পটিয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় ১১ জনকে খুপিয়ে জখম
পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কালা মসজিদ এলাকায় নারীসহ ১১জনকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করা হয়েছে। আহতদের পটিয়া হাসপাতাল থেকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় এই ঘটনা ঘটে। মূলত সিএনজি চালক নুরুন্নবীকে একই এলাকার হাবিবুর রহমান প্রকাশ নাগুর পরিবারের লোকজন মারধরকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে পুনরায় মারামারির আশংকা রয়েছে।
আহতরা হলেন- শহীদুল ইসলামের স্ত্রী তানিয়া আকতার (২৫), ছামিউল্লাহ’র পুত্র গাড়ি চালক নুরুন্নবী (৪৫), মো. ওসমানের পুত্র মো. সাহেদ (২৭), মিয়া ফকিরের পুত্র আমানত উল্লাহ বাচা (৩২), আবু তালেবের পুত্র তৌহিদুল ইসলাম (২৮), জাফর উল্লাহ’র পুত্র আতাউল্লাহ (২৬), ফজল করিমের পুত্র আবদুর রহমান (১৬), নুরুল হকের পুত্র মোহাম্মদ মোরশেদ (৩২), দিদারুল ইসলামের পুত্র মো. রায়হান (১৫), মো. ছৈয়দের সোলেমান (৪৫) ও মো. নুরুন্নবীর পুত্র মো. সোহেল (২৭)।
জানা গেছে, উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সিএনজি চালক নুরুন্নবী সকালে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে থাকা ‘ইট’র স্তুপের সঙ্গে লাগে। এসময় বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সিএনজি চালক নুরুন্নবীকে হাবিবুর রহমান, সোলেমান, রহিম, ফোরকানসহ কয়েকজন বেদমভাবে প্রহার করে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এক পর্যায়ে ধারালো দা ও কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে ১১জনকে আহত করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ার কারণে পটিয়া হাসপাতাল থেকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানিয়েছেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই মারামারির ঘটনাটি ঘটেছে।
পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানিয়েছেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানালেন ওসি।


আপনার মতামত লিখুন