খুঁজুন
, ,

সরকারের বিদায়ের জন্য রক্ত দিয়ে স্বাক্ষর করে শপথ করছি : আ স ম রব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 6 November, 2019, 4:35 pm
সরকারের বিদায়ের জন্য রক্ত দিয়ে স্বাক্ষর করে শপথ করছি : আ স ম রব

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘শুধু আবরার হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবি নয়, এই সরকারের বিদায়ের জন্য রক্ত দিয়ে স্বাক্ষর করে শপথ করছি। বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠন করে এই সরকারের বিদায় করব।’

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে ‘রক্তের অক্ষরে সত্যের সাক্ষ্য’র কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের উদ্দেশে রব বলেন, ‘কত রক্ত চাই আপনাদের? রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে সব অন্যায়। যত রক্ত চান রক্ত দিব কিন্তু জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। সরকারি দল থেকে বলা হচ্ছে- আবরারের বিচারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাহলে আমরা আন্দোলন করছি কেন? আবরার এর বিচার হয় নাই।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। কিছুদিন আগে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে পানিতে ফেলে দিয়েছে ছাত্রলীগ, এসবের বিচারও এখনো হয়নি।’

এই সরকার একটি খুনি সরকার মন্তব্য করে আ স ম রব বলেন, ‘এই সরকার জনগণের সব অধিকার হরণ করেছে। তারা পুলিশ দিয়ে, গুন্ডা দিয়ে আন্দোলন দমন করে আর বলে আন্দোলন করতে পারে না, বক্তব্য দিতে পারে না। স্বৈরাচারী পন্থায় ক্ষমতায় থাকবেন? বাংলাদেশ ব্রিটিশ আমল থেকে কেউ এই স্বৈরাচারী পন্থায় ক্ষমতায় বেশিদিন থাকতে পারেনি আপনিও পারবেন না। আপনাদেরও ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখনই সরকার শুধু আবরারকে খুন করে নাই। জনগণের অধিকার খুন করেছে, গণতন্ত্র হরণ করেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে খুন করেছে। এখনো খুন করছে তারা।’

ছাত্রলীগ একটি খুনিলীগ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এই ছাত্রলীগ এখন ছাত্রলীগ নাই তারা খুনিলীগ হয়ে গেছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই ছাত্রলীগের প্রতিটি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে টর্চার সেল আছে। শেখ হাসিনা প্রতিটি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থানা, উপজেলায়, ওয়ার্ডে টর্চার সেল তৈরি করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেছেন ছাত্রলীগ তাদের অঙ্গসংগঠন না। ছাত্রলীগ-যুবলীগ যদি আপনারদের অঙ্গসংগঠন না হয় তাহলে গণভবনে কী করে কমিটি ঘোষণা করেন এর উত্তর দেন।’ এ সময় তিনি অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, কার্যকরী সভাপতি আবু সাইয়েদ, জেএসডির সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব প্রমুখ।

Feb2
Feb2

গাড়ির লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই সবার আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 10 September, 2026, 8:48 pm
গাড়ির লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই সবার আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী

লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করা গেলে বিএনপি সবার আগে লংমার্চ করত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিরোধীদলের উদ্দেশে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য সমগ্র দেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে আমরা আমাদের বিরোধীদলীয় বন্ধুদের কাছে সহযোগিতা আশা করেছিলাম। অথচ আমরা দেখলাম তারা একটি বিশাল গাড়ির লংমার্চ আয়োজন করেছেন। বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে, জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল।’

‘গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত, তাহলে আমরাই সবার আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম,’ বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে পাঠিয়েছে সংসদে। আমি মনে করি এই সংসদের প্রতিটি সদস্য, বিরোধীদলের হোক, সরকারি দলের হোক—আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব সঠিক চিত্র বা বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে তুলে ধরা।’

তিনি বলেন, ‘উত্তরাধিকার সূত্রে ফ্যাসিবাদী শাসনামলের সমস্যাকে আমরা অজুহাত হিসেবেও দাঁড় করাতে চাই না। বরং এই সমস্যাগুলো এই সমস্যাগুলোর ব্যাপারে আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই এবং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে চাই। যেন সমস্যাগুলো মোকাবিলা করা যায়, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, যেন জনজীবনের শান্তি-স্বস্তি-নিরাপত্তা বিধান করা যায়। এই সরকার সেই লক্ষ্যেই নিরলসভাবে পরিশ্রম করছে।

বিগত আওয়ামী সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলনে, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যখন শুরু হলো সেসময় ২০২২ সালে যুদ্ধের অজুহাতে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে তখন অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করা হলো, স্কুলগুলোতে একদিনের জায়গায় দুদিন ছুটি দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকের লেনদেনের কর্মসূচিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। আমরা অজুহাত তুলে জনগণের সমস্যার সমাধান এড়িয়ে যেতে চাই না। বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবিলায় কুইকরেন্টাল বসানো হয়েছিল। এই কুইকরেন্টালের নামে কিছু মানুষকে সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্রকে ফতুর করে দেওয়া হয়, ঋণগ্রস্ত করে দেওয়া হয়।’

