খুঁজুন
, ,

শীতের প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 21 November, 2019, 10:47 am
শীতের প্রস্তুতি

শরৎ প্রায় শেষ। শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে ভোরের বাতাস। ভোরে ঠান্ডা শীতল বাতাসের সঙ্গে ঘাসের ডগায় জমছে শিশির বিন্দু। পথপ্রান্তর আর রাজপথে উড়ছে ধুলোবালি। ফসলের মাঠে শীতের সবুজ শাক সবজির চারা বেড়ে উঠছে তর তর করে। এসবই প্রকৃতির শীতের আয়োজন। কিন্তু শহর বন্দর নগরবাসীর শীতের আয়োজন বা প্রস্তুতি কতটুকু? এই পরিবর্তিত আবহাওয়া মোকাবেলা করার জন্য আমাদের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত তাই উঠে এসেছে এবারের ফ্যামিলি নিড বিভাগে।

চাঁদর শাল আর সোয়েটার প্রসঙ্গ

মহিলাদের শীতের পোশাক তুলনামূলক ভাবে ঢাকায় বেশি পাওয়া যায়। শীতে শাল, সোয়েটার, হুডি, কার্ডিগান ও নরমাল চাদর এ দেশের মহিলারা বেশি ব্যবহার করেন। বাংলাদেশের নারীদের ঐতিহ্য গত একটি শীতের পোশাক চাঁদর। এখনও সেই চাঁদর ঐতিহ্য বহাল রয়েছে। এখন সেই চাদরের সাথে সাথে শাল পরেন অনেকে। আগে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বেশির ভাগ চাদর আসত। এখন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মানসম্পন্ন শাল তৈরি করছে তার মধ্যে রয়েছে আড়ং, দেশি দশ। শীত জেকে বসার আগেই আপনার পছন্দের শালটি কিনে নিতে পারেন।

যা করা জরুরি

সেপ্টেম্বর শেষে অক্টোবরের শুরুতে ভোরে উত্তরদিক থেকে বয়ে চলা ঠান্ডা বাতাস শরীরে আছড়ে পড়ার পর যেন অন্যরকম অনুভ‚তি হয়। এই শীতল বাতাস বেশিক্ষণ গায়ে লাগার পর আচমকা সর্দিকাঁশি অথবা জ্বর হতে পারে। বিশেষ করে নবজাতক, শিশু কিশোরদের সমস্যা বেশি হয়। তাই এই সময় পাতলা চাঁদর, পাতলা কাঁথা অথবা কুইল্ট ব্যবহার করতে পারেন সকালবেলা। শীত জেঁকে বসার আগে তুলে রাখা লেপ, কাথা, কম্বল, কুইল্ট, কম্ফোটার, চাদর, জ্যাকেট, মাফলার, সোয়েটার, ফুলশীভ গেঞ্জি, শাল বের করে অন্তত দুইবার রোদে দিন। বিশেষ করে শিশুদের শীতের কাপড় খুব ভালোভাবে এপাশ ওপাশ উল্টিয়ে রোদে দিয়ে জার্ম ফ্রি করে নিন। শীত শেষে শীতের কাপড় তুলে রাখার পর আলমারি, ওয়্যারড্রপ বাক্সে ছোট ছোট ধুলিকনা থেকে এক ধরনের অতিক্ষুদ্র কিট তৈরি হয়। এই কিটসহ জামা, কাপড়, লেপ, কম্বল, চাঁদর পরলে তা নাকে প্রবেশ করে এলার্জি তৈরি করে শরীরে। সঙ্গে সঙ্গে হাঁচিকাশি শুরু হয়। অনেকের এই হাঁচিকাশি পুরো শীতকাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তা থেকে গলা ব্যথা, বুকে কফ জমে সৃষ্টি হয় শ্বাসকষ্ট। এই শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু হয় অ্যাজমা সমস্যা। তাই এখনই পুরনো কাপড় মচমচে করে রোদে শুকিয়ে অথবা ধুইয়ে সম্ভব হলে ইস্ত্রি করে পড়া উচিত। নতুন কেনা কোনো শীতের কাপড়ের বেলায় একই ধরনের নিয়ম অনুসরণ করা উচিত। গত শীতের পর আপনি শীতের কাপড় যদি কোনো লন্ড্রি বা ড্রাইওয়াশে দিয়ে থাকেন তবে মনে করে এখনই তা তুলে আনুন।

