খুঁজুন
, ,

লোহাগাড়ায় ৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান-সদস্য পদে ৩২২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 November, 2021, 10:49 pm
লোহাগাড়ায় ৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান-সদস্য পদে ৩২২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্টিতব্য চতুর্থ ধাপে লোহাগাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে ২৩ জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৩৪ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৬৫ জন সহ সর্বমোট ৩২২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে মিছিল-শ্লোগানে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসময় রিটার্ণিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে যেন উৎসবের আমেজে পরিণত হয়।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, চুনতি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ৪ জন প্রার্থী। এরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন জনু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নুর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, মো : আনিছ উল্লাহ ও হোছাইন মুহাম্মদ জুনাইদ। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৭ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১২ জন প্রার্থী।

চরম্বা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। এরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাস্টার শফিকুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক সাদাত উল্লাহ ও মাওলানা হেলাল উদ্দিন। এছাড়াও চরম্বা ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

কলাউজান ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন প্রার্থী। এরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এম.এ ওয়াহেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মাদ এয়াছিন, মো. জাহাঙ্গীর আমিন, আব্দুস ছবুর, নুরুল আলম চৌধুরী, ও মো. হেলাল উদ্দিন। এছাড়াও কলাউজান ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৪০ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বড়হাতিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১জন। তিনি হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিজয় কুমার বড়ুয়া। এছাড়াও বড়হাতিয়া ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পুটিবিলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২ জন। এরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. ফরিদুল আলম। পুটিবিলা ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পদুয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭ জন। এরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো : হারুনুর রশিদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. জহির উদ্দিন, আকতার কামাল পারভেজ, মো. জসিম উদ্দিন, আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু, মোস্তাক আহমদ সবুজ ও মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। এছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯জন।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো : সাদ্দাম হোসেন রোমান খাঁন জানান, চতুর্থ ধাপে আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্টিতব্য লোহাগাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আজ ২৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে ২৩ জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৩৪ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৬৫ জন সহ সর্বমোট ৩২২জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে, লোহাগাড়ায় ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলাউজান, চুনতি ও পদুয়া ইউনিয়নে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাদ্দাম হোসেন রোমান খান। চরম্বা ও পুটিবিলা ইউনিয়নে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন এবং বড়হাতিয়া ইউনিয়নে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: এ.এম খালেকুজ্জামান।

উল্লেখ্য, চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বাছাই ২৯ নভেম্বর। আপিল ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি ৩ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষদিন ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর। আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।