নজরুলের মানবিক চেতনা ধারণ করতে হবে: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 10 September, 2026, 7:52 pm
নজরুলের মানবিক চেতনা ধারণ করতে হবে: ডিসি জাহিদ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, মানবিকতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গড়তে নজরুলকে শুধু স্মরণ নয়, তাঁর আদর্শ ও মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ডিসি হিলে ‘নজরুল মুক্তমঞ্চ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে মুক্তমঞ্চটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

১৯২৬ সালে কাজী নজরুল ইসলাম চট্টগ্রামে এসে ডিসি হিলে অবস্থান করেছিলেন। তাঁর সেই অবস্থানের শতবর্ষে স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নজরুলচর্চার সুযোগ বাড়াতে মুক্তমঞ্চটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নজরুল এমন একজন কবি, যিনি মানবতাকে আরও বেশি প্রসারিত করেছেন। আমাদের নজরুলকে জানতে হবে, আরও বেশি জানতে হবে।’

নজরুলের সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, নজরুল ধর্ম-বর্ণের বিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের মিলন ও সম্প্রীতির কথা বলেছেন। তিনি যেমন ইসলামী সংগীত রচনা করেছেন, তেমনি লিখেছেন শ্যামাসংগীত। তাঁর সৃষ্টিতে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থানের বার্তা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, নজরুলের সাহিত্য মানুষকে অন্যায়, বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামেও তাঁর লেখনী মানুষকে প্রেরণা জুগিয়েছে। বর্তমান সময়েও তাঁর সাম্য ও মানবিকতার দর্শন প্রাসঙ্গিক।

নজরুলের আপসহীনতার প্রসঙ্গ টেনে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কবি নিজের বিবেক ও মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করেননি।

তিনি বলেন, ‘কোনো কিছুর কাছে তাঁর বিবেক কখনো পরাজিত হয়নি। পরাজিত বিবেক দিয়ে কোনো কিছু অর্জন করা যায়, কিন্তু সেই অর্জন দীর্ঘস্থায়ী হয় না।’

ডিসি হিলের সঙ্গে নজরুলের স্মৃতির কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘১৯২৬ থেকে ২০২৬—ঠিক ১০০ বছর পর আমরা সেই স্মৃতিকে অম্লান করে ধরে রাখার চেষ্টা করছি।’

জেলা প্রশাসক বলেন, চট্টগ্রামের সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের পরিচিত জায়গাগুলোর একটি ডিসি হিল। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে এখানকার বিভিন্ন স্থাপনা জীর্ণ হয়ে পড়েছে। সেগুলো সংস্কার ও এলাকাটি নান্দনিকভাবে সাজানোর কাজ করছে জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত পুরোনো মঞ্চকে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে।

ডিসি হিলের নজরুল স্কয়ারও সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তরুণ প্রজন্মের প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, মেধা ও দক্ষতার পাশাপাশি তরুণদের মানবিক মূল্যবোধ ও বিবেকবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। নজরুলের জীবন ও সাহিত্য নতুন প্রজন্মকে সেই শিক্ষা দিতে পারে।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই, আমাদের আগামী প্রজন্ম নজরুলকে ধারণ করবে, নজরুলকে লালন করবে। নজরুল যেভাবে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই চেতনায় তরুণ সমাজকে গড়ে তুলতে চাই।’

নির্মাণকাজ শেষ হলে নজরুল মুক্তমঞ্চে নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শন নিয়ে নিয়মিত চর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা চর্চার সুযোগ পাবেন এবং নতুন প্রজন্মও নজরুল সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হবে।

জেলা প্রশাসকের আশা, নজরুলের ডিসি হিলে অবস্থানের শতবর্ষের স্মৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন মুক্তমঞ্চটি চট্টগ্রামের নজরুলচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাশ ৪৫৮৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 10 September, 2026, 11:56 am
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাশ ৪৫৮৫

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের পর ফেল থেকে পাশ করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। একই সঙ্গে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে আরও অনেক শিক্ষার্থীর।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়। আবেদনকারীদের মুঠোফোন নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হয়েছে। নির্ধারিত ওয়েবসাইট rescrutiny.eduboardresults.gov.bd থেকেও ফল জানা যাচ্ছে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলো। আর পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শেষ হয়েছিল ১৭ আগস্ট রাতে। আবেদন শেষ হওয়ার ২৪ দিন পর ফল প্রকাশ করা হলো।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারেন। ফলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় মোট আবেদনের সংখ্যা বেশি হয়েছে।

সব মিলিয়ে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা হয়। অর্থাৎ মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন জমা পড়ে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এর আগে জানিয়েছিলেন, এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথমবারের মতো আবেদন করা উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়নও করা হয়েছে।

আগের নিয়মে পুনঃনিরীক্ষণের সময় মূলত উত্তরপত্রে নম্বর যোগে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হতো। পুরো উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন করা হতো না। তবে এবার আবেদন করা উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

বোর্ডভিত্তিক হিসাবে এবার সবচেয়ে বেশি পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন পড়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮ হাজার ১২টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।

এ ছাড়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৩৫ হাজারের বেশি, রাজশাহীতে ৩৯ হাজারের বেশি, যশোরে ২৮ হাজারের বেশি, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজারের বেশি, বরিশালে ১৭ হাজারের বেশি, সিলেটে ২০ হাজারের বেশি, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।

অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মূল ফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন। রেকর্ডসংখ্যক আবেদনের পর বৃহস্পতিবার সেই ফল প্রকাশ করা হলো।