খুঁজুন
, ,

স্ত্রীকে না পেয়ে শ্যালিকার বাড়িতে আগুন দিলেন দুলাভাই!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 25 December, 2021, 7:56 pm
স্ত্রীকে না পেয়ে শ্যালিকার বাড়িতে আগুন দিলেন দুলাভাই!

নিজ শ্যালিকার বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠল এক দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার এমনই কাণ্ড ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরের দু’নম্বর ওয়ার্ডের দরবার এলাকায়। অভিযুক্ত দুলাভাইকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই ব্যক্তি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বছর দশেক আগে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা পাপ্পু সিংহের সঙ্গে বিয়ে হয় বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা কাজল মণ্ডলের। ওই দম্পতির ঘরে তিন সন্তান রয়েছে।

অভিযোগ, পাপ্পু মত্ত অবস্থায় তাঁর স্ত্রী কাজলের উপর অত্যাচার করতেন। দিন কয়েক আগে মেলা দেখার জন্য কাজল মণ্ডল স্বামী পাপ্পু এবং সন্তানদের নিয়ে বিষ্ণুপুরে বাপের বাড়ি বেড়াতে যান। গত বৃহস্পতিবার রাতেও পাপ্পু মত্ত অবস্থায় কাজলকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। এরপর নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে কাজল শুক্রবার বিষ্ণুপুর শহরের দরবার এলাকায় তাঁর বোন পূজা মণ্ডলের বাড়িতে আশ্রয় নেন। ওই দিন বিকেলে কাজল সেখান থেকে পালিয়ে অন্যত্র চলে যান।

এদিকে, পূজা তাঁর বড় বোনকে লুকিয়ে রেখেছেন- এমন সন্দেহে পাপ্পু শ্যালিকার সঙ্গে ঝগড়াও করেন। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তখনকার মতো শান্ত হন পাপ্পু। পরে শনিবার সকালে পূজা বাড়ি থেকে বের হলে পাপ্পু তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন বলে অভিযোগ।

স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। ততক্ষণে অবশ্য বাড়িটি পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। এরপর উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত পাপ্পুকে ধরে বিষ্ণুপুর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পূজার অভিযোগ, ‘আমার দুলাভাই বোনকে খুঁজে না পেয়ে গতকাল আমার বাড়িতে চড়াও হয়। বোন আমার বাড়িতে লুকিয়ে নেই- এ কথা বলার পরেও তাঁর রাগ কমেনি। স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে তিনি আমার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।’

অবশ্য নিজের শ্যালিকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেন পাপ্পু। তিনি বলেন, ‘আমি আগুন লাগাইনি। কীভাবে আগুন লাগল, তা আমি জানি না। আমি পূজার সঙ্গে ঝগড়াও করিনি।’

এদিকে, এই শীতের মধ্যে এমন অবস্থায় শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিষ্ণুপুর পৌরসভার প্রশাসক অর্চিতা বিদ এবং বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। এসময় অর্চিতা বিদ বলেন, ‘পূজা অসহায় নারী। বিষ্ণুপুর পৌরসভা ওই পরিবারটির পাশে আছে।’

বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বলেন, ‘বাড়িটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এই বাড়িটি সরকারিভাবে ঠিক করে দেওয়ার ব্যাপারে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। সাময়িকভাবে পরিবারটিকে খাবার, ত্রিপল এবং কম্বল দেয়া হয়েছে।’

এন-কে

Feb2
Feb2

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 11:37 pm
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আজ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও হাটহাজারীতে দুঃস্থ, অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পৃথক পৃথক এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল এবং তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়া বায়েজিদের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন এবং ৪৪নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। অন্যদিকে, হাটহাজারী গড়দুয়ারা ইউনিয়নে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মাঝে তাৎক্ষণিক নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

ঐসকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের সেবক হিসেবে বিপদে-আপদে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের পরম কর্তব্য। সরকারের এই মানবিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সাময়িক ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই বা স্থায়ী অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি তাঁর বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং মানুষের কল্যাণে আত্মনিবেদনের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চেতনাকে অন্তরে ধারণ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি। একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন, মানবিক ও প্রগতিশীল এক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান সুরক্ষিত থাকবে।

সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 8:57 pm
সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

২০১২ সালে হাইকোর্ট এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সাফাই সাক্ষী দিতে আসা সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের পর গুমের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমান। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আমাদের একটা রিকুইজিশন দিয়েছিল। সেই রিকুইজিশনের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সুখরঞ্জন বালীকে কিডন্যাপের সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত ছিল। গতকাল রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করেছি। ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার সময়ে ফজলুর রহমান ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী সুখরঞ্জন বালী হাইকোর্ট এলাকায় গাড়ি থেকে নামলে তাকে একটা থাপ্পড় মারেন ফজলুর। এরপর শার্টের কলার ধরে তাকে ডিবির গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এই ঘটনায় তিনি ও তার টিম প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।

রাতে চোরাই ডিজেলের কারবার, অয়েল ট্যাংকারসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 6:28 pm
রাতে চোরাই ডিজেলের কারবার, অয়েল ট্যাংকারসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

কর্ণফুলী নদীতে অভিযান চালিয়ে চোরাই ডিজেল কারবারি চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ।

এ সময় একটি অয়েল ট্যাংকার, ১২ হাজার ৭০০ লিটার চোরাই ডিজেল এবং ডিজেল স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত একটি পাম্প মোটরসহ পাইপ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরঘাট নৌ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে কর্ণফুলী নদীর চট্টগ্রাম বন্দরের ৬ নম্বর ভেসেল পয়েন্ট জেটি সংলগ্ন এলাকায় ওটি ইশরাত নামের একটি অয়েল ট্যাংকারে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ট্যাংকার থেকে ১২ হাজার ৭০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।

ডিজেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ট্যাংকারে থাকা সুপারভাইজার, মাস্টার ও স্টাফসহ ছয়জনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— আরিফুল ইসলাম (৩০), সাইদুল ইসলাম ওরফে ইশাদ (২২), আব্দুল হালিম (৩৫), নুরুল মোস্তফা (২৬), জালাল আহমদ (৬০) ও নুরুল আমিন (৫০)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছেন, বিভিন্ন উৎস থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করা ডিজেল ট্যাংকারে ভর্তি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাবাজার ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে কর্ণফুলী নদী ও আশপাশের ঘাট এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে চোরাই ডিজেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় নৌ পুলিশের এসআই মো. মোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার ছয়জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই জনের বিরুদ্ধে চ বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নৌ পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম ২০১৭ সালের একটি হত্যা মামলার আসামি। এছাড়া আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে ফেনীর ছাগলনাইয়া থানায় দুটি ডাকাতি ও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।