খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারে করে ফিরছেন পর্যটকরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারে করে ফিরছেন পর্যটকরা

কক্সবাজার প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া কিছু পর্যটক ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে টেকনাফে ফিরেছেন। সোমবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে চারটি স্পিডবোট ও তিনটি কাঠের ট্রলার নিয়ে দেড় শতাধিক পর্যটক টেকনাফে পৌঁছান। এর মধ্যে কিছু স্থানীয় বাসিন্দাও রয়েছেন।

এর আগে সকালে পর্যটকদের আনতে টেকনাফ থেকে তিনটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেয়। জাহাজ তিনটি এরই মধ্যে দ্বীপে পৌঁছেছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রলারে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের জেটি ঘাটে পৌঁছান পর্যটক তৌহিদ আলম। তিনি ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের পর আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক থাকায় আমরা বন্ধুরা মিলে কাঠের ট্রলারে করে এসেছি। দুই দিন দ্বীপে আটকা ছিলাম। দ্বীপটি সাগরের মাঝখানে হওয়ায় ভয়টা খুব বেশি কাজ করছিল। তবে সেখানকার প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজন অনেক সহযোগিতা করেছেন। এখন ফিরতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

তার মতে, সকাল থেকে কাঠের ট্রলার ও স্পিডবোট নিয়ে দেড় শতাধিকের মতো পর্যটক ও স্থানীয় লোকজন টেকনাফ এসেছেন।

তিনি ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘আসার সময় নাফ নদীর মাঝখানে পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপের দিকে যেতে দেখেছি। আমাদের আনতে জাহাজ যাবে জানলে ট্রলার নিয়ে আসতাম না। কেননা সাগরে এখনও ঢেউ রয়েছে।’

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর আহমদ ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, চারটি স্পিডবোট ও তিনটি কাঠের ট্রলারে কিছু লোকজন টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপে পৌঁছেছেন। দুপুরে দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের নিতে আসা জাহাজ পৌঁছেছে। তাদের ভালোমতো জাহাজে তুলে দেওয়া হবে। তাদের যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে জাহাজ দ্বীপে পৌঁছেছে। বিকালে তাদের নিয়ে টেকনাফে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে কিছু লোকজন ট্রলারে করে টেকনাফে এসেছেন বলে খবর পেয়েছি। জাহাজ পাঠানোর পরও কেন ট্রলারে করে লোকজন আসছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…