খুঁজুন
, ,

সকলের দায়িত্ব চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি রক্ষায় এগিয়ে আসা।

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 30 July, 2021, 3:14 pm
সকলের দায়িত্ব চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি রক্ষায় এগিয়ে আসা।

ইকবাল হোসেন :

চট্টগ্রামের ফুসফুস বলা হয় এই সিআরবি চত্বরকে। সবুজে ঘেরা সারি সারি সুবিশাল বৃক্ষ। কোনো গাছের বয়স একশ বছর। কোনোটির বয়স দুশোর বেশি। বয়সের ভারে এই বৃক্ষগুলো ন্যুব্জ হয়নি, বরং শতবছরেও গাছগুলো ধরে রেখেছে তাদের সবুজের সজীবতা।

দুই’শ বছরের ঐতিহ্যম-িত বৃক্ষরাজিবেষ্টিত সিআরবি এলাকার সবুজ সরিয়ে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরাও চাই,হাসপাতাল হোক তবে সিআরবি তে না।অন্য কোনো জায়গায় হাসপাতাল গড়ে উঠুক সেটাই পুরো চট্টগ্রাম বাসীর কামনা।চট্টগ্রামের কিছু মানুষ মীরজাফরের ভূমিকা পালন করছে,ঐসব মীরজাফর গুলো কে চট্টগ্রাম বাসী স্মরণী ও বরণীয় করে রাখবে। সিআরবি নিয়ে কখনো ব্যবসা করতে দেয়া হবে না।সিআরবির সাথে জড়িয়ে আছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। চট্টগ্রামের মানুষ বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে হলেও মুক্তিযুদ্ধাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থান সিআরবি কে রক্ষা করবে।

আজ এই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত সবুজ বলয় শঙ্কিত সিআরবি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কিছু তস্কর হাসপাতাল বানাতে চাই এই সিআরবি চত্ত্বরে।চট্টগ্রামের মানুষ এতেই শঙ্কায় আছেন।যদি সিআরবিতে হাসপাতাল করবার অনুমতি পত্র দিয়ে দেন,রেলওয়ের কতৃপক্ষ,তাহলে,এখানকার শতবর্ষী গাছেরা যাবে কোথায়? এখানকার পাখি-পতঙ্গদের কে দেবে আশ্রয়? মানুষ বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার আর একটু সবুজের সান্নিধ্য পাবে কোথায়?হাসপাতাল অবশ্যই দরকার। এই করোনা মহামারিতে আমরা স্পষ্ট টের পাচ্ছি কত নিবিড়ভাবে আমাদের হাসপাতাল দরকার। কিন্তু, একটি হাসপাতাল নির্মাণ করতে গিয়ে এক ঐতিহাসিক পাবলিক সবুজ বলয়কে বিপদের মুখে ফেলে দেওয়া কোনো সংবেদনশীল উন্নয়নবিধি নয়। কারণ,এই সবুজ বলয়ও মানুষসহ নানা প্রাণসত্ত্বাকে বিনামূল্যে অক্সিজেন যোগায়,বেঁচে থাকার সামাজিক-পরিবেশগত-মানসিক রসদ যোগায়।
শঙ্কা এ কারণেই যে, কোনো বৃহৎ অবকাঠামো বা স্থাপনা নির্মাণে আমরা দেখেছি বারবার কত নিদারুণভাবে বৃক্ষ, পাখি, পতঙ্গসহ বুনো প্রাণী নিশ্চিহ্ন করা হয়। নির্দয়ভাবে পাহাড়ি টিলা চুরমার করে সিলেট বা চট্টগ্রাম শহর গড়ে তোলা হয়েছে। এসব শহর আজ ঝলমলে প্লাস্টিক, প্রাণ নেই শিরায়।

সিলেটের বিশাল দীঘিগুলো দিন-দুপুরে হত্যা করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এসব দীঘির পরিবেশগত অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। নাই হতে হতে চট্টগ্রাম শহরের ‘সিআরবির’ মতো একটি মাত্র পাবলিক সবুজ বলয়ের দিকে আজ তাক করেছে উন্নয়নের অমীমাংসিত তর্ক। তর্কটি কোনোভাবেই হাসপাতাল বনাম সিআরবি নয়। এটি হতেই পারে না।একটি হাসপাতালও সবুজ বলয় ছাড়া সম্ভব নয়, আবার একটি সবুজ বলয় সাজায় প্রাকৃতিক।তবে সিআরবির মতো এক ঐতিহাসিক সবুজ বলয়কে নিহত করে নয়, অন্য কোনো জায়গায়।আশা করছি, সিআরবিকে সুরক্ষিত রেখে জনদাবিকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার।
প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ্য যে, বন্দরনগরীর সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম কেন্দ্র ডিসি হিলে বেশ কয়েক বছর ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ।সিআরবির শিরীষতলায় বাঙালি সংস্কৃতির চিয়ায়ত অনুষঙ্গ পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ উৎসব আয়োজিত হয়। পাশাপাশি শিরীষতলায় অন্যান্য সাংস্কৃতিক আয়োজনও হয়ে থাকে।

সিআরবি এলাকায় বাণিজ্যিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ হলে সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনও হুমকির মুখে পড়বে।
বর্তমানে নগরের একমাত্র উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ হিসেবে নিত্যদিন প্রাতঃ ও বৈকালিক ভ্রমণের জন্য মানুষ সিআরবিতে আসে। এ ছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন এমনকি ঈদসহ বিভিন্ন ছুটির সময়ে মানুষ সিআরবির পাহাড় ও বৃক্ষছায়ায় আসে প্রশান্তির খোঁজে।সিআরবি চট্টগ্রামে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে হাসপাতালের মতো স্থাপনা নির্মাণ কোনোভাবে যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নয়।
চট্টগ্রামে ঐতিহ্য ও প্রকৃতি রক্ষায় সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।
নগর বা জেলার অন্য কোনো স্থানে রেলওয়ের বা অন্য কোনো সরকারি সংস্থার জমিতে প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি সাধন না করে হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের প্রতি আবেদন জানায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরাম পরিবার।

লেখকঃ-মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন
              সভাপতি
  রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরাম-চট্টগ্রাম।         বিশ্ববিদ্যালয়।

Feb2
Feb2

প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:31 pm
প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাইবার হামলা ও নতুন বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

সংরক্ষিত নারী আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বিবেচনায় নিয়ে কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে না বানিয়ে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির কথা স্বীকার করলেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করতে পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির চেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক দুই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের আইনি ভিত্তি তুলে ধরেন। শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:16 pm
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮৫ টাকা। গত মাসে যা ছিল ১৫৯৮ টাকা।

আজ বুধবার নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আজ সন্ধ্যা থেকেই যা কার্যকর হবে।

এর আগে, জুলাই মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা। আগস্ট মাসে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৭০ টাকা। যদিও জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের ১ হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছিল।

বিইআরসি জানায়, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে দাম প্রতিকেজি ১৩২ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

একইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই মাসে এর দাম ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

এ ছাড়া, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৫ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।

বোতলজাত সয়াবিনের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ২০৪ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:04 pm
বোতলজাত সয়াবিনের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ২০৪ টাকা

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এত দিন বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৯৯ টাকা। এখন নতুন দাম হয়েছে ২০৪ টাকা।

আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান এ তথ্য জানান।

এর আগে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকেরা বৈঠক করেন।

বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে, পাশাপাশি বেড়েছে পরিবহন ব্যয়। এসব কারণ দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ব্যবসায়ীদের দাবি ছিল আরও বেশি (লিটারে ১০ টাকা) দাম বাড়ানোর। তিনি বলেন, বাজারে বর্তমানে ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। সম্প্রতি বেড়েছে চিনির দাম। নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোয় মূল্যস্ফীতিতে এর প্রভাব পড়বে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘কিছুটা প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে।’