আশ্রয়ণ প্রকল্পে জন্ম নেয়া নবজাতকের ঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে ইউএনও
লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : ফাতেমা বেগম। স্বামী মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান। বাড়ী চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের কাজির পুকুর পাড় এলাকায়। তাঁর কোন ভিটেবাড়ি ও থাকার ঘর নেই। গেল দুই মাস পুর্বে উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের তাঁতী পাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্বপ্নের ঠিকানাতে উঠেন সাজ্জাদের পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে স্বামী-স্ত্রী মহাখুশী। ফাতেমা বেগমের প্রথম কন্যার বয়স ৪ বছর। আশ্রয়ন প্রকল্পের নতুন ঘরে উঠার পর ১৯ জুলাই তাঁর ঘরে আগমণ ঘটে নতুন অতিথির (পুত্র সন্তানের)। নতুন ঘরে নতুন অতিথি।
এদিকে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ফাতেমা বেগমের ঘরে নতুন অতিথির আগমণের খবরে ২৬ জুলাই (সোমবার) দুপুর দুইটার দিকে তাঁকে দেখতে ছুটে যান লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো : আহসান হাবীব জিতু। সাথে নবজাতক শিশুটির জন্য উপহার হিসেবে নিয়ে যান নতুন জামা-কাপড় ও মিষ্টি। এ সময় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নতুন অতিথি নবজাতক শিশুটিকে কোলে নিয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটান ইউএনও মো : আহসান হাবীব জিতু।
এসময় ইউএনও’র সফর সঙ্গী ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পিআইও) মাহবুব আলম শাওন ভুঁইয়া ও লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ রায়হান সিকদার।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো : আহসান হাবীব জিতু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনন্য স্বপ্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পেয়ে অনেক খুশী উপকারভোগীরা। সেখানে তারা সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করছেন। উপজেলার পুটিবিলা তাঁতী পাড়ার আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক অসহায় মহিলা ফাতেমা বেগম স্বপ্নের ঠিকানায় উঠেন। তাঁর ঘরে নতুন অতিথির (পুত্র সন্তান) আগমণ হয়। আর আশ্রয়ণ প্রকল্পে এ নতুন অতিথির আগমণের খবর পেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নতুন জামা-কাপড় ও মিষ্টি উপহার নিয়ে তাদের খোঁজ-খবর নিতে ছুটে গেলাম। এসময় নবজাতক শিশুটিকে কোলে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটালাম, খুব ভালোই লাগলো জানালেন ইউএনও জিতু।
এদিকে, ফাতেমা বেগম ও তার স্বামী সাজ্জাদ তাদের ঘরে নবজাতক শিশুকে পেয়ে অনেক খুশী। তাদের নবজাতক সন্তান ও পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে এ চলমান কঠোর লকডাউনেও আশ্রয়ণ প্রকল্পে ছুটে যাওয়ায় ইউএনও আহসান হাবীব জিতু এবং পিআইও মাহবুব আলম শাওন ভুঁইয়াকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী এ দম্পতি।


আপনার মতামত লিখুন