লেপ কম্বল কেনার এই তো সময়

শীত জেকে বসার আগেই খোঁজ করুন ভালো আরামদায়ক কম্বল, কুইল্ট, কম্ফোটার বা লেপের। রাজধানীর বড় বড় সুপার মার্কেট, সুপারসপে ইতিমধ্যে শীতের পণ্য সাজিয়ে বসেছে দোকানীরা। আপনি দেখে শুনে দরদাম করে ভালো মানের পণ্যটি বেছে নিন। শীতের শুরুতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন হালকা কুইল্ট। অনেকটা মোটা চাঁদরের মতো সেলাই করা এই কুইল্ট বেশির ভাগ আমদানী করা। ইদানিং আমাদের দেশেও তৈরি হচ্ছে এই কুইল্ট। আমাদের দেশে শীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় লেপ। শিমুল তুলা বা কৃত্তিম তুলার লেপ রেডিমেট পাওয়া যায়। তবে শৌখিন মানুষেরা শিমুল তুলা দিয়ে লেপ বানিয়ে শীতে ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। ইদানিং শহরে লেপের প্রচলন অনেকটা কমে এসেছে। এখন অনেকের পছন্দ শীতে কম্বল মুরি দিয়ে ঘুমানো। তুলতুলে নানা রঙের কম্বল দেখতেও চমৎকার। কম্বল পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করা। কোনো কম্বল সিঙ্গেল কোনোটা আবার ডাবল। কোয়ালিটি ভেদে এর দাম নির্ধারিত হয়। ভালো সিঙ্গেল একটি কম্বল ২ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। ডাবল ভালো মানের একটি কম্বল পাওয়া যায় ৩ তাজার ৫’শ থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে। একটি কুইল্ট বা কম্পোটার পাওয়া যায় ২ থেকে ৪ হাজারের মধ্যে। লেপ সাধারণত রেডিমেট কেনার চাইতে তৈরি করে নেয়াই ভালো। শিমুল তুলার একটি ডাবল মাপের ভালো লেপের খরচ পড়বে কাপড় মুজুরীসহ ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা।

শিশুদের শীতের পোশাক

শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। তাই ঋতু পরিবর্তন হয়ে শীতের আগমনে শিশুদের শীতজনিত নানা রোগ দেখা দেয়। এ থেকে রেহাই পেতে প্রয়োজন সচেতনতা। শীত আসার সাথে সাথে

পোশাক পরিধানে অভিভাবকদের যত্নবান হওয়া উচিৎ। রাতে পায়জামা ফুলশীভ মোটা কাপড়ে শার্ট পরে ঘুমানো উচিৎ। শিশুদের জন্য আলাদা লেপ, কুইল্ট ও ছোট কম্বল পাওয়া যায় ইচ্ছে করলে ব্যবহার করতে পারেন। শীতের সময় শিশুদেরকে গরম কাপড়ে জড়িয়ে রাখা জরুরি। যেমন পা মোজা, মাথায় টুপি বা হ্যাট, গায়ে সোয়েটার এবং ফ্যালালীন বা পশমী কাপড়ের প্যান্ট বা ট্রাউজার পরতে দেয়া উচিৎ। শীতের সময় সকালে শিশু স্কুলে যাওয়ার সময় তার নাকে মেডিকেডেট মাস্ক, স্কুলের সোয়েটারের উপর একটি জ্যাকেট এবং মাথায় টুপি বা হ্যাট পরানো উচিৎ। কারণ শীতের সময় প্রচুর ধুলোবালি বাতাসে উড়ে বেড়ায়। রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে শিশুদের প্রচুর শীতের পোশাকের ভালো ভালো আউটলেট রয়েছে। যেমন আর্টিসান, বেবিসপ এবং দেশি দশের আউটলেট। এসব আউটলেটে শিশুদের মানসম্পন্ন সোয়েটার, জ্যাকেট, মোটা পশমী কাপড়ের শার্ট প্যান্ট, ট্রাউজার, মোজা, টুপি, হ্যাট পাওয়া যায়। এ ছাড়াও আছে ফুলশীভ গেঞ্জি, হাত মোজা এবং হুডি। আছে বিভিন্ন ধরনের হাফ সোয়েটার ও শার্ট। এই পোশাকগুলোর বেশির ভাগ এক্সপোর্ট কোয়ালিটি তাই দাম একটু বেশি।

