খুঁজুন
শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্যাসিনো ও পেছনের ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:০৮ পূর্বাহ্ণ
ক্যাসিনো ও পেছনের ইতিহাস

.jpg

ক্যাসিনো জুয়া খেলার একটি নির্দিষ্ট স্থান যাকে বাংলায় জুয়ার আড্ডা বা আসর বলা যায়। সাধারণত ক্যাসিনো এমনভাবে বানানো হয় যে এর সাথে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিংমল, আনন্দভ্রমণ জাহাজ এবং অন্যান্য পর্যটন আকর্ষণ থাকে৷ কিছু কিছু ক্যাসিনোয় সরাসরি বিনোদন প্রদান যেমন স্ট্যান্ড আপ কমেডি, কনসার্ট, খেলাধুলা ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকে।

আসুন জেনে নেই ক্যাসিনোর উৎপত্তি সম্পর্কে

ক্যাসিনো ইতালীয় ভাষার শব্দ যার বাংলা আভিধানিক অর্থ ঘর। ক্যাসিনো বলতে ছোট ঘর, গ্রীষ্মকালীন ঘর কিংবা সামাজিক ক্লাবকে বোঝানো হতো। ১৯ শতকের দিকে ক্যাসিনো বলতে এমনসব ভবনকে বোঝানো হতো যেখানে আনন্দদায়ক কাজকর্ম হতো যেমন নগরের সামাজিক অনুষ্ঠান যেখানে নাচ, গান, জুয়া ও ক্রীড়ার ব্যবস্থা থাকতো। আধুনিক দিনে ইতালিতে বিভিন্ন অর্থে তারা ক্যাসিনো ব্যবহার করে। প্রায় দুই হাজার বছর আগে জুয়া খেলার উত্থান।

জুয়ার উৎপত্তি সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই কারোই । ইতিহাসের প্রায় সব সমাজেই কোন না কোন রূপে জুয়ার প্রচলন ছিলো। প্রাচীন গ্রীক-রোমান থেকে নেপোলিয়নের ফ্রান্স থেকে বর্তমান বাংলাদেশ সব খানেই জুয়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

আমেরিকা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত, নেপালসহ অসংখ্য দেশে গড়ে উঠেছে এই টাকা উড়ানোর আসর। অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি খেলার ছলে মনোরঞ্জনের জন্য এসব ক্যাসিনোতে এসে থাকেন।

ইউরোপের ভেনিস ১৬৩৮ সালে সর্বপ্রথম জানা ক্যাসিনো প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৭৭৪ সালে এটাকে বন্ধ করে দেয়া হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্যাসিনো

বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। ইসলামে জুয়া সম্পূর্ণ হারাম ও নিষিদ্ধ। তবে জুয়া বাংলাদেশের একটি অতিপরিচিত শব্দ। গ্রাম বা শহরের অলিতে গলিতে চোখ মেললেই দেখা মিলে জুয়ার আসর। তবে বেশ কয়েক বছর আগে এটা এতোটা খোলামেলা ছিলো না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে গুঞ্জন আসে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আনুষ্ঠানিক ক্যাসিনো-এর খোঁজ পাওয়া যায়। বিষয়টি জানতে পেরে সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেন।

সম্প্রতি র‍্যাব ও পুশিরের এর অভিযানে রাজধানীসহ সারাদেশে কয়েকটি ক্যাসিনোর সন্ধান পাওয়া যায়। এ ক্যাসিনো গুলো পরিচালনা করেন রাজনৈতিক ক্ষমতাধর কিছু নেতা।

[youtube content=”thwc5aXJPrw”]

আরো:: বিসিবির পরিচালক লোকমান আটক

Feb2

দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিভীষিকাময় দিনের বা রাতের অবসান হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। যেসব মানুষরা তাদের স্বজন হারিয়েছেন, মায়েরা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, যেসব বোনেরা তাদের স্বামীকে হারিয়েছেন, যেসব সন্তানেরা তাদের পিতাকে হারিয়েছেন, তাদের সত্যিকারভাবে যদি বলতে হয় আসলে আপনাদের সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষাবোধ আমাদের কাছে নেই।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিগত আন্দোলন নিপীড়নে গুম খুন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করে আমরা ‘বিএনপি পরিবার ও মায়ের ডাক’।

