খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুরনো আইফোনে গতি বাড়ানোর ‘বিস্ময়কর’ উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
পুরনো আইফোনে গতি বাড়ানোর ‘বিস্ময়কর’ উপায়

আইফোন ব্যবহারকারীদের ফোন হঠাৎ করে স্লো হয়ে যাচ্ছে বা ধীরগতিতে কাজ করছে এমন অভিযোগ করে থাকেন। এমন অভিযোগ ওঠার পর আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল স্বীকার করেছে যে হ্যাঁ, তারা ইচ্ছে করেই পুরোনো মডেলের আইফোনের গতি কমিয়ে দিচ্ছে। যদিও অ্যাপলের দাবি, এটা তারা করেছে আইফোনকে টিকিয়ে রাখার জন্যই।

সম্প্রতি একটি নতুন রিপোর্টে জানা গেছে, অ্যাপল ফ্রান্সে আইফোনের গতি ধীর হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে একটি মামলায় হেরেছে। মামলায় হেরে ফ্রান্স রিজিওনের আইফোনের পারফর্মেন্স ম্যানেজমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে এই টেক জায়ান্ট। ফলে এই আইফোনগুলো আরও দ্রুত কাজ করতে পারে। শুধু তাই নয়, এর আগেই ব্যাটারির দামও অর্ধেক করেছে অ্যাপল।

চীনা ওয়েবসাইট মাইড্রাইভারস’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি আইফোনের সেটিংসে দেশ হিসেবে ‘ফ্রান্স’ নির্বাচন করা হয়, তবে পুরোনো ফোনগুলোতে পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট সুবিধাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে ডিভাইসটির গতিও বেড়ে যায়। মাইড্রাইভারস এর ওয়েবসাইটে আইফোনের অবস্থান বদলে পারফর্মেন্সের উন্নতি ধরা পড়েছে অবস্থান আনতুতু বেঞ্চমার্কে। এ কারণ তারা বলছে, এর ব্যাটারি বেশি পুরোনো হয়ে গেলে ফোনটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তার পক্ষে আর আগের মতো দ্রুতগতিতে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

২০১৭ সালে পুরনো আইফোনের গতি কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোচনায় আসে। তখন অনেকেই অ্যাপলের সমালোচনা করেন। সান ফ্রান্সিসকোর একজন আইফোন ব্যবহারকারী বলছিলেন- ‘এতে কি অবাক হবার কিছু আছে? বোঝাই যায়, নতুন মডেলের পণ্য কেনানোর জন্য এটা একটা কৌশল।’

প্রযুক্তি সংক্রান্ত সাংবাদিক রুপার্ট গুডউইন বলেছেন, ‘অ্যাপল এখন পরিষ্কার করেছে যে তারা এটা করছে যাতে আপনার ফোন দীর্ঘ সময় চালু থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য। প্রকৌশলগত দিক থেকে এ কথা ঠিক আছে। কিন্তু কথাটা হলো ব্যাটারি কমে গেলে আমরা কি ফোনের কাজ সীমিত করে দেব নাকি একটা নতুন ব্যাটারি নেব?’

তিনি বলেন, ‘অ্যাপল যে ভুলটা করেছে তারা ব্যাপারটা আগে বলেনি, লোকে জিনিসটা ধরে ফেলার পরই তারা স্বীকার করেছে। তারা যদি কোনভাবে জানিয়ে দিতো যে আপনার ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, তাই আপনি সিদ্ধান্ত নিন যে আপনি নতুন ব্যাটারি কিনবেন, নাকি আপনার ফোনকে সচল রাখতে এটাকে স্লো করে দেয়াটা মেনে নেবেন। এটা স্পষ্টভাবে আগে থেকে না বলাটা তাদের ভুল হয়েছে।’

এদিকে করোনা মহামারির এই সময়ে এবারও ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইফোন ১৩ অবমুক্ত করা হবে। এবারের আয়োজনে অ্যাপল ব্যবহার করছে দ্রুতগতির এ১৫ চিপ , ছোট নচ, এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা সেটাপ। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে বলা যায়, এবারও আইফোন ১২-এর মতো চারটি মডেলের লাইনআপে আসছে আইফোন ১৩।

