খুঁজুন
, ,

কোভ্যাক্সের আওতায় ও দ্বিপক্ষীয়ভাবে টিকা পাঠাতে কানাডার প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 13 August, 2021, 12:51 pm
কোভ্যাক্সের আওতায় ও দ্বিপক্ষীয়ভাবে টিকা পাঠাতে কানাডার প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

কোভ্যাক্স কাঠামোর আওতায় ও দ্বিপক্ষীয়ভাবে বাংলাদেশে করোনার টিকা পাঠানোর জন্য কানাডার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভ্যাক্স হিউম্যানিটেরিয়ান বাফারের কো-চেয়ার ও কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী কারিনা গাউল্ডের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় দুই মন্ত্রীর মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) অবস্থান থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ড. মোমেন দুই দেশের মধ্যে বিদ্যামান সুসম্পর্ক আরও গভীর ও জোরদার হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ও কানাডার যৌথ চেয়ারম্যানশিপে দোহায় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় পঞ্চম ইউএন কনফারেন্স অন এলডিসিএস (এলডিসি-৫)-এর প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার ব্যাপারে তিনি আশাপ্রকাশ করে মহামারি পরবর্তি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে সেখানকার ব্যবসায় অগ্রাধিকার দিতে কানাডা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

মোমেন আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) চলমান গণহত্যা মামলাসহ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি রাজনৈতিক ও মানবিক সহায়তার জন্য কানাডাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন বাংলাদেশের সবচেয়ে অগ্রাধিকারের বিষয় উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ব্যাপারে নেতৃত্ব গ্রহণ করতে এবং আইসিজে-তে মামলা পরিচালনার জন্য গাম্বিয়াকে আর্থিকভাবে সহায়তার জন্য কানাডার প্রতি আহ্বান জানান।

মোমেন দাবি করেন, এ পর্যন্ত কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া একজন রোহিঙ্গা শরণার্থীও মারা যায়নি।

পররাষ্টমন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ভাসানচরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসা উচিৎ। তিনি কক্সবাজার আশ্রয় শিবিরের চেয়ে ভাসানচরের অবস্থা অনেক ভালো বলে উল্লেখ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপারে সিওপি২৬-এর শর্তে রাজি হতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানান আবদুল মোমেন। এতে বলা হয়েছে, প্রতিটি দেশকে অবশ্যই তাদের ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসিএস) বাস্তবায়ন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ‘মুজিব সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’সহ বিভিন্ন অভিযোজন ও প্রশমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের চাহিদার ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করছে। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক গ্লোবাল এডাপটেশন সেন্টার (জিএসি)-কে আর্থিক সহায়তার বিষয়টি বিবেচনার জন্য কানাডার প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হত্যাকারী নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর জন্য আবারও জোরালো আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মাধ্যমে ন্যায় ও আইনের শাসন নিশ্চিত হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় কানাডার মন্ত্রী কারিনা গাউন্ড বাংলাদেশের জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এ ছাড়া মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় তিনি কানাডার পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আবারও ধন্যবাদ জানান।

রোহিঙ্গা ইস্যুটি কানাডার পররাষ্ট্র নীতিতে রয়েছে উল্লেখ করে কারিনা আরও জানান, রোহিঙ্গা বিষয়ে আগামী তিন বছর মেয়াদী কর্মসূচির জন্য কানাডা ২৮৮ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বরাদ্দ রেখেছে। তিনি আরো বলেন, আইসিজে-তে রোহিঙ্গা মামলায় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাব্যতা কানাডার বিবেচনাধীনে রয়েছে।

কানাডার মন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানান, তারা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দানকারী স্থানীয়দের জন্য করোনার টিকা প্রদানের বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করবে।

এন-কে

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।