খুঁজুন
, ,

৮ লাখ ডলারের সমস্যা কীভাবে মেটাবে আফগান দূতাবাস ও তালেবান?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 27 December, 2021, 11:05 am
৮ লাখ ডলারের সমস্যা কীভাবে মেটাবে আফগান দূতাবাস ও তালেবান?

তাজিকিস্তানে আফগানিস্তান দূতাবাসের অ্যাকাউন্টের প্রায় আট লাখ মার্কিন ডলার ফেরত চেয়েছে তালেবান সরকার। কিন্তু, আফগান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জহির আগবার বলে দিয়েছেন—ওই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না। সংবাদমাধ্যম দ্য ফ্রন্টিয়ার পোস্ট ও হিন্দুস্তান টাইমস এ খবর জানিয়েছে।

গত ২৩ ডিসেম্বর এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত জহির আগবার বলেন, ‘তালেবানের অর্থ ফেরত দাবি করার কোনো অধিকার নেই। কারণ, আফগান দূতাবাস ইসলামিক রিপাবলিক অব আফগানিস্তানের একটি সরকারি বিভাগ। এখানে বিভিন্ন পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করা হয়, যে সম্পর্কে তালেবানদের প্রশ্ন করার অধিকার নেই।’

তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবেতে আফগান দূতাবাসে স্থানান্তরিত আট লাখ মার্কিন ডলার নিয়ে বিরোধের তথ্য কাবুল পাজওক সংবাদ সংস্থা প্রকাশ করেছিল। ওই সংস্থার মতে, সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির শাসনের শেষ দিনগুলোতে সাত লাখ ৮৬ হাজার ডলার ‘ভুলবশত’ দুশানবে-তে আফগান দূতাবাসের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছিল। এখন তালেবান ওই অর্থ কাবুলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করে দূতাবাসকে চিঠি পাঠিয়েছে।

পাজওক সংবাদ সংস্থা বলছে, ওই অর্থ ইচ্ছাকৃতভাবে স্থানান্তর করা হয়েছিল এবং পরে দূতাবাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নেওয়া হয়।

আফগান রাষ্ট্রদূত জহির বলেন, ‘প্রথমত, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবানকে স্বীকৃতি দিইনি। অন্যদিকে, আমাদের টাকা ফেরত চাওয়ার তালেবান কে? দুশানবে-তে আফগান দূতাবাস হলো আরেকটি ছোট আফগানিস্তান, যেখানে অনেক লোক বাস করে এবং এখানে কাজ করে। প্রায় ১০ হাজার আফগান দুশানবে-তে বাস করে। তাদের আমরা সাহায্য করতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দূতাবাসের তলোয়ার তালেবানের বিরুদ্ধে ধারাল এবং তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।’

পাজওক বলছে, বিপুল ওই অর্থ দূতাবাসের ব্যয়ে স্থানান্তর করে সাবেক আফগান সরকার। তবে, মুহম্মদ জহির আগবার আফগান সরকারের সাবেক উপপ্রধান আমরুল্লাহ সালেহের পরামর্শে দূতাবাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই অর্থ তুলে নেন।

পাজওক দুশানবে-তে আফগান দূতাবাসে তালেবানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, গত ৩১ জুলাই আফগান অর্থ মন্ত্রণালয়, কূটনীতিক এবং স্থানীয় কর্মীদের বেতন ও স্বাস্থ্য বীমার জন্য ৮৭ হাজার ডলার ছাড়াও ভুলবশত সাত লাখ ৮৫ হাজার ৬২৮ ডলার স্থানান্তর করে।

তালেবান অর্থ মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, অতিরিক্ত অর্থ ‘আফগানিস্তানের রাষ্ট্রীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্থানান্তর করা হোক।’

আফগান দূতাবাসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বরাতে পাজওক লিখেছে, ‘আগের সরকারের শেষ দিনগুলোতে দূতাবাসের বেতন, বীমা এবং পরবর্তী তিন বছরের খরচের জন্য অর্থগুলো তাজিকিস্তানে স্থানান্তর করা হয়েছিল।’

পাজওকের একটি সূত্রের মতে, দুশানবে-তে দূতাবাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে আফগানিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘এটি সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে স্থানান্তরিত সরকারি অর্থ। তাই আজ হোক বা কাল, দূতাবাস সক্রিয় হলে আগবার যেখানেই থাকুন, তাঁকে অর্থ ফিরিয়ে দিতে হবে।’

কাবুলের সংবাদপত্র আরও উল্লেখ করেছে, মুহাম্মদ জহির আগবার হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তালেবানের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আগবার বলেছেন, ‘তালেবান শাসন ও তালেবানের চিঠি আমাদের জন্য আনুষ্ঠানিক নয়। তাজিকিস্তানের আফগান দূতাবাস আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট কার্যত পরিচালনা করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রথম ভাইস-প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুসারে এ দূতাবাস কাজ করে।’

এন-কে

Feb2
Feb2

সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 6:12 pm
সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্গত মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর গ্রহণ এবং ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সমবেদনা জানিয়ে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিনি দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি কামনা করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্গত, অসহায় ও খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের কাছে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু জরুরি খাদ্য সহায়তাই নয়, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া যাদের ফসলের জমি, মাছের ঘের কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বন্যার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও তদারকির জন্য সাতকানিয়ায় এসেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 5:31 pm
আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা ও মূল কাঠামো (প্রিন্সিপাল) নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের সময় ও ধাপ (সিকুয়েন্সিং) সরকারই নির্ধারণ করবে, আর এতে আইএমএফ সম্মত হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা ও মূল ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইএমএফ ধাপে ধাপে কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় কোন সংস্কার কখন বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সরকারই নেবে। এ বিষয়ে আইএমএফ সম্মতি দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের দায়িত্ব ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে আইএমএফ সম্মান করে।

তিনি আরও জানান, দেশের আর্থিক খাতে সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আইএমএফ। বিশেষ করে শেয়ারবাজারের উন্নয়ন এবং কর-জিডিপি (ট্যাক্স-জিডিপি) অনুপাত বৃদ্ধির বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। তবে এসব ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে তারা।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন কর্মসূচির ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলমান থাকবে। আগামী অক্টোবরে ব্যাংককে আইএমএফের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। এ ছাড়া আইএমএফের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরও করবেন বলে জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 4:56 pm
সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’

রোববার (১৩ জুলাই) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে তাদের প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এক সেনা পরিবারে বড় হয়েছি। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে আমার ভীষণ ভালো লাগে। শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে যায়। ’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান। তিনি তাঁদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।