খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৮ বছরের খরা কাটিয়ে কোপা জিতল আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছরের খরা কাটিয়ে কোপা জিতল আর্জেন্টিনা

শেষ বাঁশি বাজতেই আর্জেন্টিনা ফেটে পড়ল উল্লাসে। আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারানো হয়ে গেছে, কোপা আমেরিকা জেতা হয়ে গেছে যে।

২৮ বছর, সেই ২৮ বছর আগে সর্বশেষ শিরোপাটা উঠেছিল আর্জেন্টিনার ঘরে। এরপর থেকে বছর আসে বছর যায়, আর্জেন্টিনার ট্রফিকেস পড়ে থাকে শূন্য। সে শূন্যতা কাটানোর মাহেন্দ্রক্ষণ অবশেষে হাজির। চলতি শতাব্দিতে প্রথম শিরোপা, যেটা আলবিসেলেস্তেদের সোনালি প্রজন্ম করে দেখাতে পারেনি সেটাই করলো লিওনেল স্ক্যালোনির প্রায় আনকোরা দলটা। আর্জেন্টিনার তো আজ আনন্দে-উল্লাসে ফেটে পড়ারই কথা!

সেই রিও ডি জেনিরো। আবার সেই মারাকানা। দুইদিন পরই আরও একটা জন্মদিন যে ‘প্রিয় অসুখের’ তার জন্মভূমি মারাকানাতেই খরাটা কাটাল আর্জেন্টিনা, তাও আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারিয়ে। ঈশ্বর কি আর্জেন্টিনার, লিওনেল মেসির, কিংবা আজকের জয়ের নায়ক আনহেল ডি মারিয়ার চিত্রনাট্যটা এর চেয়ে ভালো কোনোভাবে লিখতে পারতেন? হয়তো, হয়তো না!

অথচ ফাইনালে ব্রাজিল আর্জেন্টিনা মহারণের আগে কু গাইছিল সেই আসরের প্যারানয়া। ফাইনালের আগ পর্যন্ত সেবারের সঙ্গে এবারের মিলটা দেখুন। সেবার সেমিফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে নায়ক বনে গিয়েছিলেন সার্জিও রোমেরো, এবার বনলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। সেবারের ফাইনাল মারাকানায়, এবারেরটাও। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি এবার ফিরে আসে না কী করে?

সেবারের সঙ্গে এবারের অমিলও আছে বৈকি। সেবার আর্জেন্টিনার আফসোস বাড়িয়ে ফাইনালে খেলতে পারেননি আনহেল ডি মারিয়া। এবারও শুরুর একাদশে থাকার কথা ছিল না, অন্তত টুর্নামেন্টজুড়ে দলের প্রথম একাদশ দেখলে, বিরতির পর মাঠে নেমেই তার প্রভাব দেখলে তেমনই মনে হওয়ার কথা। সেই ডি মারিয়াকেই কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি নামিয়ে দিলেন শুরুর একাদশে।

চমক ছিল তার অবস্থানেও। ভাবা হচ্ছিল, দলে জায়গা পেলেও হয়তো ফরোয়ার্ড লাইনে নিকো গঞ্জালেসের পরিবর্তে লেফট উইংয়ে হবে তার জায়গা, কিন্তু ম্যাচে দেখা যায় তিনি খেলছেন রাইট উইংয়ে। স্ক্যালোনির এই কৌশলের ফায়দাও পেয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির রাইট উইং থেকে ভেতরে চলে আসেন পিচের ভেতরের দিকে, সঙ্গে টেনে আনেন তাকে মার্ক করা ডিফেন্ডারকেও। ফলে ডি মারিয়া বেশ কবার ফাঁকায় বল পেয়েছেন, আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছেন ব্রাজিল রক্ষণে।

এ দশকেই আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেলেছে আরও তিনটে। তার সব আসরেই আলবিসেলেস্তেদের এ যাত্রার প্রধান কুশীলব ছিলেন মেসি। কিন্তু ফাইনালের চাপ সামলাতে যেন আর একজনের সাহায্য চাই তার। আগের তিন ফাইনালে ছিলেন সাহায্য ছাড়া। ফল, অবধারিত হার।

এবার পেলেন। আনহেল ডি মারিয়ার। তবে সাহায্য বলা চলে কিনা তা নিয়ে একটা আলোচনা হতেই পারে। একমাত্র গোলে যে নেই মেসির বিন্দুমাত্র অবদানও! ২১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দি পলের করা লম্বা বল ডান প্রান্তে থাকা রেনান লোডিকে বিট করে চলে যায় ডি মারিয়ার কাছে। এরপর সামনে থাকা গোলরক্ষক এডারসনকে দারুণ এক চিপে বোকা বানিয়ে গোলটি করেন মারিয়া। আর্জেন্টিনা পেয়ে যায় মহামূল্য, পরম আরাধ্য সে গোল। যার অপেক্ষায় দলটা থেকেছে প্রায় ১৬ বছর। ২০০৫ সালের কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালে গোলের পর থেকে যে আর গোলের দেখা পায়নি আকাশী সাদারা!

