ইন্টার্ন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট এর পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে জেরির পুষ্টিকর ফল বিতরণ।
আজ রবিবার “ওয়ার্ল্ড চ্যারিটি ডে”। এই উপলক্ষে ইন্টার্ন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট এর পক্ষ থেকে ৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পুষ্টিকর ফল বিতরণ করা হয়েছে।সংগঠনটির গ্লোবাল কমিটি (২০২১-২০২৩) এর সদস্য জান্নাতুল নাঈম (জেরি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন এ বঙ্গবন্ধু চত্বর এ এই আয়োজন করেন।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ বারী বলেন, “সুবিধাবঞ্চিত কমিউনিটির জন্য পুষ্টিকর খাদ্য সংগ্রহ করা খুবই কষ্টকর। আবার অনেকেই অতিরিক্ত খাবার নষ্ট করে থাকে। যদিও সব সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে কারোর একার পক্ষে পৌঁছানো সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা আমাদের চারপাশের অন্তত একজনকেও যদি পুষ্টিকর ফল যেমন কলা, আপেল, পেয়ারা ইত্যাদি দিতে পারি তাহলে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এখন থেকে প্রতি মাসেই এরকম সামাজিক সচেতনতামূলক কাজ করার চেষ্টা করবো আমরা। আর ভবিষ্যৎ এ আরোও বড় পরিসরে যেন কাজ করা যায় সেই ব্যাপারেও কাজ করবো।”
জেরি বলেন, “চ্যারিটেবল কাজ গুলোতে সব সময় তরুনদের এগিয়ে আসা উচিৎ এবং এখন তরুণরা এসব নিয়ে অনেক কাজ করছে। আমরা যার যার জায়গা থেকে ছোট ছোট কাজ করতে থাকলে এগুলোই একটা বড় পরিবর্তন আনবে। ওয়ার্ল্ড চ্যারিটি ডে হিসেবে একটা উদাহরণমূলক কাজ আমরা করার চেষ্টা করেছি। বাচ্চাদের নিয়ে কিছুটা সময় আনন্দে কাটিয়েছি। ওদের মানুসিকভাবে কিছুটা আনন্দ দেবার চেষ্টা করেছি।সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন “ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট সব সময় ইয়ুথ দের নিয়ে কাজ করে। প্রথম ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট ২০১৬ তে হয়েছিলো। দ্বিতীয় ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট আয়োজিত হয়েছিলো নেপাল এ ২০১৮ সালে। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছর প্যান্ডেমিক এর কারণে তৃতীয় ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট হয় ভার্চুয়ালি এবং সম্পূর্ণ ফ্রি। তরুণদের পার্সোনাল এবং প্রফেশনাল স্কিল গুলো ডেভেলপমেন্ট এর জন্য ফ্রি মেন্টরশিপ, ইমপ্যাক্ট সেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কনফারেন্স হয়ে থাকে। সামাজিক সচেতনতামূলক কাজ থেকে শুরু করে চ্যারিটেবল কাজ গুলো করা হচ্ছে এই সংগঠনটির মাধ্যমে।”
বিকালে শিশুদের মাঝে একটি করে কলা ও একটি করে আপেল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফাহিমা আকন্দ, তনিমা আকন্দ, ইকরাম আনসার তুহিন সহ ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সামিট এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন