খুঁজুন
, ,

করোনায় নতুন আক্রান্ত ৫৫৭, মৃত্যু একজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 2 January, 2022, 6:26 pm
করোনায় নতুন আক্রান্ত ৫৫৭, মৃত্যু একজনের

দেশে নভেল করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ২৮ হাজার ৭৭ জনে। নতুন করে আরও ৫৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ২৫৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫২টি ল্যাবে ১৯ হাজার ১৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৯ হাজার ১৮৯টি। করোনা শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯১ শতাংশ। এই পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

আজ মৃত্যুবরণকারী একজন নারী। তাঁর বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। তিনি রংপুর বিভাগে এবং সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে এক বছরের ১৮ মার্চ।

এন-কে

Feb2
Feb2

আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 10:14 pm
আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, “আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি। জুলাইয়ের চেতনাকে যেন আমাদের হৃদয়ে ধারণ করতে পারি। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারি—এটাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার।”

বুধবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সচিব ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।

রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ষোল বছর ধরে অসংখ্য মানুষ অক্লান্ত সংগ্রাম করেছেন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। সেই আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে। এটি জাতির ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়, যা বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, আজ দুপুরে একটি অনুষ্ঠানে আমি এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছি। এক মা তার অন্ধ ছেলেকে হাত ধরে মঞ্চে নিয়ে এসেছেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সেই তরুণ তার দুই চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। মা সবার সামনে তাদের দুঃখ-কষ্ট, অভাব-অভিযোগ ও বেদনার কথা তুলে ধরেছেন। জুলাইয়ে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা অঙ্গহানির শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জাতীয় সংসদ ও বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এটি কোনো স্বল্পমেয়াদি দায়িত্ব নয়; বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় অঙ্গীকার।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর যেমন গৌরব ও বিজয়ের দিন, তেমনি ৫ আগস্টও গৌরব ও বিজয়ের দিন হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন ২৬শে মার্চ ও ১৬ই ডিসেম্বর আমরা অর্জন করেছি বিদেশি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে, আর ৫ আগস্ট অর্জিত হয়েছে দেশীয় ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাভূত করার মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পায়নি। ফলে স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল থেকে জনগণ বহুবার বঞ্চিত হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন জাতিকে আর সেই পথে হাঁটতে না হয়, সে জন্য ধৈর্য, সহনশীলতা এবং পরিশীলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রকৃত সংস্কার মানুষের মনোজগতে হতে হবে। মনোজগতের পরিবর্তন না হলে শুধু আইন বা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার ও মেরামতের সূচনা হতে হবে সংবিধান থেকে, যা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল এবং এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই স্বাধীনতার গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে সুসংহত করার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

চিফ হুইপ জুলাই বিপ্লবের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বিগত ‘মাফিয়া’ সরকার দেশের বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করেছে, মানুষের বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার হরণ করেছে এবং ‘আয়নাঘর’, গুম, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকার কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সব হুইপ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই সনদ শতভাগ বাস্তবায়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর: ব্যারিস্টার মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 8:23 pm
জুলাই সনদ শতভাগ বাস্তবায়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর: ব্যারিস্টার মীর হেলাল

ভুমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জনসম্মুখে যে জুলাই সনদ সাক্ষরিত হয়ছে সেটা শতভাগ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট এর বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে ছাত্রদলের ভুমিকা ও জুলাই – আগষ্ট আন্দোলনে অবদান কে তুলে ধরে প্রশংসা করেন।আজ ৫ই আগষ্ট চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, ৫ই আগষ্ঠ এর মুল চেতনা হল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মান করা এবং গত ফ্যাসিস্ট এর করা অপশাসন হতে বাংলাদেশকে মুক্ত করা। জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে ছাত্রদল মুখ্য ভুমিকা পালন করেন এবং ছাত্রদলে ১৪২ নেতাকর্মী শহিদ হন। ১৬ জুলাই ২০২৪ সালে মুরাদপুরে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ওয়াসিম আকরাম ছাত্রদল পরিচয় ধারন করে শহীদ হোন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ্ বলেন জুলাই আন্দোলনে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে চট্টগ্রামে ছাত্রদল কে দিয়ে আন্দোলন চলমান রাখতে সার্বক্ষনিক তদারকিতে ছিলাম এবং সব সময় ছাত্রদল মাঠে ছিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন,শহীদ ওয়াসিম সহ যারা বিগত আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন তাদের প্রত্যেককে যথাযথ সম্মানের সহিত প্রতিটি রাষ্ট্রীয় পোগ্রাম গুলোতে ছবি সহকারে নাল উল্লেখ করে উপস্থাপন করার জোর দাবি জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসরাফিল খসরু বলেন,যে বৈষম্য দুর করার জন্য জুলাই – আগষ্ট ছাত্র জনতার সমন্বয়ে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে ৫ আগষ্ট পরিবর্তী সময়ে ছাত্রদলই সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হয়ছে।সে বৈষম্য দুর করার জন্য ছাত্রদলকে সজাগ থাকার পাশাপাশি ভুমিকা পালন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আল ফোরকান বলেন, জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ছাত্রদল ভুমিকা রাখার কারণে আন্দোলন দিন দিন তীব্র হয় এবং ৫ ই আগষ্ট হাসিনার পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন এর সঞ্চালনায় আর ও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন, যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তানভীর, শহিদুল ইসলাম সুমন, খন্দকার রাজিবুল হক বাপ্পী, মোহাম্মদ আনাছ, নুর জাফর নাঈম রাহুল, সদস্য ইমরান হোসেন বাপ্পী, আল মামুন সাদ্দাম, কামরুল হাসান আকাশ, আব্বাস উদ্দিন সহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই-আগস্টের শহীদরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 7:37 pm
জুলাই-আগস্টের শহীদরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে: মেয়র

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জুলাই-আগস্টের শহীদরা জাতির গৌরব ও প্রেরণার প্রতীক। তাঁদের আত্মত্যাগের ইতিহাস চিরকাল জাতিকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নগরীর নিউ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মেয়রের সাথে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনসহ চসিকের বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জুলাই-আগস্টের শহীদরা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে চেতনা ও আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা আগামী প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তাঁদের আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা সম্ভব। আমাদের শপথ হতে হবে, জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ সবার আগে বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নের পথে শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেয়। একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

মেয়র আরো বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের আন্দোলন ছিল না; এটি ছিল ছাত্র, শ্রমিক, রাজনৈতিক কর্মী, সুশীল সমাজ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ফল। তাই এ আন্দোলনকে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিতে মূল্যায়ন না করে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা এই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন মাত্রা লাভ করে। বিএনপিসহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বছরের পর বছর আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা, কারাবরণ ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে রাজপথে ছিলেন। চট্টগ্রামেও বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল, জাসাস এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন। অতীতের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের মানুষ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ত্যাগের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি নানা প্রতিকূলতা, মামলা ও জেলের মুখোমুখি হয়েও দেশের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার থেকে সরে আসেননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই আন্দোলনের পক্ষে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে ভূমিকা রেখেছেন।

মেয়র জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহত চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সদস্য শহীদ ওয়াসিম আকরাম, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, রাব্বি, ফারুক, তানভীরসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি সমাজের সকল স্তরের মানুষকে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে এই আন্দোলনকে ‘আমার আন্দোলন’ নয়, ‘আমাদের আন্দোলন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি। জাতীয় ঐক্য অটুট রেখে বিভেদ নয়, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগকে সার্থক করে তুলি।