খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেই হাতিটি মারা গেছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
সেই হাতিটি মারা গেছে

চট্টগ্রামের লোহাগড়ার চুনতিতে কাদা মাটিতে আটকে পড়া হাতিটি পায়ে জখম নিয়ে পালের সাথে আর চলতে পারছিল না বয়সের ভারে, কাদাপানিতে ঠাঁই নেওয়ার দুইদিন পর বৃদ্ধ হাতিটি মারা গেল।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে ট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি ইউনিয়নের নারিশ্চা চাকমা জোন এলাকায় মাদি হাতিটি মারা যায়।

হাতিটির মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে সেখানেই মাটিচাপা দেওয়া হবে জানিয়েছেন বাঁশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৌছিফ আহমেদ।

তিনি বলেন, “আজ সকালে হাতিটি মারা গেছে। এটির ‘গ্যাংগ্রিন’ (পচনশীল ঘা) আঘাত ছিল। অনেকদিন ধরেই এটি অসুস্থ ছিল।”

৮ নভেম্বর (শুক্রবার) চুনতির নারিশ্চা গ্রামের চাকমার জোন এলাকায় হাতিটি কাদায় আটকে পড়ে। পরে শনিবার সকালে সেটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

বন্য প্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের চুনতি কার্যালয়ের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনজুরুল আলম বলেন, হাতিটির বয়স প্রায় ৭০ বছর। এর পেছনের বাম পায়ে গ্যাংগ্রিন ছিল।

“পায়ে আঘাতের কারণে এটি আগে থেকেই স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারত না। লার্জ এনিম্যালের আচরণ হল এরা মৃত্যুর সময় পানির কাছাকাছি আশ্রয় নেয়। একটি হাতির জন্য পানি খুবই প্রয়োজনীয়। হাতিটি আর চলতে না পেরে পানি আছে এরকম একটি জায়গায় অবস্থান নিয়েছিল।”

গত শুক্রবার নারিশ্চা চাকমা জোন এলাকায় হাতিটিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা জনপ্রতিনিধিদের খবর দেয়। জনপ্রতিনিধিরা স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগকে জানান।

বন্য প্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, বন বিভাগের চুনতি ও পদুয়া রেঞ্জ এবং ডুলহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের চিকিৎসক দল শনিবার সেখানে পৌঁছে।

মনজুরুল আলম বলেন, “গতকাল আমরা হাতিটি সরিয়ে শেডের নিচে নিয়ে আসি। খড়কুটো বিছিয়ে সেটিকে রাখি। চিকিৎসা দেওয়া হয়, খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়।

“সম্ভবত বয়সের কারণে এবং পায়ের আঘাতের কারণে ঠিকমত খেতে না পারায় এটি মারা গেছে। পোস্ট মর্টেম করা হচ্ছে।”

শুক্রবার রাত পর্যন্ত পাশের পাহাড়ে হাতির পাল ছিল জানিয়ে মনজুরুল আলম বলেন, চুনতি অভায়রণ্য ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় কয়েকটি হাতির পাল আছে। যাতে আনুমানিক ৫০টির মতো হাতি আছে। এসব পালে আরও কয়েকটি পঞ্চাশোর্ধ বয়সী হাতি আছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…