জ্যাকেট মাফলার হুডি ও টুপি

একটা সময় শুধু ছেলেরা শীতে জ্যাকেট পরতো। এখন ছেলে- মেয়ে, শিশু কিশোর কিশোরী সবার জন্যই জ্যাকেট তৈরি হয়। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের জ্যাকেট তৈরি করে থাকে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যেমন ক্যাটস আই, ইনফিনিটি, আর্টিসান। শিশুদের জন্য ভালো মানের জ্যাকেট তৈরি করে বেবী সপ। সুতি, আর্টিফিসিয়াল বিভিন্ন ধরনের জ্যাকেট কিনতে পারেন এবারের শীতে। তুলনামূলকভাবে দেশে তৈরি জ্যাকেট দামে সস্তা। জ্যাকেটের সাথে সাথে ছেলেদের হুডি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গত কয়েক বছর ধরে।

কী খাবেন

শীতে প্রচুর ভিটামিন সি জাতীয় ফল ও সবজি খেতে হবে। এতে কোল্ড অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। গরম খাবার হিসেবে হালকা লিকারের লেবু চা কিংবা ঘরে তৈরি ভেজিটেবল স্যুপ খেতে পারেন। এছাড়াও মৌসুমের শাকসবজি খেতে হবে। গাজর এবং টমেটো ভালো করে ধুয়ে কাঁচা খেতে হবে। অ্যান্টি অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার ত্বক ভালো রাখে।

শীতকালে অনেকেই পানি কম খান। ত্বক ভালো রাখতে প্রচুর পানি খেতে হবে। সঙ্গে খাবার তালিকায় প্রোটিন এবং ফ্যাটও রাখা জরুরি।

জুতো

জুতোর দিকে নজর দিন। হাই বুটস না হলেও অ্যাঙ্কেল বুটস পরতে পারেন। না হলে এখন নানা স্টাইলের ফ্যাশনেবল স্নিকার্স পেয়ে যাবেন। কোনোটা আবার বুটসের মতোই দেখতে। এই শীতে পোশাকের সঙ্গে ব্লক হিলসও পরতে পারেন। আবার পা ফাটার সমস্যা যাদের বেশি তারা নানা রকম কিউট মোজা পরতে পারেন।

ত্বক-চুলের যত্ন

শীতকালে ত্বক আর্দ্রতা হারায়। ঘরের ভেতর ও বাইরের তাপমাত্রায় যেহেতু একটা পার্থক্য দেখা যায়, তাই ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই শুকনো হাওয়ায় ত্বক ফাটতে শুরু করে। তাই দিনে তিন-চারবার ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না। মুখ ধোয়ার পর মুখে ভেজা ভাব থাকা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার লাগান। শীতকালে শরীরের অয়েল গ্রান্ড থেকে তেল কম নিঃসৃত হয় বলে হাত-পায়ের ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়। গোসলের সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে গোসল করবেন না কিংবা গোসলে গরম পানি ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলো ত্বকের শুষ্কতা আরো বাড়িয়ে তোলে।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ময়েশ্চারাইজার মেখে ঘুমান। মনে রাখতে হবে, ত্বক একেবারে শুকিয়ে নিয়ে তারপর ময়েশ্চারাইজার মাখলে কাজ হবে না। ত্বকে ভেজা ভাব থাকতেই ময়েশ্চারাইজার মাখতে হবে। ত্বকের শুষ্কভাব দূর করতে গ্লিসারিন কিংবা অলিভ অয়েল নিয়মিত মাখতে পারেন। গ্লিসারিন হলো সবচেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার। একভাগ গ্লিসারিনের সাথে দুভাগ পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন। গ্লিসারিনের আঠা-আঠা ভাবটা দূর করার জন্য গ্লিসারিন মাখার পর একটা ভিজে তোয়ালে বা কাপড় হালকা করে ত্বকে চেপে ধরলে আঠাভাব চলে যাবে। মাঝে মাঝে ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করাতে পারেন। শীতে চুলের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। আগা ফাটা, নির্জীব হয়ে যাওয়া, গ্রোথ কমে যাওয়া, খুশকি ও চুল পড়া শীতকালে বেড়ে যায়। তাই চুলে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে দুইবারের বেশি শ্যাম্পু না করাই ভালো। চুলে ময়েশ্চারাইজার বজায় রাখার জন্য ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

