খুঁজুন
, ,

ওজন কমাতে পারছেন না? ৬ টি সহজ নিয়ম জানুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 5 December, 2021, 1:42 pm
ওজন কমাতে পারছেন না? ৬ টি সহজ নিয়ম জানুন

ধীরেসুস্থে মনোযোগ সহকারে না খেয়ে যদি কাজ করতে করতে অথবা টেলিভিশন দেখতে দেখতে খাবার খান, তা হলে সেই খাবার শরীরের কোনও কাজেই লাগে না। উল্টো বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকে। তাই দ্রুত খেতে যারা ভালোবাসেন, তারা এবার থেকে এই অভ্যাসটা ছাড়তে হবে।

বিশেষ করে, কাজের চাপে গপাগপ করে খেয়ে পেট ভরানো ছাড়া আর কোনও গতি থাকে না। কিন্তু তাতে করে যে শরীরের বারোটা বেজে যাচ্ছে, সে খবর কি রাখেন? আপনি যদি দ্রুত ওজন কমাতে চান, তাহলে আপনার জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গেম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করতে পারে।

চলুন বিষয়গুলো জানা যাক

ওজন কমানোর জন্য চিনি এড়ানোর কথা আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন। কারণ সাদা চিনিতে ক্যালরি থাকে না, যেখানে গুড় পুষ্টিগুণে ভরপুর। তাই খাবারে চিনির পরিবর্তে গুড় ব্যবহার করার অভ্যাস করুন।

ওজন কমাতে হলে ঠাণ্ডা পানি ছাড়তে হবে। তাই যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন, তাদের উচিত কুসুম গরম পানি খাওয়া শুরু করা। আসলে, গরম পানি আপনার হজম প্রক্রিয়া দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এটি মেটাবলিজমের উন্নতির জন্যও ভালো, কারণ এটি হজম করা বেশ সহজ।

শুধু ওজন কমানোর জন্য দুপুরের খাবার এড়িয়ে যাওয়ার ভুল করবেন না। কারণ, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা হল মাঝারি থেকে ভারী খাবার খাওয়ার সেরা সময়। এ সময় মেটাবলিজম খুব ভালো থাকে। তাই দুপুরের খাবার বাদ না দিয়ে ভালো ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই ভালো।

ভালো করে চিবিয়ে খাবার খেলে তাতে বদহজমের সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষার সুযোগ পাবে না। তাছাড়া ধীরে সুস্থে খেলে খাবারে উপস্থিত প্রতিটি উপকারী উপাদান শরীর ঠিক মতো শোষণ করতে পারে। ফলে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।

অনেকে মনে করেন প্রতিদিন ৫০০০-১০,০০০ কদম হাঁটা ওজন কমানোর জন্য যথেষ্ট। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁটা অবশ্যই ভালো, এ ছাড়া সারাদিন সক্রিয় থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকে নড়াচড়া করলে কার্যকলাপ, নমনীয়তা বজায় থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়।

ভালো ঘুম, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে শরীরচর্চা করাও ওজন কমানোর একটি ভালো উপায়। তাই নিজেকে সক্রিয় রাখুন। আপনি যদি চান, যোগব্যায়াম, হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো সহ সাঁতারের মত পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

এখানে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলিকে আপনার লাইফস্টাইলের অংশ করে নিন। দেখুন কত দ্রুত এবং স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে আপনি ওজন কমাতে সক্ষম হবেন।

এন-কে

Feb2

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।

টাইব্রেকারে মিসের মহড়া, ডাচদের বিদায় করল মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 10:34 am
টাইব্রেকারে মিসের মহড়া, ডাচদের বিদায় করল মরক্কো

ম্যাচের মতো ফল নির্ধারণী টাইব্রেকারেও নাটকীয়তার জন্ম দিলো মরক্কো-নেদারল্যান্ডস। স্নায়ুরক্ষার এই লড়াইয়ে উভয় দলই যেন একের পর এক মিসের মহড়ায় নেমেছিল। মরক্কো মিস করার পর একইভাবে ডাচরাও মিস করেছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি করে শট নেওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানে ডাচদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানাল মরক্কো।

