খুঁজুন
, ,

তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রাণপুরুষ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 20 November, 2019, 5:18 pm
তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রাণপুরুষ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রাণপুরুষ, তৃণমূল রাজনীতির ধারক বাহক, এই দেশ মা, মাটি ও মানুষের সন্তান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্যাতিত জননেতা দেশনায়ক তারেক রহমানের ৫৫তম জন্মদিন আজ।

এমন এক সময়ে আজ আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করছি যখন দেশে গণতন্ত্রের লেবাচে একদলীয় বাকশালী শাসন চলছে। গুম, খুন, অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

মিথ্যা মামলায় সাজানো রায় দিয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে রেখেছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করে গোটা দেশকে জেলা খানায় পরিণত করেছে এই সরকার। বাক ও ব্যক্তির স্বাধীনতা হরণ করে অঘোষিত বাকশালী কায়দায় দেশ চলছে। আওয়ামীলীগের লুটপাটের কারণে ধ্বংসের মুখে দেশের অর্থনীতি।

তিনি আরো বলেন, তারেক রহমান এমনই একজন নেতা যার বহুমুখি প্রতিভায় দেশের জনগণের কাছে অতি প্রিয়। বিএনপিসহ সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা। জনগণকে আপন করে নেয়ার যাদুকরী ক্যারিষমেটিক নেতৃত্ব মার্জিত ব্যবহারের কারণে আর এসব গুণাবলী তাকে বিষ্ময়কর জনপ্রিয়তার অধিকারী করে তুলে।

তারেক রহমান এদেশের মা, মাটি ও মানুষের সন্তান। এই দেশের মা, মাটি ও মানুষকে কেন্দ্র করেই তার সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ ধরেই শহর কেন্দ্রিক রাজনীতিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছিলেন হাটে, মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে। এই কারণেই তৃণমূল রাজনীতির প্রাণপুরুষ হয়ে উঠেন তারেক রহমান।

তারেক রহমান রাজনীতিতে এসে বুঝতে পেরেছিলেন দেশের উন্নয়ন চাইলে গ্রামে-গঞ্জের উন্নয়ন করতে হবে। তাই তিনি পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করেই গ্রাম-গঞ্জের পথে-প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তিনি গ্রাম অঞ্চলের কৃষক-মজুর-খেটে খাওয়া গরীব-দু:খী মানুষের কাছে গরীব দু:খী মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সুখ-দু:খ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। দু:খী মানুষের কাছে দাঁড়িয়েছেন।

তারেক রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরী করতে তৃণমূল ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন করেছিলেন। এসব সম্মেলনে কর্মীরা দলীয় রাজনীতি ও সংগঠন সম্পর্কে মন খুলে কথা বলেছিলেন। এ সভাগুলোতে তারেক রহমান মূলত দলের গঠনতন্ত্র, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যত পরিকল্পন নিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে দীর্ঘ মতবিনিময় করেছেন।

কিন্তু তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার পর তার জনপ্রিয়তা ও জাতীয়তাবাদী শক্তির জাগরণে বিএনপি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২০০৭ সালের ১/১১ সৃষ্টি হয় এবং তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে অমানষিক নির্যাতন করা হয়।

তিনি আজ ২০ নভেম্বর বুধবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাব’র সার্বিক সহযোগিতায় ২০ নং দেওয়ানবাজার ওয়ার্ডের বলুয়ার দীঘির উত্তর পাড়ের মাঠে তারেক রহমানের ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের তারুন্যের রাজনীতির আইডল। বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের নাগপাশ ছিন্ন করে তিনি রাজনীতির নতুন আলোর দিশা ছাড়িয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। যিনি স্বপ্ন দেখান তাঁর জাতিকে, স্বপ্ন দেখান বাংলাদেশকে। যিনি স্বপ্ন দেখেন তাঁর জাতির মুক্তির। তাই তো দৃপ্ত শপথে তাঁর সাহসী উচ্চারণ-“যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমিই বাংলাদেশ”