সে খরা কাটল। কিন্তু শিরোপার? তা নিয়ে সংশয় ছিল। শুরু থেকেই তো। একের পর এক ব্রাজিলীয় আক্রমণ এসে আছড়ে পড়ছিল আর্জেন্টাইন রক্ষণে। গোলের আগ পর্যন্ত অন্তত। সফলতা অবশ্য পায়নি কিন্তু তখন সেসব আক্রমণ ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।

২১ মিনিটে ডি মারিয়ার সে গোল আর্জেন্টিনাকে ধাতস্থ করেছে ম্যাচে, দিয়েছে স্নায়ু ধরে রাখার সঞ্জীবনী সুধা। বেশ কিছু আক্রমণেও উঠেছে বিরতির আগে। তাতেও মেলেনি সফলতা। তবে ক্ষতিও হয়নি খুব একটা, ডি মারিয়ার গোলে পাওয়া লিডটা যে ছিল অক্ষত!

পুরো টুর্নামেন্টে যেমন হয়েছে, এক গোলের লিডের পর রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ার কৌশলে চলে গেছে আর্জেন্টিনা। মহারণের পরের অর্ধে তাই হয়েছে। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, নিকলাস অটামেন্ডিরা ব্যস্ত ছিলেন নেইমার, রিশার্লিসন, ফিরমিনোদের আক্রমণ সামলাতেই। একটা গোল তো হজম করেই ফেলেছিল। লাইন্সম্যানের বাঁশি বেজেছিল বলে বাঁচোয়া।

কিন্তু এরপরও ব্রাজিলের আক্রমণ থামেনি, আর্জেন্টাইন দেয়াল অবশ্য সেসব সামলাচ্ছিল ভালোভাবেই। ৭৫ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগটা পেয়েছিল ব্রাজিল। সেটা গোল হয়ে গেলে সমতাও চলে আসত ম্যাচে। কিন্তু রিশার্লিসনের সেই শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে আর্জেন্টিনার জাল অক্ষত রাখেন সেমিফাইনালের নায়ক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

প্রতি আক্রমণে আর্জেন্টিনাও কম ত্রাস ছড়াচ্ছিল না ব্রাজিল রক্ষণে। ৮৮ মিনিটে মেসির গোলটা হয়ে গেলে আরও মিনিট সাতেকের অপেক্ষাটাই থাকত না আর্জেন্টিনার। কিন্তু রদ্রিগো ডি পলের বাড়ানো বলটা আয়ত্বে নিয়েও গোল করতে পারেননি মেসি। এরপর কেটেছে একে একে আরও সাত মিনিট। আর্জেন্টিনা চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় সামলেছে সব আক্রমণ। এরপর বাজল শেষ বাঁশি, এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। অবিশ্বাস্য সে মুহূর্ত। যার অভাব আর্জেন্টিনাকে ২৮ আর মেসিকে পুরো ক্যারিয়ারজুড়েই উপহার দিয়েছে হতাশা, সে অভাব ঘুচল। আর্জেন্টিনা বনে গেল কোপা আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন।

Feb2

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল মেক্সিকো। আর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা রইল অব্যাহত। সং হিউয়েন মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নক আউট পর্বে জায়গা করে নিল বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা।

জাপোপানে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে মেক্সিকোর খেলাতে ছিল না তেমন গতি। অন্যদিকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকেন সং হিউয়েন মিনরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলা গতি বাড়িয়ে দেয় স্বাগতিকরা। কিন্তু প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সুবিধা করতে পারেনি কোনো দল। গোল শূন্য ব্যবধানেই বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতি থেকে ফিরে গোল আদায় করে নিতে বেশিক্ষণ সময় নেয়নি মেক্সিকো। যদিও গোলটা এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সুং গিউয়ের ভুলে।

একটি ক্রস থেকে আসা বল ধরতে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে আসেন কিম। কিন্তু নিজ দলের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কারণে বলটি আয়ত্ব করতে পারেননি তিনি। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান লুইস রিমো। আলতো করে টোকা দিয়ে বল পাঠান জালে। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেক্সিকো।

এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক মেক্সিকো।

এ জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে মেক্সিকো। তাতেই গ্রুপে তাদের অবস্থান সবার ওপরে। এদিকে সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার। এছাড়া একটি করে পয়েন্ট সংগ্রহ করে যথাক্রমে তিন ও চার নম্বরে অবস্থান করছে চেচিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

