খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরামর্শ দিচ্ছে হটলাইন ‘৩৩৩’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরামর্শ দিচ্ছে হটলাইন ‘৩৩৩’

ফরিদা হকের বয়স ৭২ বছর। হঠাৎ করে তার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে দাঁড়ায়। প্রচন্ড এই জ্বরের সঙ্গে আবার হালকা কাশি এবং মাথাব্যথা। এমন অবস্থায় একমাত্র মেয়ে রুমা তার বিধবা মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ চিন্তিত।

কলেজ ছাত্রী রুমা ধারণা হয় যে তার মায়েরও হয়তো অনেকের মতো কোভিড-১৯ এর লক্ষণ বিদ্যমান। সেটাই তার উদ্বেগের বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সে দ্রুত এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে চান।

বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী লকডাউন দেয়া হয়েছিল। এসময় হাসপাতালগুলোতেও ছিল প্রচন্ড ভিড়। সেখানে রোগীর চাপের তুলনায় চিকিৎসা সুবিধা অপ্রতুল। তখন হাসপাতালগুলোতে ক্তারী সেবা অতটা সহজলভ্য ছিল না। এছাড়া, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকিতো রয়েছেই।

‘তারিখটা ছিল ২০২১ সালের ২৬ জুলাই। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০টা ২৩ মিনিট। আমি ‘৩৩৩’ কল সেন্টারে ফোন দিয়ে একটু অভিভূতই হলাম। প্রথমবারের চেষ্টাতেই ফোনে সংযোগ পেলাম। কল সেন্টারের একজন এজেন্ট আমার লাইনটি ‘ডাক্তার পুল বিডি’র একজন নিবন্ধিত চিকিৎসককে ধরিয়ে দিলেন। আমার মায়ের কথা তাকে জানালাম। ডাক্তার মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শুনলেন এবং ওষুধ লিখে দিলেন,’ সম্প্রতি গণামাধ্যমকে এমনটাই বললেন রুমা।

পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মৌকরণ গ্রামের বাসিন্দা রুমা সন্তুষ্টির সুরে জানালেন, সব শুনে ডাক্তার অবশেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে আমার মা সম্ভবত কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হননি। ফলে, তিনি তাকে জ্বরের জন্য ওষুধ লিখে দিয়ে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার পরামর্শ দিলেন।

‘ডাক্তার বললেন, আমার মা যদি আরও কোন জটিলতার মুখোমুখি হয় তাহলে যেন আবার ’৩৩৩’ এ ডায়াল করি। কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি আমাকে প্রেসক্রিপশন পাঠালেন,’ বললেন রুমা। তিনি জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে তার মায়ের অবস্থার উন্নতি হয়।

‘টেলিমেডিসিন পরিষেবা খুবই সহায়ক,’ উল্লেখ করে রুমা বলেন, প্রয়োজন হলে সবারই এই চিকিৎসা পরামর্শের সেবাটি গ্রহণ করা উচিত।

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মো. সাফিউল ইসলামকে তার বাবাকে নিয়ে প্রায় একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তার ৭০ বছর বয়সী বাবা একজন ডায়াবেটিস রোগী। তিনি দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপেও ভুগছেন।

‘জ্বর এবং হাত-পায়ে জয়েন্টে ব্যথা। বাবার অসুস্থতা দেখে আমি সত্যিই অসহায় বোধ করছিলাম। বিষয়টা বন্ধু রবিনকে জানালাম। সে আমাকে টেলিমেডিসিন সেবা পেতে ’৩৩৩’ নম্বরে ফোন করার পরামর্শ দেয়। কারণ, কোনো হাসপাতালে সশরীরে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসা নেয়া খুবই কঠিন ছিল,’ বলেন সাফিউল।

হটলাইনে একজন মহিলা ডাক্তারের সাথে সংযোগ পেলেন। তাকে বাবার স্বাস্থ্যের অবস্থা বর্ণনা করলেন। ডাক্তার সমস্যা শুনলেন। তার পর বাবার জন্য কিছু ওষুধের নাম লিখতে বললেন। তিনি বলেন, ‘আমি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সবকিছু সঠিকভাবে করেছি। আল্লাহর রহমতে আট দিনেই বাবা অনেকটা সুস্থ হলেন।’

‘৩৩৩’ হলো একটি জনসেবা হটলাইন যা ‘জাতীয় হেল্পলাইন’ নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি মন্ত্রনালয়ের এট্আুই প্রোগ্রাম দ্বারা পরিচালিত। এর লক্ষ্য হচ্ছে জনসেবা গ্রহণের পদ্ধতি এবং সামাজিক সমস্যা মোকাবেলায় তথ্য প্রচার করা। এটি তৈরি করা হয়েছিল কোভিড-১৯ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাডাতে এবং বাড়িতে বসেই সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার জন্য। শুধুমাত্র তালিকাভুক্ত চিকিৎসকরাই এখানে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

সম্প্রতি কথা হলো বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জন ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি অনেক রোগীকে টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছি, তাদের বেশিরভাগই ছির করোনা রোগী।’

‘একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে, আমি সরাসরি এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং সেবা দান করে মানুষকে টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান করি,’ দু’বার করোনায় আক্রান্ত এই চিকিৎসক যোগ করলেন।

ফ্রন্টলাইন যোদ্ধাদের একজন ডা. পলাশ কুমার রায় এখন রংপুর সিটি কর্পোরেশনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ১১,৬০০ এর অধিক মানুষকে চিকিৎসা পরামর্শ দিয়েছেন।

‘একজন ইতালীয়, যিনি বাংলাদেশে একটি প্রকল্পে কাজ করেন, তিনি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ছিলেন। তিনি ‘৩৩৩’ হটলাইনে কল করেন। আমি তাকে চিকিৎসা সেবা দেই,’ তিনি বলেন।

ডাক্তার পলাশ উল্লেখ করেন, ‘তিনি ১৪ দিন পর আবার ফোন করলেন। ভাগ্যক্রমে, আমিই ফোন কলটি রিসিভ করেছিলাম। তার পরিচয় পেয়ে, আমি তাকে বললাম যে আমি তাকে আগের চিকিৎসা দিয়েছি। রোগি জানালেন, তিনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।’

এটুআই এর’টেলিমেডিসিন সেবা’র জাতীয় পরামর্শক হয়ে কাজ করছেন দিদার-ই-কিবরিয়া।

তিনি জানালেন, যখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও করোনাভাইরাস মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছিল, অর্থাৎ গত বছর এপ্রিলে দেশব্যাপী লকডাউন ছিল, সেই সময় কেউ এই নতুন মহামারী মোকাবেলা করতে প্রস্তুত ছিল না। তখন থেকে, বিএমডিসিতে নিবন্ধিত প্রায় ৪৫০০ ডাক্তার অবসর সময়ে ফোনে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়ার কাজটি করে যাচ্ছেন। এজন্য যোগ্য চিকিৎসকদেরকে অবশ্য এটুআই, মুক্তপাঠ এবং টেলিমেডিসিন পরিষেবা দ্বারা বিকশিত জাতীয় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোভিট-১৯ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি সংক্ষিপ্ত কোর্স সম্পন্ন করতে হয়েছে।

এন-কে

Feb2

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।

রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনে তাগিদ দিয়ে আসছে। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উত্সাহিত করাই বিশ্ব রক্তদান দিবসের উদ্দেশ্য।

১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়।

রক্ত মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল স্কটল্যান্ড। বিপরীতে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কাটে। যেখানে ২৮ বছর পর খেলতে নামা স্কটিশরা ৩৬ বছর পর মেগা ইভেন্টে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। এমনকি ‘সি’ গ্রুপের শক্তিশালী দুই দল ব্রাজিল-মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন স্কটল্যান্ড।

আজ (রোববার) ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে জন ম্যাকগিনের গোলে হাইতিকে ১-০ গোলে হারাল ইউরোপীয় দেশটি। যদিও ২৮তম মিনিটে ম্যাকগিনের শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে পরাস্ত করে আসে স্কটল্যান্ডের জয়সূচক গোলটি।

১৯৯০ সালের পর স্কটিশরা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। অবশ্য মাঝে তারা বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ২৮ বছর। শেষবার তারা সুইডেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে হাইতি। তবে এখনও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্টের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

স্কটল্যান্ডের হয়ে ম্যাকগিনের গোলটি আসে বক্সের ভেতরে চে অ্যাডামসের মিস করা শট থেকে। বলটি হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিডের গায়ে লেগে ফাঁকা জায়গায় চলে যায়। ১৩ গজ দূর থেকে ম্যাকগিনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। এর আগে অবশ্য ম্যাচের ১৭তম মিনিটেও গোলের খুব কাছে ছিল স্কটল্যান্ড। অধিনায়ক স্কট ম্যাকটমিনে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন, তবে সেটি পোস্টের উপরের অংশ ছুঁয়ে বাইরে চলে যায়।

হাইতি কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭৪তম মিনিটে রুবেন প্রভিডেন্সের ক্রস থেকে উইলসন ইসিডর বল জালে পাঠানোর চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। এরপর ৮৪তম মিনিটে ফ্রান্টজডি পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাম পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

আগামী ২০ জুন পরবর্তী ম্যাচে স্কটল্যান্ড জিলেট স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে। একইদিন ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল।