খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির দূর্গমাঞ্চলে ২০লাখ টাকা ব্যয়ে ড.মাহমুদ হাসান সেতু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১:৪১ অপরাহ্ণ
ফটিকছড়ির দূর্গমাঞ্চলে ২০লাখ টাকা ব্যয়ে ড.মাহমুদ হাসান সেতু

উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়নের দূর্গম এলাকা সুন্দরপুর-হাপানিয়া সড়কে ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ। এ উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর ড. মাহমুদ হাসানের নামানুসারে এ সেতুর নাম রাখা হয় “ড. মাহমুদ হাসান সেতু”। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম আনুষ্ঠানিক ভাবে এ সেতুর উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সাব্বির ইকবাল, জেলা পরিষদ সদস্য ও মরহুম ড. মাহমুদ হাসানের সন্তান আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ, এড. উম্মে হাবিবা, বখতেয়ার সাঈদ ইরান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সেতুটি নির্মিত হওয়ায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, সুন্দরপুর-হাপানিয়া সড়কে সেতু নির্মাণ ওই এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল যা স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাস্তবায়ন হলো। সেতুটি নির্মাণের মধ্য দিয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের দীর্ঘ দিনের আকাঙ্খা পূরণ হয়েছে।

সুন্দরপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এখানে আগে কাঠের সেতু ছিল, সেটি দিয়ে বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করা ঝুকিপূর্ণ ছিল। এখন বর্ষা মৌসুমেও স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা সহজে যাতায়াত করতে পারবে। স্থানীয় কৃষক মনু মিয়া বলেন- সেতুটি নির্মাণের ফলে গ্রামের কৃষকের উৎপাদিত কৃষি পণ্য এখন খুব সহজই বাজারজাত করা যাবে। নারায়ণহাট ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ বলেন, আমরা অনেক খুশি। জেলা পরিষদ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে । সেতুটি নির্মাণের কারণে খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী- চাকুরীজিবী সবাই লাভবান হবে।

জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ বলেন, হাপানিয়া ও সুন্দরপুর গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এক‌টি সেতু। তিনি সেতুটির উন্নয়নে বরাদ্দ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এন-কে

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।