খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোক কাটিয়ে ফিরছেন শেহনাজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শোক কাটিয়ে ফিরছেন শেহনাজ

ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা ও ‘বিগ বস ১৩’ জয়ী সিদ্ধার্থ শুক্লার অকাল মৃত্যু সহজে মেনে নিতে পারছিলেন না প্রেমিকা শেহনাজ গিল। প্রিয় মানুষটাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছিলেন এ অভিনেত্রী। এখনো স্বাভাবিক হননি শেহনাজ। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। তাই আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ক্রমাগত চেষ্টা করে চলেছেন শেহনাজ গিল। একাকিত্ব কাটিয়ে আবার কাজের দুনিয়ায় ফিরতে চলেছেন শেহনাজ। দিলজিত দোসাঞ্জের সঙ্গে শিগগিরই শুটিং শুরু করতে চলেছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের সঙ্গে ‘হসলা রাখ’ সিনেমায় অভিনয় করতে দেখা যাবে শেহনাজকে। সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন শেহনাজ। তার মানুষিক অবস্থার কথা বিবেচনায় বন্ধ রাখা হয় শুটিং। অবশেষে শেহনাজ ফেরায় খবরে আবারও শুটিং শুরু হতে যাচ্ছে সিনেমাটির।

সূত্রের খবর, আগের শুটিং ফ্লোর কী বাইরে গল্প, আড্ডায় মেতে থাকতেন শেহনাজ। তবে আগের মতো নেই তিনি, ইদানিং কারও সঙ্গে প্রয়োজনের বাইরে কথাও বলেন না এ অভিনেত্রী। অনেকটাই নীরব হয়ে গেছেন তিনি।

২ সেপ্টেম্বর সকালে মারা যান বিগ বস-১৩ বিজয়ী টেলিভিশন তারকা সিদ্ধার্থ শুক্লা। মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতালে সিদ্ধার্থের ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

সিদ্ধার্থের পরিবারের দাবি, তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক। যদিও নেটিজেনদের একাংশ ইতিমধ্যেই তরুণ অভিনেতার অকালমৃত্যুকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে দাবি করছেন।

শেহনাজ ও সিদ্ধার্থকে ‘সিদনাজ’ বলে ডাকতেন ভক্তরা। ‘বিগ বস ১৩’-তে তাদের রসায়ন দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়। বিগ বস থেকে বেরিয়েও দুজনের সম্পর্ক ভালো ছিল এবং প্রেমে জড়িয়েছিলেন। টেলিভিশনে শেহনাজের সঙ্গেই শেষবার দেখা গিয়েছে সিদ্ধার্থকে।

২০০৮ সালে ‘বাবুল কা আঙ্গান ছুটে না’ ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক ঘটে সিদ্ধার্থের। ২০১৪ সালে বলিউডেও পা রাখেন তিনি। ‘হামটি শর্মা কি দুলহানিয়া’ সিনেমায় পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পান। গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘুমের মধ্যে মারা যান সিদ্ধার্থ শুক্লা।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…