খুঁজুন
সোমবার, ৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের উন্নয়ন ভয়ানক চ্যালেঞ্জের মুখে-প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের উন্নয়ন ভয়ানক চ্যালেঞ্জের মুখে-প্রধানমন্ত্রী

-হাসিনা

জাতীয় : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিতে নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি করতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেলে কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশন আয়োজিত ‘এ কনভারসেশন উইথ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষক ইন্টারঅ্যাকটিভ ডায়ালগে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ সৃষ্টিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশের উন্নয়ন ভয়ানক চ্যালেঞ্জের মুখে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নৃশংসতার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার উত্তর রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের নিধন করেছে। তারা (রোহিঙ্গা) নৃশংসতা ও সন্ত্রাস থেকে পালিয়েছিল। আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে সীমান্ত খুলে দেই।

এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বাঙালির দুঃসহ স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখ বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা থেকে এই মানবিক (রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া) সিদ্ধান্ত আসে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হওয়ার পর ছোট বোন শেখ রেহানাসহ নিজের উদ্বাস্তু জীবনের কথাও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার ছোট বোন এবং আমি দেশের বাইরে থাকায় সে সময় সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই। মিলিটারি স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের সময় ছয় বছর দেশে ফিরতে পারেনি এবং ভারতে উদ্বাস্তু জীবন যাপন করতে হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ তার সাধ্যমত মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ এবং দ্রুত সমাধান চাই। মিয়ানমারে এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং মিয়ানমারেই এ সংকটের সমাধান রয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে খুবই সহায়তা করছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সবাইকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, আপনারা যখন ক্যাম্পে যাবেন এবং মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হাতে নির‌্যাতনের ভয়ানক ঘটনা শুনবেন, তখন আপনাদের হৃদয় কেঁপে উঠবে। ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা আপনাদের হৃদয় নাড়িয়ে দেবে এবং আপনারা চাইবেন খুব দ্রুতই যেন তাদের (রোহিঙ্গা) এই কষ্টকর জীবনের সমাপ্তি হয়।

সন্ত্রাস ও সামজিক ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম ও সীমানা নেই।কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংপ্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও চরমপন্থাবিরোধী লড়াইয়ে এবং সংঘাত বন্ধে চারটি পদক্ষেপ নিতে হবে। এগুলো হলো- প্রথমত, সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের যোগান অবশ্যই বন্ধ করতে হবে; দ্বিতীয়ত, তাদের অর্থের যোগান বন্ধ করতে হবে; তৃতীয়ত, সামাজিক বৈষম্য দূর করতে হবে এবং চতুর্থত, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও চরমপন্থা নির্মূলে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং সফলতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। সেখানে তিনি রোহিঙ্গা সংকট, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক সেক্টর, খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা হয়েছিল এবং সে আলোচনা এখনো চলমান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এ আলোচনাকে সমর্থন করেছে। এক পর্যায়ে মিয়ানমার তাদের রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে সম্মতও হয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এখন সমস্যা হলো, নিরাপত্তাহীনতার কারণে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চায় না। তাছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিছু লোক তাদের ফিরে যেতে নিরুৎসাহিতও করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮২ সালে মিয়ানমার তাদের সংবিধান পরিবর্তন করে। সেখানে রোহিঙ্গাদের তাদের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি এবং তাদের (রোহিঙ্গাদের) বহিরাগত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সংগঠন রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করে আসছে। রোহিঙ্গারা যেন তাদের নিজেদের ভূমিতে ফিরে যেতে পারে এবং থাকতে পারে সেজন্য মিয়ানমারের উচিত সে পরিবেশ তৈরি করা।

জোরপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

মুসলিম উম্মাহ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মক্কায় ওআইসি সম্মেলনে বলেছিলাম- যদি মুসলমান দেশগুলোর মধ্যে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। কিন্তু যে করেই হোক এটা হচ্ছে না এবং আপনারা জানেন সমস্যা কোথায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সম্পদশালী মুসলিম দেশ আছে যারা তাদের সম্পদ ব্যবহার করতে পারছে না। নিজেদের স্বার্থে সেখানে একটা মহল ভিন্ন খেলা খেলছে। তারা সেখানে বিভক্তি এবং শাসন, এই পলিসিতে খেলছে। মুসলিম উম্মাহর উচিত তাদের দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতিটাকে বোঝার এবং থেকে বেরিয়ে আসার। এক্ষেত্রে ওআইসির উচিত পদক্ষেপ নেওয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন প্রমুখ। (বাংলানিউজ)

২৪ ঘন্টা/আরএস..

 

Feb2

হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিহবন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ।

রোববারের পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’-এর মূল উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা; অর্থাৎ হরমুজ পেরোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রহরা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজে আটকা পড়েছে। এসব দেশের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এবং তারা আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে আমাদের নৌবাহিনী যেন আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বের হতে সহযোগিতা করে।”

“আমরা তাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্য রওনা হতে পারে— তা নিশ্চিত করতে এবং সেসব জাহাজের নিরপেক্ষ-নিরপরাধ ক্রুদের মুক্ত করতে হরমুজ প্রণালিতে শিগগিরই প্রজেক্ট ফ্রিডম প্রকল্প শুরু হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হচ্ছে বলে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

রোববারের পোস্টে ট্রাম্প হরমুজের নতুন এই প্রকল্পকে ‘মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা’ উল্লেখ করে বলেছেন, দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে অনেক জাহাজে ক্রুদের খাদ্য ও জরুরি সরবরাহের সংকট দেখা দিয়েছেন। ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যকর হলে এই প্রকল্প থেকে সবপক্ষ লাভবান হবে বলেও দাবি করেছেণ তিনি।

“আমি আমার সব প্রতিনিধিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন বিভিন্ন দেশকে জানায় যে তাদের জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করতে আমরা আমাদের সেরা প্রচেষ্টা চালাব।”

যদি নতুন এই প্রকল্প কার্যকরের পথে কোনো প্রকার ‘হস্তক্ষেপ’ ঘটে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘শক্তির সঙ্গে’ তার বিরুদ্ধে সাড়া দেবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার নব-নির্বাচিত এই নারী জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ করে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন (এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম বাদে, তিনি ১৯ মিনিট পর মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন)। এদের মধ্যে বিএনপি জোটে ৩৬ জন বৈধ প্রার্থী, জামায়াত জোটের ১২ জন বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের জোটের এক বৈধ প্রার্থীরসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির ৩৬ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য (এমপি) হলেন – সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি: মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি: মাহবুবা হাকিম।

এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের সুলতানা জেসমিনকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।