ঘরের প্রস্তুতি

শীতে ঘরের মেঝে যেহেতু ঠাণ্ডা থাকে তাই মেঝেতে ব্যবহার করতে পারেন শতরঞ্জি, ফ্লোর ম্যাট কিংবা মাদুর। কার্পেটে ধুলা আটকে যায় তাই কার্পেট ব্যবহার না করাই ভালো। যাদের ধুলা-বালিতে অ্যালার্জি আছে তাদের কার্পেটে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ঘরের জানালায় ভারি পর্দা ব্যবহার করতে পারেন এই সময়টাতে। তবে ঘরের যে জানালা দিয়ে রোদ আসে, ঘরে রোদ ঢোকার জন্য সেই জানালার পর্দা সরিয়ে রাখুন। রুম হিটার, ওয়াটার হিটার, গিজার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি ঠিক আছে কিনা দেখে নিন। নষ্ট হয়ে থাকলে এখনই সারিয়ে ফেলুন সেগুলো।

বাগানের যত্ন

শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে শীতে ত্বকের মতোই বারান্দার বা বাগানের গাছগুলোও মলিন হয়ে যায়। তাই এইসময়ে গাছেরও বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। খেয়াল রাখুন যেন প্রতিদিন সকালের হালকা রোদ পায় গাছগুলো। প্রতিদিন টবের মাটির দিকে খেয়াল রাখুন। মাটি শুকিয়ে গেলেই পানি দিন। তবে অতিরিক্ত পানি দেয়া যাবে না। আর খুব বেশি কুয়াশা কিংবা ঠাণ্ডা পরলে গাছগুলোকে রাতের বেলা ঘরে ঢুকিয়ে রাখুন। দিনের বেলা রোদ উঠলে আবার বারান্দায় দিয়ে দিন।

শীতে প্রচুর ধুলা থাকে বাতাসে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন গাছের পাতা ধুয়ে দিন এবং পাতায় পানি স্প্রে করুন। অনেক গাছেরই পাতা ঝরে যায় এই সময়ে। কিন্তু গাছ কিন্তু বেঁচে থাকে। তাই পানি দেওয়া বন্ধ করা যাবেনা পাতা ঝরে গেলেও।

 

Feb2
Feb2

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 20 July, 2026, 10:04 pm
রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে

যুগপৎ আন্দোলনের দল ও জোটদের নিয়ে ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে শরিকদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জোট শরিকদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, স্বাক্ষর করেছে, তাও অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও যুগপৎ সঙ্গীদের নিয়ে করবে কি না, জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের যে আইন হয়েছে, তাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই। ফলে আমার মনে হয়- এটা নিয়ে এখন আলোচনা না করলেও পারি। তবে, প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা পারস্পরিক আলোচনা ভিত্তিতে করবো।

গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলাম ঐক্যজোটসহ ৪১টি দলের নেতারা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ২০২৪ সালে জুলাই মাসের একটি রক্তক্ষয়ী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদ হাসিনা সরকারকে সরিয়ে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করবার সুযোগ পেয়েছি। আমরা আন্তরিকভাবে সেই সব শহীদদের স্মরণ করতে চাই, যারা তাদের জীবন দিয়ে, আহত হয়ে, চোখ হারিয়ে যারা আমাদের জন্য এই নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আজকে প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে যারা ছিলেন, যারা একসাথে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর, তাদের নেতৃবৃন্দকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন, আজকে কথা বলার জন্য- তাদের একসাথে একটু সামান্য কিছু ডাল-ভাত খাওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। আমরা কেউ কারাগারে গেছি, কেউ মামলার মধ্যে পড়েছি, কেউ গুম হয়েছে, খুন হয়েছে—এরকম অনেকেই আছে।