নতুন আইফোনের এই চারটি মডেল হলো- আইফোন ১৩, আইফোন ১৩ প্রো, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স এবং আইফোন ১৩ মিনি। এর মধ্যে আইফোন ১৩ প্রো-তে ১ টেরাবাইট মেমোরি থাকার সম্ভাবনা আছে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ ১২০ মেগাহার্টজ পর্যন্ত স্ক্রিনের রিফ্রেশ রেট থাকতে পারে।

আইফোন ১৩ দেখতে অনেকটা এর পূর্বেকার মডেলের মতোই হবে বলে জানা গেছে।

আইফোন ১৩ তে ব্যবহারকারীদের বহুদিনের দাবি পূরণ হচ্ছে। তা হচ্ছে এর নচ। আইফোন ১২ সিরিজের এর নচ বড় এই কথা অনেককেই বলতে শোনা গেছে। তবে আইফোন ১৩ তে এসে অ্যাপল তাদের ফোনের নচের সাইজ কমিয়েছে। এই ছোট নচ ভিডিও দেখার সময় বাড়তি সুবিধা দেবে বলে ধারণা করছেন টেক গবেষকরা।

ম্যাগসেফ চার্জিংয়ের ক্ষেত্রেও আসছে পরিবর্তন। নতুন আইফোন ম্যাগসেফ চার্জিংয়ের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ম্যাগসেফ ওয়ালেটের সঙ্গে ব্যবহারেও পাওয়া যাবে বাড়তি সুবিধা।

আইফোনের নতুন চারটি মডেলের চারটিতেই ব্যাটারি বাড়ানো হবে বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ১৩ মিনিতে ৭ শতাংশ, আইফোন ১৩-এ ৯ শতাংশ, আইফোন ১৩ প্রো-তে ৯ শতাংশ, এবং আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স এ ১৫ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছে নির্ভরযোগ্য ইউটিউব চ্যানেল অ্যাপল এক্সপ্লেইনড।

এন-কে

Feb2

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।

রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনে তাগিদ দিয়ে আসছে। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উত্সাহিত করাই বিশ্ব রক্তদান দিবসের উদ্দেশ্য।

১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়।

রক্ত মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল স্কটল্যান্ড। বিপরীতে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কাটে। যেখানে ২৮ বছর পর খেলতে নামা স্কটিশরা ৩৬ বছর পর মেগা ইভেন্টে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। এমনকি ‘সি’ গ্রুপের শক্তিশালী দুই দল ব্রাজিল-মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন স্কটল্যান্ড।

আজ (রোববার) ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে জন ম্যাকগিনের গোলে হাইতিকে ১-০ গোলে হারাল ইউরোপীয় দেশটি। যদিও ২৮তম মিনিটে ম্যাকগিনের শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে পরাস্ত করে আসে স্কটল্যান্ডের জয়সূচক গোলটি।

১৯৯০ সালের পর স্কটিশরা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। অবশ্য মাঝে তারা বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ২৮ বছর। শেষবার তারা সুইডেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে হাইতি। তবে এখনও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্টের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

স্কটল্যান্ডের হয়ে ম্যাকগিনের গোলটি আসে বক্সের ভেতরে চে অ্যাডামসের মিস করা শট থেকে। বলটি হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিডের গায়ে লেগে ফাঁকা জায়গায় চলে যায়। ১৩ গজ দূর থেকে ম্যাকগিনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। এর আগে অবশ্য ম্যাচের ১৭তম মিনিটেও গোলের খুব কাছে ছিল স্কটল্যান্ড। অধিনায়ক স্কট ম্যাকটমিনে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন, তবে সেটি পোস্টের উপরের অংশ ছুঁয়ে বাইরে চলে যায়।

হাইতি কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭৪তম মিনিটে রুবেন প্রভিডেন্সের ক্রস থেকে উইলসন ইসিডর বল জালে পাঠানোর চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। এরপর ৮৪তম মিনিটে ফ্রান্টজডি পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাম পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

আগামী ২০ জুন পরবর্তী ম্যাচে স্কটল্যান্ড জিলেট স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে। একইদিন ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল।