খুঁজুন
, ,

সৈয়দপুরে পুরাতন পেঁয়াজের কেজি ২২০ টাকা নতুন পেঁয়াজপাতা সাড়ে ৩শ’ টাকা পাল্লা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 16 November, 2019, 10:27 am
সৈয়দপুরে পুরাতন পেঁয়াজের কেজি ২২০ টাকা নতুন পেঁয়াজপাতা সাড়ে ৩শ’ টাকা পাল্লা

নীলফামারী প্রতিনিধি ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে পেঁয়াজের কেজি শুক্রবারের বাজারে ২২০ টাকা কেজিতে এসে দাঁড়িয়েছে। সে সাথে নতুন পেঁয়াজপাতা বিক্রি হচ্ছে ৫ কেজির পাল্লা সাড়ে ৩ শ’ টাকায়।

১৫ নভেম্বর শুক্রবার সকালে সৈয়দপুর শহরের সবজি আড়তে গিয়ে দেখা যায় পুরাতন পেঁয়াজের বেশ মুজদ রয়েছে। পাশাপাশি নতুন পেঁয়াজ তথা পাতাসহ পেঁয়াজের আমদানি হয়েছে ব্যাপকভাবে। কিন্ত তারপরও কমেনি পেঁয়াজের দাম। বরং দুই দিন আগের ২ শ’ টাকা কেজির স্থলে বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা দরে। এর সাথে নতুন মৌসুমের পাতাওয়ালা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি হিসেবে প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) ৩৫০ টাকায়।

নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় অধিকাংশ ক্রেতাই সেই পেঁয়াজই কিনছে। তবে পাতার পরিমান বেশি এবং পেঁয়াজ গুটি ছোট থাকায় একেবারে পেঁয়াজ নির্ভর খাদ্যপন্য তৈরী তথা রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুরাতন পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছে ক্রেতারা। দাম না কমার কারণে রেকর্ড দাম ২২০ টাকা কেজি দরেই পেয়াজ কেনা-বেচা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে একজন পেঁয়াজ বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পুরাতন পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে দাম সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠার আশংকা রয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্য এক ব্যবসায়ী অবশ্য ভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেছেন, নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় এ সম্পাহের মধ্যেই পুরাতন পেঁয়াজের দাম কমে যাবে। তবে তিনি জানান, নতুন পেঁয়াজ যে হারে বাজারে আসছে তার চেয়ে অনেক বেশি চাহিদা রয়েছে বাজারে। পাশাপাশি নতুন পেঁয়াজ আসা মাত্রই তা ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে ট্রাকে করে পাঠিয়ে দিচ্ছে। একারণে নতুন পেয়াজ উঠলেও পেয়াজের দাম কমছেনা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সৈয়দপুরের বাইরে পেঁয়াজ পাঠালে এখানকার বাজার দর কমবে।

এসময় ক্রেতারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে এবার যে পরিস্থিতি দাঁড় করানো হয়েছে তা সরকারের ব্যর্থতার প্রকাশ। বিশেষ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বাজার মনিটরিং বা তদারকি করেননি। তাই চাহিদার সাথে মজুদের চরম হেরফের সৃষ্টি হয়েছে। যা তার অদূরদর্শীতার খেসারত। যার ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের।

সৈয়দপুর পাইকারী সবজি বাজারের আড়ৎদাররা দাম বাড়ার কারণ হিসেবে জানান, পাবনা ও কুষ্টিয়ার পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়া বেশি দামে আমদানী করতে হচ্ছে। তাছাড়া দক্ষিণাঞ্চলে সম্প্রতি বুলবুল এর আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ায় সেখান থেকে পেয়াজ আসছেনা।

বৃহস্পতিবার সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া পাইকারী বাজারগুলোতে গেলে আড়ৎদাররা কোথা থেকে পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে এ সংক্রান্ত চালান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ওজনে কম দেওয়া এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির জন্য জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও বৃহস্পতিবারের তুলনায় প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা দাম বেড়েছে প্রতি কেজি পেয়াজের।

সৈয়দপুর সবজিবাজার পাইকারী ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, আমদানী করার ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং বা হাতে হাতে টাকা প্রদানসহ চালান ছাড়াই নেয়ার শর্তে ব্যবসা করতে হচ্ছে। তা না হলে যে পরিমান পেঁয়াজ আনা সম্ভব হয়েছে তার সিংহভাগই আনা যেত না। তাহলে পেঁয়াজের দাম আরও অনেক বেশি হতো।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।