খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করেছেন তামিল অভিনেতা ধানুশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করেছেন তামিল অভিনেতা ধানুশ

অভিনয় দক্ষতা দিয়েই ধানুশ তামিল ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে আছেন বীরদর্পে। ধানুশের আরো একটি পরিচয় আছে। তিনি বিয়ে করেছেন ঐশ্বরিয়াকে।

নাহ, বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া নয়। তিনি বিয়ে করেন দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবিসংবাদিত অভিনেতা রজনীকান্তের বড় মেয়ে ঐশ্বরিয়াকে।

দীর্ঘ দিন প্রেম করে রজনীকান্তের বড় মেয়েকে ২০০৪ সালের ১৮ নভেম্বর বিয়ে করেন ধানুশ। ২৮ জুলাই ছিল ধানুশের জন্মদিন। তার বিশেষ এই দিনে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে ধানুশের প্রেম ও বিয়ের পেছনের গল্প।

ধানুশের সঙ্গে ঐশ্বরিয়াকে প্রথম পরিচয় করিয়ে দেন বাবা রজনীকান্তই। তবে তামিল সিনেমায় সবেমাত্র পা রেখেছেন ধানুশ।

তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমা ‘কাদাল কোন্দেইন’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে সপরিবারসহ এসেছিলেন রাজনীকান্ত। তখনই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হয় ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার।

সিনেমা দেখা শেষে একদিন পর ধানুশকে একটি ফুলের তোড়া পাঠান ঐশ্বরিয়া। সঙ্গে চিরকুটে লেখা ছিল ‘ভালো কাজ’।

এখান থেকেই যোগাযোগটা বেড়ে যায় দু’জনের। ধানুশ দেখেন তার বোনের বান্ধবী ঐশ্বরিয়া। যে কারণে দেখা-সাক্ষাৎটা একটু বেশিই হতো। সেই গল্প-আড্ডাবাজি দ্রুতই রূপ নেয় প্রেমে।

এরইমধ্যে ধানুশের কয়েকটি সিনেমা সুপারহিট হয়। রাতারাতি তারকা বনে যান তিনি। তখনই ধানুশ-ঐশ্বরিয়ার প্রেম প্রকাশ্যে আনেন পাপারাজ্জিরা।

এর কিছু দিন পরে দুই পরিবার মিলে বিয়ে দেন ধানুশ-ঐশ্বরিয়ার। ঐশ্বরিয়া একজন নির্মাতা ও গায়িকা। এ দম্পতির যাত্রা ও লিঙ্গা নামে দুই সন্তান রয়েছে।

তামিল চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা তারকা ধানুশ চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ৭টি ফিল্মফেয়ার সাউথ পুরস্কার ও ১৩টি সিমা অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…