খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে বিধি না মেনে অতিথি এনে গালিগালাজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে বিধি না মেনে অতিথি এনে গালিগালাজ

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অনুষ্ঠানের নামে অতিথি এনে নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া নির্বাচনী পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ প্রার্থীদের প্রচারণায় নানান প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আগামী ৫ জানুয়ারি বোয়ালখালী উপজেলার ৭টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলছে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা।

আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হামিদুল হক মান্নান (আনারস প্রতীক) জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে এলাকায় টাঙানো নির্বাচনী পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। কর্মী সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি না মেনে এলাকায় অতিথি এনে তাদের দিয়ে গালিগালাজ করাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী। এ ব্যাপারে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছি।

আমুচিয়া ইউপি নির্বাচনে সিপিবি মনোনীত প্রার্থী অনুপম বড়ুয়া পারু অভিযোগ করে বলেন, পরাজয়ের ভয়ে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিঁড়ে ফেলছেন ব্যানার, রেহাই দিচ্ছেন না পোস্টারও।

শাকপুরা ইউপি স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন সোহেল বলেন, কর্মী সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণা না করার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রকাশ্যে অনুষ্ঠান করে অতিথিদের দিয়ে গালমন্দ করা হয়েছে। মৌখিকভাবে বিষয়টি রির্টানিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।

জানা গেছে, গত দুইদিন ধরে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভার ব্যানারে উপজেলার পোপাদিয়া, শাকপুরা, করলডেঙ্গা ও আমুচিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ মোছলেম উদ্দিন আহমদ।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, প্রার্থীদের কাছ থেকে দুইটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মৌখিকভাবেও অনেক প্রার্থী অভিযোগ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…