ফটিকছড়িতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ঘরবাড়ি দোকান ক্লাব ভাংচুর আহত অন্তত ৩০
ফটিকছড়ি বাগান বাজার, দাঁতমারা, পাইন্দং ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় অন্তত ৩০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। দোকান ঘরবাড়ি ক্লাবঘর ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে ভূজপুর থানায় অভিযোগ হয়েছে স্থানীয় সূত্র জানায়, বাগান বাজারের ৩নং ওয়ার্ডের গার্ডের বাজার নামক স্থানে সংঘবদ্ধ একটা দল অতর্কিত হামলা চালায় মোবারক হোসেন দীপু নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর উপর।দীপু জানান, ১০/১২ জনের সংঘবদ্ধ একটি দল লাঠিসোটা এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালায়। অতর্কিত হামলায় তার মুখ বুক এবং হাতে মারাত্মক আঘাত পায়।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রুস্তম আলী অভিযোগ করে জানান, তার কর্মী সমর্থকদের শুক্রবার সকাল থেকে মারধর, বাড়ি ঘর ভাংচুর, মোটরসাইকেল কেড়ে নেয়া সহ অনেক লুটতারাজ চলছে। এজন্য তিনি বিজয়ী প্রার্থীর লোকজন কে দায়ী করেন।অপর দিকে দাতমারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মুজিবুল হক মজুমদার অভিযোগ করে জানান, শান্তিরহাট বাজারে শুক্রবার বিকেলে বোরহান সওদাগরের দোকানে হামলা, ভাংচুর হয়। বড় বেতুয়া এলাকায় মেরিনার কাদেরের বাড়ি ঘর, দোকান, ক্লাবঘরে ভাংচুর হয়। বালুটিলা এলাকায় ১০/১৫ জনকে মারধর করা হয়। ময়ুরখীল এলাকায় ৫/৭ ঘর ভাংচুর হয়। তারা অনেক বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে। এসব সহিংসতা করছে নৌকা বিজয়ী প্রার্থীর লোকজন।সহিংসতার বিষয়ে বাগান বাজার ও দাতমারা থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।
ফটিকছড়ি থানার পাইন্দং ইউনিয়নের ১ নং ফকিরাচান ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থী করিম উদ্দিন ও বদিউল সমর্থকরা যৌথভাবে নির্বাচিত মেম্বার নুর মিয়ার সমর্থকদের উপর হামলা করেছে। নির্বাচনের ফলাফর নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় এঘটনা ঘটে।হামলায় নুর মিয়ার মেয়ে রোকসানা, মেয়ের জামাই হারুন, মিনহাজ, ইদ্রীস সহ প্রায় এক ডজনের বেশী কর্মী সমর্থক আহত হয়। মিনহাজকে চমেকে ভর্তি করা হয়েছে।ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার মো. আজমগীর বলেন, ফকিরাচাঁন এলাকায় মেম্বার প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত হয়েছে। মামরার প্রস্তুতি চলছে।এ ব্যাপারে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আছহাব উদ্দিন বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার খবর পেয়েছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্থদের মামলা করতে বলা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন