খুঁজুন
, ,

শেখ রাসেল প্রমিলা ফুটবল টুর্ণামেন্ট চ্যাম্পিয়ন চেঙ্গী একাদশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 November, 2021, 11:37 pm
শেখ রাসেল প্রমিলা ফুটবল টুর্ণামেন্ট চ্যাম্পিয়ন চেঙ্গী একাদশ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড’র অর্থায়নের শেখ রাসেল প্রমিলা টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে অংশ নেন শক্তিশালী দুটি দল- খাগড়াছড়ি একাডেমী ও চেঙ্গী একাদশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ঐতিহাসিক খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে এ ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।এতে খাগড়াছড়ি একাডেমিকে ১-০ গোলে হারিয়ে টুর্ণামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হন চেঙ্গী একাদশ। টুর্ণামেন্টে ১০গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন ক্রানুচিং মারমা। এ ফাইনাল ম্যাচে ১গোল করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন মানুচিং মারমা।

এসময় প্রধান ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অংসা মারমা,সহকারী ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খুশি চাকমা, নুনু মারমা। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্যহ্লাচাই চৌধুরী। ম্যাচ শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে ৩০হাজার এবং রানার্স আপ দলকে ২০হাজার টাকা প্রাইজমানি দেয়া হয়েছে।

এসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডে চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা।

ফাইনাল খেলায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আজহার হীরা’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেন,পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলারও প্রয়োজন।খেলাধুলা আমাদের সুস্থ্য ও সবল থাকতে সাহায্য করে।সুস্থ্য দেহ এবং প্রশান্ত মনের জন্য খেলার কোন বিকল্প নেই।তিনি আরো বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মেয়েরা ক্রীড়াঙ্গনে অনেক অবদান রেখে চলেছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের যা যা করা প্রয়োজন তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু,জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা ফুটবল উপ-কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল আজিজ, পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম প্রমুখ।

এদিন শেখ রাসেল প্রমিলা ফুটবল টুর্ণামেন্টে পুরো ম্যাচে প্রাথমিক চিকিৎসা টিমের দায়িত্ব পালন করেন খাগড়াছড়ি ইউনিটের যুব রেড ক্রিসেন্ট’র প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৭জন যুব স্বেচ্ছাসেবকেরা।

Feb2
Feb2

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 9:09 pm
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মেয়র

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় পশ্চিম গোমদন্ডী এলাকায় একটি লবণ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কারখানায় কর্মরত অন্তত ১০ জন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার একটি লবণ কারখানায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ শ্রমিকদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ছুটে যান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দগ্ধ শ্রমিকদের শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দগ্ধ শ্রমিকদের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন এবং চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দগ্ধ শ্রমিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে চসিকের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। চিকিৎসকদের অনুরোধ করা হয়েছে তারা যেন আহতদের সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।

সব ধর্মের মানুষের জন্য সেফ সিটি গড়তে চাই: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 8:42 pm
সব ধর্মের মানুষের জন্য সেফ সিটি গড়তে চাই: মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম এমন এক নগরী যেখানে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বহুদিন ধরে সম্প্রীতির বন্ধন বজায় রেখেছে। এই ঐতিহ্যকে নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে। কারো উস্কানিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবেনা। সব ধর্মের মানুষের জন্য সাম্য নিশ্চিত করতে হবে, সবাইকে নিয়ে গড়তে হবে সেফ সিটি।

তিনি বৃহস্পতিবার নন্দনকানন রথের পুকুরপাড়, ডিসি হিল এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরর প্রতীক। আমি সবসময় ঐক্যের পক্ষে। চ্ট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রীণ, হেলদি ও সেইফ সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বর্তমানে বিএনপি সরকার বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকায় রক্ষায় অঙ্গিকারাবদ্ধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সকল সনাতনীরা নিশ্চিতভাবে রথযাত্রার আনন্দ উপভোগ করতে পারে। সরকারও চেষ্টা করছে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে।

তিনি বলেন, আমি মেয়র হিসেবে নয়, জনগনের সেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করে। এবারের রথযাত্রা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আমি মনে করি। সিটি করপোরেশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। আমি সকলের প্রতি অনুরোধ জানাই, শৃঙ্খলা বজায় রাখুন, একে অপরকে সহযোগিতা করুন এবং উৎসবের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখুন।

মেয়র রথযাত্রায় অংশ নেয়া ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে রথযাত্রার আয়োজন সুন্দরভাবে পরিচালনার বিষয়ে পরামর্শ দেন। রথযাত্রা উৎসবকে সুচারুভাবে পরিচালনায় সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মেয়র।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী হরিশ কুমার, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরি সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি সৌরভ প্রিয় পাল, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব বিশ্বজিৎ দত্ত বাবু, বেসরকারী কারা পরিদশৃক উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দাশ প্রমুখ।

বাজার থেকে ৩ প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 8:15 pm
বাজার থেকে ৩ প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের অভিযোগে ৩টি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই সঙ্গে পণ্যগুলোর সব ধরনের বিপণন ও বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এসব পণ্য ক্রয় বা গ্রহণ না করার জন্য ভোক্তাদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিএফএসএ।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়া খাদ্যপণ্য ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট) এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।

বিএফএসএর তথ্যমতে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।