এক দুঃসহ সময় আমরা অতিক্রম করেছি মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা কখনো কখনো হয়ত কিছুটা স্তিমিত হয়েছে, কিংবা আন্দোলন কখনো তুঙ্গে উঠেছে। এই আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য গুম-খুন করে অপর মিথ্যা মামলার হয়রানি যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও কিন্তু রাজপথ ছাড়েনি। একই পরিবারের এক ভাই ঘুম হয়েছে, আরেক ভাই তার জায়গায় গিয়ে রাজপথের আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করার প্রতিজ্ঞার শপথ নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দলের নেতাকর্মীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের আপোষহীন ভূমিকা রাখতে পারে সেই দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কেউ দলকে দমন করে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদী আমলের নির্যাতনের শিকার আমার সামনে বসা হাজারো প্রিয় মুখ আপনাদেরকে আত্মত্যাগ আপনাদের বুক ভরা কষ্ট আমরা যারা আজ পেছনে রয়ে গিয়েছি আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবো যাতে এটি বৃথা না যায় ইনশাআল্লাহ।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে যারা ঘুম হয়েছেন, যারা শহীদ হয়েছেন। তাদের প্রতি আগামী দিনের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা আমরা দেখছি। সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সরকারের অবশ্যই অনেক দায় এবং দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্র কখনোই আপনাদের ভুলে যেতে পারে না।

সব শহীদদের আত্মত্যাগকে জনমনে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতার কারণে এই মুহূর্তে আমি হয়ত বিস্তারিতভাবে সেই পরিকল্পনা আজকের এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরতে পারছি না। কিন্তু তারপরও বলতে কষ্ট হচ্ছে, আমরা দেখেছি নির্বাচনের কমিশনের রিসেন্টলি কিছু বিতর্কিত ভূমিকা বা বিতর্কিত অবস্থান। তারপরেও একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে চাই।

রাষ্ট্রীয় সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর প্রতি সাধ্যমতো রাষ্ট্রীয় সহায়তা হাত বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা প্রিয়, গণতন্ত্র প্রিয় প্রতিটি মানুষের সামনে জনগণের দায়িত্বশীল একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে। যাতে যে গণতন্ত্রের পথ তৈরি হয়েছে সেটি যেন বাধাগ্রস্ত হয়।

আমি অনুরোধ করব আপনারা এবং বাংলাদেশের দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন তাদের আজ সজাগ থাকার জন্য। যারা বিভিন্ন উসিলা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করে গণতন্ত্রের পথকে আবার নষ্ট করার বা ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন, তারা যাতে সফল না হতে পারে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্যাতিত মানুষের অধিকার ও ন্যায্যতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক একটি সরকার গঠন করা। শহীদ পরিবারগুলোর ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি সবাইকে ধৈর্য ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান, যাতে দেশের চলমান গণতান্ত্রিক যাত্রা কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত আছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেকেই।

“রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন”

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
“রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন”

রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন সংগঠনের মানবিক প্রকল্পের আওতায় নগরীর শেরশাহ বায়েজিদস্থ গুলশান শাহে মদিনা তা’লিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ২৬তম মানবিক প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে।

এতে আফাজ উদ্দীন আসিফ’র সার্বিক পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন মাসুদ আলম চৌধুরী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা সহ আরও উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম বাবু, মোঃ মাঈন, স্টিবেন ডায়েজ, জাহেদুল ইসলাম, মোঃ রিপন, আবু দাউদ, তানজিম, আলী রেজা তালুকদার বাপ্পী প্রমুখ।

দোয়া পরিচালনা করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মুফতী মোঃ সলিমুল্লা।

জোট নয়, এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
জোট নয়, এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে প্রার্থীরা মাঠে কাজ করছেন। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। তারা কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, তারা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না। এছাড়া বাকি ৩২ আসনে সমর্থন জানাবে ইসলামী আন্দোলন। তবে নির্বাচনে কোন দলকে সমর্থন জানানো হবে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।