খুঁজুন
শনিবার, ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গোতে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত ১৯

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
কঙ্গোতে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত ১৯

মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ কিভুতে জঙ্গি হামলায় অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাতে এই হামলা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিভু প্রদেশের বুলিকি জেলার কাসানজি-কিথোভো গ্রামে হামলা চালায় একদল সশস্ত্র দুবৃত্ত। গ্রামের বাড়িঘরে লুটপাট চালানোর পাশাপাশি এলোপাতাড়ি গুলিও চালায় তারা।

বুলিকি জেলার প্রধান নির্বাহী কালুঙ্গা মেসো এবং স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা সিইপিএডিএইচও’র কর্মকর্তারা এই ঘটনার জন্য কঙ্গোভিত্তিক ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এডিপি)কে দায়ী করেছেন।

কাহিন্দো লেম্বুলা নামের এক নারী রয়টার্সকে জানান, তার স্বামীসহ চার আত্মীয়কে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘আমার দুই সন্তানকে নিয়ে এখন আমি কোথায় যাব, জানি না। একমাত্র ঈশ্বরই আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কঙ্গোয় এডিএফের দৌরাত্ম্য ক্রমশ বাড়ছে। গত কয়েক বছরে দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ এডিএফের সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছেন।

এডিএফকে নিয়ন্ত্রণে আনতে চলতি বছর কিভু এবং তার পার্শ্ববর্তী প্রদেশ ইতুরিতে সামরিক আইন জারি করেছে কঙ্গোর কেন্দ্রীয় সরকার, কিন্তু তাতে বিশেষ কাজ তো হচ্ছেই না, উল্টো সামরিক আইন জারির পর থেকে কিভুতে বেসামরিক মানুষজন হত্যার হার অনেক বেড়ে গেছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন প্রদেশটির আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

তবে শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করে এখন পর্যন্ত এডিএফ বা অন্য কোনো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কোনো বিবৃতি দেয়নি।

কঙ্গোর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগোযোগ রক্ষা করে চলে এই গোষ্ঠী। চলতি বছর মার্চে এডিএফকে কালো তালিকাভূক্ত করেছে ওয়াশিংটন।

তবে জুন মাসের এক প্রতিবেদনে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আইএসের সঙ্গে এডিএফের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সূত্র : রয়টার্স

Feb2

দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ কারও একার না। দেশ যেমন কোনো সরকারের একার না, যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের, প্রত্যেকের। তাই এই দেশকে গড়ে তুলতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এলাকার মানুষকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি এই এলাকার মানুষ হয়ে থাকেন, আপনি চেষ্টা করবেন আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলার জন্য। আবর্জনা সঠিকভাবে ফেলার জন্য। কারণ আজকে যদি মনে করেন, আপনি যে আবর্জনাটা এখানে ফেলেন, এইটুকু আবর্জনা, এক কেজি, আধা কেজি আবর্জনা বা দুই কেজি আবর্জনা– কী হবে? কিন্তু আপনি চিন্তা করেন, এখানে যতগুলো মানুষ, এখানে কয়েক হাজার মানুষ আমরা জড়ো হয়েছি। প্রত্যেকে যদি ১ কেজি করে ময়লা একটা জায়গায় ফেলে, তাহলে কত কেজি ময়লা হবে? না হলে ১০ হাজার কেজি ময়লা হয়ে যাবে। মানে ১০ টন ময়লা।

তিনি বলেন, তাহলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী তারাও তো মানুষ। তারা হয়ত গরিব মানুষ। তাদেরও পরিষ্কার করতে কষ্ট হয়। কিন্তু আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি, তাহলে আপনি নিজের শহরকে যেমন পরিষ্কার রাখতে পারবেন, সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীও অল্পতেই জায়গাটাকে পরিষ্কার করে ফেলতে পারবে। ঠিক একইভাবে তারও কষ্ট কম হবে। আপনার সন্তানরা, আপনি নিজে, আপনার বাবা-মা, পরিবারের সদস্যরাও একটি পরিষ্কার ও সুন্দর পরিবেশের মধ্যে থাকতে পারবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কমবেশি সবাই তো এই ঢাকা শহরেই বাস করেন। এই এলাকায় বাস করেন, তাই না? এখন চিন্তা করেন, এলাকা যদি পরিষ্কার থাকে, তাহলে তো আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। ভালো লাগবে না? টিভির পর্দায় যখন অন্যান্য দেশের ছবি দেখেন, সুন্দর রাস্তাঘাট দেখেন, পরিষ্কার রাস্তাঘাট দেখেন, তখন একটু হিংসা হয় না মনের মধ্যে? যে, আমাদের রাস্তাঘাট কেন এত ময়লা হয়? আমার তো হয় ভাই। আমার কিন্তু হিংসা হয় যে, ওই দেশের রাস্তাঘাট এত পরিষ্কার। আমার দেশের রাস্তাঘাট কেন পরিষ্কার না? এখন ওই দেশের যে রাস্তাঘাট পরিষ্কার, এটা তো বাইরে থেকে কেউ এসে করে দিয়ে যায় না। যে দেশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার, সে দেশের সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেমন পরিষ্কার করে, একইভাবে সে দেশের জনগণও কিন্তু যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে না। এখন আপনি সরকারের কেউ না।