পাঁচ মিস, এক হাতে ইয়াসিন বুনোর সেভ এবং বার্ট ভেরব্রুখেন ঠেকানোর পরেও লাইন ক্রস। অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় এক পেনাল্টি শ্যুটআউটে ডাচদের বিদায় এবং মরক্কোর শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছে। ৯০ মিনিট এবং এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে স্কোরলাইন ১–১ থাকায় খেলা গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে।

যেখানে টানা প্রথম শটে গোল করেন নেদারল্যান্ডসের টিউন কুপমেইনার্স। পরের দুটি শটে মিস করেন মরক্কোর নেইল এল আয়নাউয়ি এবং ডাচ ফরোয়ার্ড জাস্টিন ক্লাইভার্ট। সুফিয়ান রাহিমি সমতায় ফেরান মরক্কোকে। নিজেদের তৃতীয় শটে দ্বিতীয় গোল পায় নেদারল্যান্ডসও, দিয়েছেন ভাউট ভেগহোর্স্ট। এরপর শেমসদিন তালবির গোলে মরক্কোকে ফের সমতায় ফেরানোর পর ডাচদের পক্ষে বাইরে শট মেরে বসেন কুইন্টেন টিম্বার্স।

গোলপোস্টে শট নিয়ে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি নাটকীয়তার জন্ম দেন। এরপর বুনো ঠেকিয়ে দেন সামারভিলের শট। তবে পঞ্চম ও শেষ শটে সাইবারি ভুল করেননি। গোল দিয়েই জার্সি খুলে বুনো উল্লাসে মেতেছেন।

টাইব্রেকারে জার্মানিকে প্রথমবার হারিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 8:37 am
টাইব্রেকারে জার্মানিকে প্রথমবার হারিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

২০১৪ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জার্মানি টানা দুই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। এবার তারা দাপট দেখিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে এক যুগ পর নকআউটে উঠেছিল। কিন্তু আর বেশি পথ চলতে পারল না চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। বিশ্বকাপে প্রথমবার টাইব্রেকারে হার দেখে বিদায় নিলো তারা। নির্ধারিত সময় ১-১ গোলে সমতায় থেকে শেষ হয়, তারপর অতিরিক্ত সময়েও একই স্কোর ছিল। পেনাল্টি শুটআউটে আর পেরে ওঠেনি জার্মানরা। ফক্সবোরোতে শেষ ৩২ এর ম্যাচে ৪-৩ ব্যবধানে তাদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে।

চলতি বিশ্বকাপে তৃতীয় নকআউট ম্যাচেই দেখা মেলে টাইব্রেকারের। বিশ্বকাপে দুই দলেরই পেনাল্টি শুটআউটে শতভাগ সাফল্য ছিল। চারটি শুটআউটেই জিতেছে জার্মানি। এছাড়া বড় টুর্নামেন্টে তারা সাতবার টাইব্রেকারে চারবারই জিতেছিল।

১৯৭৬ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে চেকোস্লোভাকিয়ার কাছে হারের পর টানা ছয়টি জয় ছিল তাদের। কিন্তু এবার পারল না। বিশ্বকাপে এর আগে দুই দলের একবারই দেখা হয়েছিল। ২০০২ সালের আসরে শেষ ষোলোতে ১-০ গোলে প্যারাগুয়েকে হারায় জার্মানি। ২৪ বছর পর সেই হারের শোধ তুলল দক্ষিণ আমেরিকান দেশটি।

এর আগে প্যারাগুয়ে পাঁচবার নকআউটে খেললেও কোনোটিতে গোল করতে পারেনি। এর মধ্যে কেবল একবার তারা নকআউটে জিতেছিল, ২০১০ সালের টুর্নামেন্টে তারা পেনাল্টি কিকে জাপানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল। ওইবারই তারা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের একমাত্র টাইব্রেকার পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছিল। কিন্তু শেষ আটে তারা হেরে যায় ওই আসরের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের কাছে।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপের পর প্রথমবার নকআউটে খেলতে নেমেছিল জার্মানি। ওইবার ফাইনালে তারা আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চতুর্থ ট্রফি জিতেছিল।

পেনাল্টি শুটআউটে জার্মানি প্রথম শটেই হোঁচট খায়। কাই হ্যাভার্জের বুলেটগতির শট প্যারাগুয়ে গোলকিপার গিল তার বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন। মাউরিসিও প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দেন ন্যয়ারকে কোনো সুযোগ না দিয়ে। জার্মানির জোশুয়া কিমিখ কোনোমতে জালে বল জড়াতে পারেন। গুস্তাভো গোমেজ প্যারাগুয়েকে ২-১ গোলে এগিয়ে রাখেন। জামাল মুসিয়ালা তৃতীয় শটে সফল হন। প্যারাগুয়ের মাতিয়াস গালারজাও লক্ষ্যভেদে করেন।

জার্মানিকে আবার রুখে দেন গিল। চতুর্থ শটে দ্বিতীয় মিস করে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। নিকো ওল্টারমেডের নিচু শট ঠেকান প্যারাগুয়ান কিপার। চতুর্থ শটে সফল হলেই প্যারাগুয়ের জয় নিশ্চিত, কিন্তু অ্যান্তনিও সানাবরিয়া দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে বল মারেন। নাদিয়েম আমিরি পঞ্চম শটে গোল করে জার্মানদের টিকিয়ে রাখেন। তবে ন্যয়ার গুরুত্বপূর্ণ সেভে প্যারাগুয়েকে হতাশ করেন। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ফ্যাবিয়ান বালবুয়েনাকে রুখে দেন জার্মান কিপার। টাহ সেই উত্তেজনায় জল ঢালেন ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল মেরে। দুইবার সুযোগবঞ্চিত প্যারাগুয়ে পরের শটে জাল কাঁপায়। জোসে ক্যানেলের শক্তিশালী শট এবার জালে জড়াতে বাধা পায়নি।

১২ বছরে প্রথমবার নকআউট খেলতে নেমে জার্মানি বড় ধাক্কা খায় বিরতির ঠিক আগে। বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পর গোল হজম করে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তবে বিরতির পর তারা গোল শোধ দেয়। আর ব্যবধান বাড়েনি। তাতে চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবার কোনো ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।

৪২তম মিনিটে জুলিও এনকিসো নিচু হেডে জার্মানির জালে বল ঠেলে দেন। ম্যানুয়েল ন্যয়ারের কিছুই করার ছিল না। এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় প্যারাগুয়ে। বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় জার্মানরা। ৫৪ মিনিটে ফ্লোরিয়ান উইর্টজের ক্রসে কাই হ্যাভার্জের মাথায় আলতো ছোঁয়া লেগে জালে জড়ায় বল। ১-১ গোলে সমতা ফেরায় জার্মানি। পরে স্কোরে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফল নির্ধারণে আরও ৩০ মিনিট খেলতে হচ্ছে দুই দলকে।

জার্মানির গোলে শোধের চার মিনিট পর গুস্তাভো কাবায়েরোর হেডে প্যারাগুয়ে সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে ন্যয়ার সেভ করেন। ৬৬ মিনিটে লেরয় সানের একটি শট প্যারাগুয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। হ্যাভার্জের আরেকটি হেড রুখে দেন প্রতিপক্ষ কিপার অরল্যান্ডো গিল। ইনজুরি টাইমে জোনাথন টাহের একটি হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকান গিল। মূলত প্যারাগুয়ান কিপারের নৈপুণ্যে জার্মানরা গোলের দেখা পায়নি।

ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০২ মিনিটে জার্মানি ২-১ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। নাথানিয়েল ব্রাউনের কর্নার কিক থেকে আসা বলে জোনাথন টাহ হেড করে গোল করেন। বল গিলের নাগালের ঠিক ওপর দিয়ে চলে যায়। কিন্তু ভিডিও পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, শট নেওয়ার আগে ভালডেমার আন্তন গিলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিলেন এবং গোলটি বাতিল করা হয়।

প্যারাগুয়ে আগামী ৪ জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় শেষ ষোলোর ম্যাচে মঙ্গলবারের ফ্রান্স ও সুইডেনের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচে জয় পেলে তারা ৯ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের জন্য ফক্সবোরোতে ফিরে আসবে।