খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে ঘর সাজান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে ঘর সাজান

আমাদের প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতেই পুরনো দিনের এমন অনেক জিনিসই থাকে যা হয়তো ব্যবহৃত হয় না৷ হয়তো স্মৃতিস্বরূপ বলে অথবা আবেগের বশে আমরা তা ফেলতে পারি না৷ আবার হাল আমলের জিনিসও থাকে যার হয়তো আর প্রয়োজন নেই৷ সেই সব জিনিসই যদি আমরা ফেলে না দিয়ে, স্টোর রুমে না রেখে, অল্প পরিশ্রমে আর সামান্য বুদ্ধি খাটিয়ে এক নতুন রূপ দিই তাহলে তা সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবহারযোগ্যতাও ফিরে পাবে৷

প্লাস্টিক বা কাঁচের বোতল

অব্যবহৃত কাঁচের বোতলে তৈরি হতে পারে দারুণ ফুলদানী। বোতলের গায়ে গ্লাস পেইন্টিং করে কিছু এঁকে নিলে আরো সুন্দর হয়ে যাবে সেটা, চেষ্টা করে দেখতে পারেন কিন্তু। নিজ হাতে বানানো নতুন ফুলদানী ঘরের শোভা বাড়াবে।

প্লাস্টিকের বোতলে বানিয়ে নেওয়া যায় কলমদানী, কিংবা সাজের আয়নার তাকে রাখা টুকিটাকি জিনিসগুলো গুছিয়ে রাখার পাত্র, অর্থাৎ ক্লিপ, পিন এসবের হোল্ডার। প্লাস্টিকের বোতল কাজে লাগতে পারে ঘরে রাখার ছোট গাছের টব হিসেবেও।

পুরনো কার্ড

নেমন্তন্নের কার্ড ঘরে জমানো থেকে যায় অনেকের। দেখবেন হয়তো অনেকগুলো কার্ড জমে গেছে আপনার ঘরেও, হরেক রঙের হরেক ঢঙের। ফেলে না দিয়ে এইগুলোও কাজে লাগানো যায়। এইসব কার্ডে তৈরি হতে পারে চমৎকার ফটো ফ্রেম। আবার বাক্স বানানোর কাজেও ব্যবহৃত হতে পারে কার্ডের শক্ত আবরণ।

গয়না

চুড়িরও আছে বেশ কার্যকরী ভূমিকা। কলমদানী হিসেবে চুড়ি কাজে লাগাতে পারেন খানিক নান্দনিক উপায়ে। অনেকগুলো চুড়ি পরপর জুড়ে দিয়ে করতে হয় এটা। এই জিনিস ব্যবহার করতে পারেন যেকোন কিছু গুছিয়ে রাখতে, তা সে কলম-পেন্সিল হোক অথবা আপনার ব্যান্ড-ক্লিপ।

পুরনো কাপড়

পুরনো কাপড় পছন্দের কাপড় হয়তো সামান্য ছিঁড়ে গিয়েছে বা তার রং নষ্ট হয়ে গিয়েছে কিন্ত্ত কাপড়ের রঙিন পাড় ভালোই আছে, এরকম হলে তা দিয়ে বাসন না কিনে একবার নয় সেটা দিয়ে কিছু একটা বানালেন যা দেখতেও ভালো আবার কাজেও লাগে৷ এক্ষেত্রে কাপড়ের পাড় বা কাপড় তিনটে আলাদা পার্ট করে বিনুনি মতো করে গোল করে পাপোস বানাতে পারেন৷

কাগজ

কাগজ দিয়ে বানানো যায় এমন যে কত রকম জিনিসপাতি আছে তার সঠিক হিসেব মেলা কঠিন। হস্তশিল্পের এক দারুণ ক্ষেত্র অরিগ্যামি যা কিনা কাগজ দিয়ে হরেক রকম সামগ্রী বানাতে শেখায়।

কাগজের কার্ডের কথা সবার আগে আসবে, রঙিন কাগজ ঘরে থেকে থাকলে কখনো কার্ড বানানোর কাজে লেগে যাবে। যেকোন পুরনো কাগজে বানাতে পারেন ফুল, পাতা এসব ঘর সাজানোর জিনিস। বড় কাগজের বাক্স থাকলে সেটা হতে পারে নতুন কোন স্টোরেজ বক্স।

মোমবাতি

ড্রয়ারের ভেতরে বহু পুরনো মোমের সন্ধান পেলে সেটা নতুন করে কাজে লাগানোর কথা ভাবতেই পারেন। আগুন জ্বালিয়ে নয়, বরং নতুন কোন রূপ দিয়ে। মোম দিয়ে তৈরি হতে পারে ফুল, দেখতে বেশ ভালো লাগে আর শো-পিস হিসেবে তো এমন একটা জিনিস চমৎকার হয়।

গ্লাস

গ্লাস অনেক সময়ই দেখা যায় পছন্দের গ্লাস সেটের গ্লাস ভাঙতে ভাঙতে হয়তো একটায় গিয়ে ঠেকেছে৷ যা আর অতিথি আপ্যায়নে লাগবে না৷ তখন তা দিয়ে অনায়াসেই আপনি বানিয়ে ফেলতে পারেন সুন্দর একটা ক্যান্ডেল৷ গ্লাসের ভেতর প্যারাফিন গলিয়ে তাতে রং মিশিয়ে ঢেলে চটজলদি বানানো যায় সুন্দর মোমবাতি৷ আবার অতো ঝামেলায় যেতে না চাইলে তার ভেতর বালি, রঙিন নুড়িপাথর ভরে চমত্‍কার শো-পিসও বানানো যায়৷

গানের রেকর্ড /সিডি

পুরনো সিডির পাহাড় জমিয়েছেন ঘরে, তো হুট করে একদিন সব ফেলে না দিয়ে বরং একটা ফটোফ্রেম বানিয়ে ফেলুন। নতুন ফটোফ্রেমে পুরনো সিডির ব্যবহার কিন্তু দারুণ কার্যকরী।

পুরনো দিনের গানের রেকর্ড যা আর শোনার মতো অবস্থায় নেই, সেই রেকর্ডগুলোই ঘরের দেওয়ালে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলে দেখতে অন্যরকম লাগবে৷ আবার রেকর্ডে ঘড়ির মেশিন লাগিয়ে তা দিয়ে ঘড়িও বানানো যেতে পারে৷

টিনের কৌটো

পুরনো টিনের কৌটো রং করে বা কাপড় অথবা রঙিন কাগজে কভার করে তা দিয়ে পেনস্ট্যান্ড বানিয়ে ফেলা খুবই সহজ যা অত্যন্ত কাজের একটি বস্তু৷

কুপি ও হ্যারিকেন

কুপি ও হ্যারিকেন বাড়িতে পুরনো কুপি বা হ্যারিকেন থাকলে তা না ফেলে সুন্দর করে রং করে শো-পিস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন৷

কাঁসার বাসন

কাঁসার বাসন ফেলে না রেখে ঘর সাজানোর কাজে লাগাতেই পারেন৷ কানা উঁচু কাঁসার থালায় মোমবাতি, কড়ি বা রঙিন পাথর রেখে সাজালে দেখতে খুবই সুন্দর লাগবে৷ এতে মোমবাতি দিয়েও সাজাতে পারেন৷ আবার কাঁসার বাটিতে পানি দিয়ে তাতে ফুল বা ফ্লোটিং মোমবাতি দিয়ে সেন্টার টেবিলের ওপরও সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে পারেন৷

এন-কে

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।