এমপিকে গুলির পরিকল্পনার অডিও ফাঁস, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ
এমপিকে গুলির পরিকল্পনার অডিও ফাঁস, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় চাঞ্চল্য

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে লক্ষ্য করে পায়ে গুলি করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ রয়েছে—এমন একটি কথিত অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অডিওটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ফাঁস হওয়া ওই অডিওতে সংসদ সদস্যের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচিত আরমান উদ্দিনের কণ্ঠ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অডিওতে একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে কেন্দ্র করে সহিংস পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কথোপকথনে অংশ নেওয়া দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের কণ্ঠ আরমান উদ্দিনের বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অপর ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংরক্ষিত অডিওতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, লোহাগাড়ায় এমপি কেন আসবে? আসলে পায়ে গুলি করে জিজ্ঞেস করবো কেন এসেছে। লোহাগাড়ার এমপি আরমান সাহেব, এখানে আরমান সাহেবের কথাই চলবে। জবাবে আরমান উদ্দিন বলে পরিচিত ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, এমপিকে তো লোহাগাড়ায় না আসতে বলি। তারপরেও লোকজনের জ্বালায় আসে।

কথোপকথনের একপর্যায়ে অপর ব্যক্তি বলেন, বাদশা খালেদের মতো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থাকবো। এর জবাবে আরমান উদ্দিন বলে পরিচিত ব্যক্তি বলেন, এসব করলে পুলিশ আসবে, আর্মি আসবে, এমপি আসবে।

অডিওতে একজন সংসদ সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত এবং সেখানে তার ব্যক্তিগত সহকারীর কথিত সম্পৃক্ততার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, অডিওতে শোনা অপর ব্যক্তি লোহাগাড়া এলাকায় বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী একটি মহলের ঘনিষ্ঠজন হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অডিওর বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আরমান উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘চৌধুরী সাহেবকে কেন গুলি করতে যাব? আগে আমাকে অডিওটি দেন, তারপর আমি বিষয়টি বলব।’ পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘ফাঁস হওয়া অডিওর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অডিওর সত্যতা, উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

৫ গোল ও ১ লাল কার্ডের ম্যাচে বসনিয়াকে হারাল সুইজারল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ
৫ গোল ও ১ লাল কার্ডের ম্যাচে বসনিয়াকে হারাল সুইজারল্যান্ড

৭৩ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় ছিল সুইজারল্যান্ড ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ম্যাচ। এরপরই শুরু হয় উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই, যেখানে ১০ জনের বসনিয়াকে চেপে ধরেছিল সুইসরা। বিরতির পর বদলি নামা ইয়োহান মানজামবির তিন মিনিটেই গোলের খাতা খোলেন। তার জোড়া গোলে বসনিয়াকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড।

এর আগে দুই দলের শুরুটা ছিল ম্যাড়ম্যাড়ে। উভয়েই প্রথমার্ধে কেবল একটি করে শট লক্ষ্যে রাখতে পারে। যা থামিয়েছেন গোলরক্ষকরা। তবে সেই তুলনায় বিরতির আগে ফাউল হয়েছে অনেক। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের পক্ষে মানজামবির জোড়া গোল ছাড়া একবার করে স্কোরশিটে নাম তোলেন রুবেন ভার্গাস ও গ্রানিত জাকা। বিপরীতে, বসনিয়া এরমিন মাহমিচের গোলে ব্যবধান কমায়।

৭১ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন সুইস মিডফিল্ডার জোহান মানজাম্বি। মিনিট তিনেক পর দুর্দান্ত এক ভলিতে তিনি ম্যাচের ডেডলক ভেঙে বিশ্বকাপের প্রথম গোলটি করেন। ৮৪তম মিনিটে সুইসদের পক্ষে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভার্গাস। এর মিনিট চারেক আগে বিপজ্জনক ট্যাকলের কারণে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় বসনিয়ার তারিক মুহারেমোভিচ। ফলে দলটি ১০ জনের দলে পরিণত হয়।

মানজাম্বি ৯০তম মিনিটে ভার্গাসের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। আর অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের একেবারে শেষ কিকে পেনাল্টি থেকে গোল দিয়ে ব্যবধান আরও বাড়ান সুইজারল্যান্ড অধিনায়ক গ্রানিত জাকা। তার আগে বসনিয়ার পক্ষে এক গোল শোধ দিয়েছেন এরমিন মাহমিচ।

বসনিয়া ম্যাচ হারলেও বিশ্বকাপে নিজেদের মাত্র দ্বিতীয় আসর খেলতে এসে নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা এখনও টিকিয়ে রেখেছে। শক্তিশালী সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তারা দ্বিতীয়ার্ধের অনেকটা সময় পর্যন্ত লড়েছে প্রায় সমানে সমান। চলতি আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক কানাডার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল বসনিয়া।