্রযুক্তির পদক্ষেপ সমূহের বিস্তৃত পরিসরে বিভিন্ন গ্রাম ও সমাজে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান। টেকসই স্যানিটেশন ও জরুরী স্যানিটারি ল্যাট্রিন ও মল-মুত্র ধরে রাখার জন্য বাস্তুতান্ত্রিক স্যানিটেশন পরিবেশে মানব মল-মূত্র ব্যবহার উপযোগী ব্যবস্থা মানুষ নিয়ন্ত্রিত পরিপূর্ণ স্যানিটেশন পদক্ষেপে উজ্জ্বল উদাহরণ থাকলেও আজকাল ক্ষমতাধর মানুষ গুলো তা মানছেনা।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা বলতে বোঝানো হয়, মানববর্জ্য মল-মুত্র ও ব্যবহৃত পানির যথাযথ নিষ্কাশন ও সংরক্ষণ, নিরাপদ যায়গায় হওয়ার কথা থাকলেও প্রভাবশালী মহল তা মানছেন না। মানববর্জ্য ও ব্যবহৃত পানি যে প্রক্রিয়ায় নিরাপদে ব্যবহারযোগ্য করে রাখা দরকার তাকে স্যানিটেশন বলা হলেও সমাজে মোডল প্রকৃতির মানুষ গুলো নিজেদের সৃষ্টি করা কৃত্তিম সংকট সমুহের সাথে প্রতিবেশি শান্তশিষ্ট মানুষ গুলোকেও অ-স্বাস্ব্যকর পরিবেশে আবদ্ধ করে জিন্মাদশায় রেখেছে।

এ ধারাবহিকতায় স্যানিটেশন প্রযুক্তির যুগে চকরিয়া পৌর এলাকায় এসবের বিপরীত। অনুসন্ধানে মিলেছে এমনই এক অ-মানবিক আচরন ও স্যানিটেশন প্রযুক্তিকে না মেনে ইচ্ছেমতো ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চলাচলের রাস্তায়ই মল-মুত্র সংরক্ষণের ট্যাংকী স্থাপনের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা।

চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক হেড মৌলানা ও চকরিয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের পুর্ববিনামারা গ্রামের বাসিন্দা মৃত মৌলভি নুরুল হোসাইন ও তার অপর ভাই দুবাই প্রবাসী আমির হোসেনের পরিবারের অন্তত ৫০ জন লোক সহ পাশের কৃষি জমিতে ও স্কুল মাদ্রাসায় যাতায়াতের নিয়মিত অন্তত ৫০ জন বিদ্যালয়গামী ছাত্র-ছাত্রী ও কৃষকের অভ্যন্তরীণ একমাত্র চলাচলের রাস্তার উপরেই, বাড়ীর ভেতর স্থাপন করা স্যানিটারী ল্যাট্রিনের মানববর্জ্য মল-মুত্র ফেলার জন্য কাচাঁ ট্যাংকী স্থাপন করেছেন চকরিয়া পৌরসভার সাবেক কমিশনার দেলোয়ার হোসেন প্রকাশ দেলা কমিশনার।

সুত্র জানায়, একই এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন দেলা কমিশনার পিতা-আব্দুল কাদের তারা একে অপরেরর ভাই সম্পর্ক। মৌলভি নুরুল হোসাইনের বড় ছেলে ব্যাবসায়ী এনামুল কাদের জানান, পারিবারিক জমিজমা বা কলহ থাকলেও তাদের পরিবারেরর সকল ওয়ারীশগন স্ব স্ব জমিতে নির্দিষ্ট চৌহর্দির আদলেই সবাই বসবাস করে আসছেন। কিন্তু, চাচা দেলা কমিশনার বিনা উস্কানিতেই তাদের হাটাচলার পথে বাড়ীর ভেতর স্থাপন করা স্যানিটারী ল্যাট্রিনের মল-মুত্র সংরক্ষণে কাচাঁ ট্যাংকী স্থাপন করে একদিকে চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে কোমলমতী শিশু-কিশোর সহ সব বয়সী স্থায়ী বসবাসকারী শতাধিক মানুষজনকে এক প্রকার জিন্মী করে রেখেছেন।

তিনি বলেন, সামাজিক ভাবে সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লষ্ট কতৃপক্ষ বরাবর বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে প্রতিবেদককে জানান।

২৪ ঘণ্টা/হাবিবুল্লাহ

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।