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই নব জাগরণের সৃষ্টি হয়েছে বিএনপিতে। আজ দেশে জালিমের শাসন বিদ্যমান। অচিরেই জালিমের দু:শাসনের কবল থেকে দেশ ও দেশের মানুষ মুক্তি পাবে এবং তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।

২০ নং দেওয়ানবাজার ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সাব্বির আহমদের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক জাহেদুল করিম কচি, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বক্স, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, সম্পাদক মাঈন উদ্দিন মো. শহীদ, ডা. সরওয়ার আলম, সহ সম্পাদক একে এম পেয়ারু, সালাহ উদ্দিন কায়সার লাবু, মো. ইদ্রিস আলী, সালাহ উদ্দিন লাতু, ডা. লুসি খান, ডা. শাকিরুর রশিদ, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর বিএনপির সদস্য ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, আলী ইউসুফ, নূর আহমদ পিন্টু, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আকতার খান, নবাব খান, আবদুল্লা আল ছগির।

বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পে ডাক্তারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. দাউদ সিদ্দিকী, ডা. ইফতেখার রিজবী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. রিতু বড়–য়া, ডা. সায়েম, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ফারহাদ তালেব, ডা. আনোয়ার হোসেন. ডা. ইমরান সোহেল, ডা. ফাজলে রাব্বি, এম এ রাজ্জাক, এফ এ রুমি।

ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামাল আহমদ, আবুল কালাম, লেয়াকত আলী, আবুল মনসুর, এম এ হাসেম, আলাউদ্দিন, আশু, হারুন, জুয়েল, হামিদ, নূর হোসেন নুরু প্রমুখ।

Feb2
Feb2

ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:09 pm
ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র

সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ঢাকায় অবস্থিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন। তাদের সম্মিলিত উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে এক হাজার বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রোববার আয়োজিত এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় মেয়র বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা। সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। এমন সময় ওআইসি সদস্য দেশগুলোর এই আন্তরিক সহযোগিতা দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময়ই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর এই সহমর্মিতা শুধু ত্রাণ সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সংহতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, পানি নিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশি বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ দুর্যোগ মোকাবিলাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ঢাকাস্থ দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা বলেন, মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ওআইসি সদস্য দেশগুলোর অন্যতম অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি এই সহায়তা সেই অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।

ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর ঢাকাস্থ দূতাবাস ও হাইকমিশনের সম্মিলিত উদ্যোগে পরিচালিত এই ত্রাণ কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রতিনিধি ড. খালেদ আবুশাউইশ (Dr. Khaled Abushawish) এবং ড. আবদেলরহমান আলসোরাদি (Dr. Abdelrahman Alsoradi), চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা সহ ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:00 pm
পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পতেঙ্গা থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে নগরীর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের কাটঘর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

এ সময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অসহায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে। বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তাই দল-মত নির্বিশেষে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

তিনি এই মানবিক উদ্যোগ সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করা দলীয় নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানান এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুল হক, পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, পতেঙ্গা হালিশহর শ্রমিক দলের সভাপতি আবু জাফর, ৪০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হারুন কোম্পানি, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মো. লোকমান, সদস্য সচিব মনজুর কাদেরসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানবতার সেবায় মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 8:39 pm
মানবতার সেবায় মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান

সাম্প্রতিক অতিভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নগর বিএনপির ত্রাণ কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক নাজিমুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। আমি মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক অসহায়, দুস্থ ও বন্যাকবলিত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। অনেক পরিবার আজ কর্মহীন ও খাদ্যসংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের কষ্ট লাঘবে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জরুরি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব। মানবিক এই উদ্যোগে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এলে ইনশাআল্লাহ আমরা আরও বেশি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব।

সভায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য গঠিত ত্রাণ তহবিলে নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এসময় ৫০ লাখ টাকার ত্রাণ তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ অবস্থান থেকে ত্রাণ সংগ্রহ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করবেন। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ত্রাণ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক অনুদান গ্রহণ করবেন এবং তা দ্রুত বন্যাদুর্গত ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মুবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু ও আহামেদুল আলম রাসেলসহ মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক এই কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।