এই কাজটি করার জন্য কিন্তু সরকারের কেউ হওয়ার দরকার নেই। এমপি হওয়ার দরকার নেই। মন্ত্রী হওয়ার দরকার নেই। মেয়র হওয়ার দরকার নেই। ওয়ার্ড কমিশনার হওয়ার দরকার নেই। একজন নাগরিক হিসেবে আপনি এই কাজটি করতে পারেন। ময়লাটা আপনার পকেটে নিয়ে নেন। যদি টিস্যু পেপার থাকে, কিছু থাকে, ময়লা নেন। বাদাম খাবেন, তখন বাদামের খোসাটা এমনভাবে এক জায়গায় ফেলেন, যাতে জায়গাটা ময়লা না হয়।

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, কোনো পরিষ্কার জায়গায় ময়লা করলে বা আপনার শার্টের মধ্যে যদি একটা দাগ থাকে, হঠাৎ চা পড়ে গেল, খাবার পড়ে গেল, নিজের কাছে খারাপ লাগবে না? ময়লা শার্ট পরে থাকতে ইচ্ছা করবে? তাহলে চিন্তা করেন, আপনি যে জায়গাটায় বসবাস করেন, সেই জায়গাটা যদি ময়লা হয়, আপনার থাকতে ইচ্ছা করবে? কাজেই আসুন, আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের দেশটাকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে তুলতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশটি কারও একার না। দেশটি যেমন কোনো সরকারের একার না, দেশটি যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, দেশটি কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের, আমরা যারা বাংলাদেশে বসবাসকারী ২০ কোটি মানুষ, প্রত্যেকের। প্রত্যেকেই এই দেশের মালিক। তাই এই দেশকে যদি গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।

দেশ গঠনে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগানোর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
দেশ গঠনে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগানোর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সবাই নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজে থাকতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে আমরা যদি শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করি, তাহলে আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবো। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব হবে। যে দেশটি নিয়ে আমরা গৌরব করতে পারি, এই রকম একটি দেশ ইনশাআল্লাহ আমরা গঠন করতে সক্ষম হবো।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আল্লাহ আমাদের দেশের মানুষ ও দেশ গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ১২ তারিখ নির্বাচনের আগে যখন এখানে এক নির্বাচনী জনসভায় এসেছিলাম, তখন আমি বলেছিলাম সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়ে আমরা দেশ গঠনের কাজে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবো। সেই সুযোগ আমাদের কাছে এসেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ। কাজেই সেই জনগণের সহযোগিতা যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, সেই জনগণের সাহায্য যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, সেই জনগণের সমর্থন যদি আমাদের সঙ্গে থাকে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধীরে ধীরে বাংলাদেশের মানুষের এবং এই দেশের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে সক্ষম হবে।

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সবাইকে দেশ গঠনের কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত দুস্থদের মধ্যে কাপড় ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু আজকের এই অনুষ্ঠান রাস্তার মধ্যে আয়োজন করা হয়েছে, দেখুন কত গাড়ি চলে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য আমরা প্রোগ্রামটি একটু সংক্ষিপ্ত করেছি।

তিনি বলেন, আমরা অঙ্গীকার করি সমাজের সবাইকে বিভিন্নভাবে একে অপরের সাহায্য সহযোগিতা করবো। একজন নাগরিক হিসেবে যদি সবাই সবার নিজ নিজ অবস্থান থেকে একে অপরের প্রতি সহযোগিতা করি, তাহলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা আজকে সেই কাজটি করি। আমরা প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করি যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দেশ গঠনে কাজ করছে তাদেরকে সহযোগিতা করব। তাদের সাহায্য করবো একজন নাগরিক হিসেবে।

তিনি বলেন, আজকে আর কথা বলাবো না। কারণ আমরা আজকের এই অনুষ্ঠানটির কারণে মানুষের চলাচলের সমস্যা হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ সাংগঠনিক কার্যক্রমের বিষয়ে আরেকদিন সভা সমাবেশ করব। সেদিন আমরা বসে ভালো করে সংগঠনকে কীভাবে আরো শক্তিশালী করা যায়, সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করব।