খুঁজুন
, ,

বোয়ালখালীতে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশের দাবি স্বতন্ত্র প্রার্থীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 December, 2021, 7:40 pm
বোয়ালখালীতে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশের দাবি স্বতন্ত্র প্রার্থীর

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় বাধা দেওয়াসহ কর্মীদের পুলিশি হয়রানির অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস প্রতিক) মো.হামিদুল হক মান্নান।
রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজ বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ জানান।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হামিদুল হক মান্নান অভিযোগ করে বলেন, সাদা পোশাকে পুলিশ সার্বক্ষণিক প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর পক্ষে এলাকায় অবস্থান নিয়ে আনারস প্রতিকের কর্মীদের গ্রেফতার ও প্রচার কার্যক্রমে অংশ না নিতে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। ইতিমধ্যে দুইজন কর্মীকে ধরে নিয়ে ডাকাতি মামলায় চালান দেওয়া হয়েছে। গতকাল ২৫ ডিসেম্বর মাইকিং করার সময় মাইকম্যানকে ধরে নিয়ে পটিয়া থানায় সোর্পদ করেছে এবং বিস্ফোরক ও নাশকতা মামলায় তাকে চালান দেওয়া হয়েছে। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান সে। ছেলেটির বিরুদ্ধে অথচ কোনো মামলা ছিলো না। সে একজন ভালো মেধাবী ছাত্র বলে জানি।তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত হুমকি ধমকি প্রদান ও গায়ে পড়ে সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করছে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর লোকজন। আমার ও আমার পরিবারের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর লোকজন সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দফতরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরণের সহিংসতা চান না জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে চেয়ারম্যান হবো না। এলাকাবাসী যে সিদ্ধান্ত দেবে মেনে নেবো। এসময় তিনি নির্বাচনী সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হামিদুল হক মান্নান করলডেঙ্গা ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনি টানা দুইবার এ ইউপিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর আগে তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম বাচা করলডেঙ্গা ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন।

Feb2
Feb2

টাইব্রেকারে জিতে ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মিসর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2026, 5:48 am
টাইব্রেকারে জিতে ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মিসর

১৯৩৪ বিশ্বকাপেই কেবল নকআউটে খেলেছিল মিসর। যদিও ওই আসরই ছিল সরাসরি নকআউট পদ্ধতিতে, যেখানে হাঙ্গেরির কাছে হেরে তাদের যাত্রা শেষ হয়। ৯২ বছর পর চলতি বিশ্বকাপের নকআউটে ‍উঠেই মোহামেদ সালাহ’র দল ইতিহাস গড়েছিল। এবার টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবার শেষ ষোলোয় উঠল মিসর।

অস্ট্রেলিয়া নকআউটে প্রথম জয়ের অপেক্ষায় নেমেছিল টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে। ভাগ্যের ছোঁয়ায় তারা ম্যাচে সমতাও টেনেছিল। ৫৫ মিনিটে ১-১ সমতা হয় স্কোরলাইনে। তবে ৯০ মিনিটের বাকি সময় এবং অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে ১২০ মিনিটেও তাতে আর কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি কেউই। এরপর সকারুজদের হৃদয় ভেঙে মিসর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিলো।

অস্ট্রেলিয়া টাইব্রেকারের শুরুটাই করেছে মিস দিয়ে, হ্যারি শুটারের শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর তাদের চতুর্থ শট নেওয়া লুকাস হেরিংটনও ভুলে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন। বিপরীতে মিসরের পক্ষে শট নেওয়া চারজনই (মাহমুদ সাবের, রামি রাবিয়া, মোহামেদ সালাহ ও আবদেল মাজিদ) জালে জড়িয়েছেন বল। ফলে আর পঞ্চম শট নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। জয় নিশ্চিত হয় ৪-২ ব্যবধানে।

ম্যাচজুড়েই অবশ্য আধিপত্য ছিল মিসরের। ৫৮ শতাংশ পজেশন রাখা সালাহ’র দল ১৪ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে সকারুজদের ১৬ শটের স্রেফ একটি লক্ষ্যে ছিল। এর আগে ম্যাচের ১৩ মিনিটে মিসর লিড পায় ইমান আশুরের দারুণ এক হেডে দেওয়া গোলে। আর ৫৫ মিনিটে মিসরের মোহাম্মদ হানির দেওয়া আত্মঘাতী গোলে অস্ট্রেলিয়া সমতায় ফেরে।

সাতবার আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন হলেও মাত্র চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছে মিসর। এ ছাড়া আগের তিন আসরে তারা কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি। সালাহ’র দল এবার নকআউট নিশ্চিত করে এক জয় ও দুই ড্রতে। শেষ ৩২–এর ম্যাচটিতে চোট থেকে ফিরেও নিজের মতো করে এই লিভারপুল ও মিসরীয় কিংবদন্তি একের পর এক সুযোগ তৈরি করেছেন। আর বাকি সতীর্থরা তার চাপ কমাতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে সম্মিলিতভাবে। আগামী ৭ জুলাই আটালান্টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে নামবে মিসর, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা অথবা কেপ ভার্দে।

এ ছাড়া সালাহ টাইব্রেকারেও গোল করেছেন ঠান্ডা মাথার এক চিপ শটে। পরে গ্যালারিভর্তি দর্শকের সঙ্গে আনন্দের অশ্রুচোখে উল্লাসে মাতেন, আর মাথায় পরেন মিসরীয় ফারাও’র মুকুট। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান শিবিরে রাজ্যের হতাশা। নকআউটে তাদের প্রথম জয়ের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হলো আরও চার বছরের জন্য।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 11:37 pm
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি আজ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ও হাটহাজারীতে দুঃস্থ, অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পৃথক পৃথক এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত চাল এবং তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়া বায়েজিদের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন এবং ৪৪নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। অন্যদিকে, হাটহাজারী গড়দুয়ারা ইউনিয়নে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মাঝে তাৎক্ষণিক নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

ঐসকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের সেবক হিসেবে বিপদে-আপদে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের পরম কর্তব্য। সরকারের এই মানবিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সাময়িক ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার টেকসই বা স্থায়ী অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি তাঁর বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং মানুষের কল্যাণে আত্মনিবেদনের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চেতনাকে অন্তরে ধারণ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি। একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন, মানবিক ও প্রগতিশীল এক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান সুরক্ষিত থাকবে।

সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 8:57 pm
সুখরঞ্জনকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলুর

২০১২ সালে হাইকোর্ট এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সাফাই সাক্ষী দিতে আসা সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের পর গুমের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমান। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আমাদের একটা রিকুইজিশন দিয়েছিল। সেই রিকুইজিশনের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর মামলায় সুখরঞ্জন বালীকে কিডন্যাপের সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত ছিল। গতকাল রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করেছি। ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার সময়ে ফজলুর রহমান ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী সুখরঞ্জন বালী হাইকোর্ট এলাকায় গাড়ি থেকে নামলে তাকে একটা থাপ্পড় মারেন ফজলুর। এরপর শার্টের কলার ধরে তাকে ডিবির গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এই ঘটনায় তিনি ও তার টিম প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।