ফখরুল বলেন, আজকে একটি আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তাদের সবার সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখা করেছেন, প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমাদের অনেকগুলো রাজনৈতিক দল তারা কথা বলেছেন। সবাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের সরকার যে শুরুটা তার অত্যন্ত প্রশংসা করেছেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন যে, এই ৫ মাসের মধ্যে সম্ভব হয়নি বিভিন্ন কাজের তাড়াহুড়ার জন্য বা কাজের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সব দলগুলোর সঙ্গে কথা বলার। কিন্তু এর মধ্যে সরকার যে কাজগুলো করেছে, সেগুলো ছিল জনগণের একদম কাছাকাছি যাওয়ার কাজ। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, সরকারকে গুছিয়ে জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার কাজটা তিনি শুরু করেছেন। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, একটা ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে কিন্তু কাজ শুরু করেছি। একেবারেই অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, লুট করে নিয়ে গেছে সব ব্যাংক, সব জায়গায় একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল তারা, সব প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে ফেলেছিল। সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার প্রধানমন্ত্রী গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করেছেন। এ কথাগুলোই আজকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলেছেন।

তিনি বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, তিনি এরপরে প্রায়শই অর্থাৎ যতটা দ্রুত সম্ভব হবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসবেন। রাজনৈতিক দলগুলো আবারও কাজ করবে একসঙ্গে। সবচেয়ে বড় জিনিস তিনি বলেছেন, যে ৩১ দফা কর্মসূচি আমরা একসঙ্গে দিয়েছিলাম, সেই ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। তিনি এটাও আবারও বলেছেন যে, জুলাই সনদ-যেটা আমরা সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছি, সেই জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের ৫ মাস পরে একটা বড় ঘটনা, প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের সবার সঙ্গে একসঙ্গে বসেছেন, কথা বলছেন এবং ভবিষ্যতের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদ ছিলেন সাহস ও দেশপ্রেমের প্রতীক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 20 July, 2026, 9:50 pm
ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদ ছিলেন সাহস ও দেশপ্রেমের প্রতীক

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদ ছিলেন সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতীক। জুলাই গণ আন্দোলনের সকল শহীদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের রক্তের ঋণ শোধ করার একমাত্র উপায় হলো ন্যায়, সাম্য, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তাই শহীদদের স্মৃতি শুধু স্মরণে রাখলেই হবে না, তাদের আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ইতিহাস বিকৃতির কোনো সুযোগ নেই। আগামী প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে, যাতে তারা দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারে।

তিনি সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম ও শহীদ আবু সাঈদ সহ সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ সাবেক ছাত্রদল ফোরামের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, এতিমদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।

অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং এরপর এতিম শিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। এই আয়োজন শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ও মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলম।

অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব কোন একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠির নয়। এই আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন অভ্যুত্থান নয়, বরং এটি গত ১৬ বছরের লাগাতার আন্দোলনের ফল। এ আন্দোলনে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেছে। সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরাই। এটি বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ত্যাগ ও সংগ্রামের দীর্ঘ পথচলারই ফসল।

মেয়র বলেন, ওয়াসিম আকরামসহ সকল শহীদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে পারে না। তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখি, তা পূরণ করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। তাদের এই আত্মদান আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, যা ভবিষ্যতেও দেশপ্রেম ও জনগণের অধিকার আদায়ে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, শহীদদের পরিবার এবং দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আজকের এই দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি সেই দায়িত্বেরই অংশ। আমরা চাই, আমাদের তরুণ প্রজন্ম শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস জানুক এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হোক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং ছাত্রদল নেতা। তিনি সরকারি চাকরিপ্রার্থী হিসেবে আন্দোলন করেনি। বরং ফ্যাসিবাদের পতন ঘটাতেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তার অংশগ্রহণের ইতিহাস সুদীর্ঘ।

আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম নিজের রক্ত দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস লিখে গেছেন। যত দিন দেশের মানুষের মননে গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত থাকবে, শহীদ ওয়াসিম আকরাম তত দিন অমর হয়ে থাকবেন।

আবুল হাশেম বক্কর শহীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আবু বক্কর সিকদার ও মহসিন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ইয়াকুব আলী সিফাতের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এস কে খোদা তোতন, আহবায়ক কমিটির সদস্য এস. এম আবুল ফয়েজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, খোরশেদুল আলম, সৈয়দ শিহাব উদ্দীন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. জাফর আহম্মদ, মোহাম্মদ আজম, কেন্দ্রীয় মহিলাদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন নাহিদ, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নুর হোসেন, জসিম উদ্দিন জিয়া, মো. শফি, সাবেক ছাত্রদল নেতা আলিফ উদ্দিন রুবেল, সামিয়াত আমিন জিসান, জহির উদ্দিন বাবর, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদল নেতা এড. জসিম উদ্দিন হিমেল, আমজাদ হোসেন শাকিল, রেজাউল করিম, মো. ইউনুস, দিদারুল আলম, ঈমাম হোসেন আবির, বোরহানুল হক, মন্জুরুল আলম, মো. শোয়াইব, নুরুন্নবী বাদশা, মোজাম্মেল হক, মো. জাহেদ প্রমুখ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 20 July, 2026, 9:41 pm
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব: এরশাদ উল্লাহ

চট্টগ্রাম ৮ আসনের এমপি ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এ্যাব চট্টগ্রাম নেতৃবৃন্দ অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে এসেছেন। কেউ যেন খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যে বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আজ ২০ জুলাই সোমবার বিকেলে এ্যাব চট্টগ্রামের উদ্যোগে ৩ নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের চালিতাতলী ও ওয়াজেদিয়ার বিগত টানা বর্ষনে জলাবদ্ধ এলাকায় উপহার সামগ্রী বিতরণ কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন,”দুর্যোগ সাময়িক, কিন্তু আমাদের মানবিকতা স্থায়ী। আমরা জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্হাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম বলেন, এ্যাব চট্টগ্রাম নেতৃবৃন্দ অতীতের ন্যায় আপনাদের দুর্দিনে পাশে আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আজকের এই ত্রাণসামগ্রী হয়তো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সব কষ্ট দূর করতে পারবে না, তবে তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজনে সব সময় পাশে আছে। আসুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহবানে আমরা সবাই মিলে মানবতার সেবায় এগিয়ে আসি এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াই।

এ্যাব চট্টগ্রামের উপহার সামগ্রী ২০০ পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয় যার পরিমাণ ১ টন ৬০০ শত কেজি। ৩ নং ওয়ার্ডের চালিতাতলী দারোগা বাপের বাড়ী এবং ওয়াজদিয়া বোর্ড অফিস এলাকায় এসব উপহার দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি ও এ্যাব চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম এর সভাপতিত্বে ও আইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সন্মানি সম্পাদক প্রকৌশলী খান মোঃ আমিনুর রহমান সুমনের পরিচালনায় উপহার সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরাম পিআরইউ’র আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল চট্টগ্রামের ব্যুরো চীফ হাসান মুকুল, বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কমিটি’র সদস্য মোহাম্মদ ইউসুফ, চুয়েট ছাত্রদলের সাবেক ভিপি প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী রাশেদ আলম, প্রকৌশলী রফিকুন নবী, প্রকৌশলী কামরুল হাসান, প্রকৌশলী আবুল বাশার, প্রকৌশলী ইমাদুল হক শাহিন, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, প্রকৌশলী শাহীন, পিআরইউ’র সদস্য লেখক জহিরুল ইসলাম জহির, বিএনপি’র নেতা মোহাম্মদ ইসমাইল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, ২ নং জালালাবাদ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাভেদ ওমর, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহি রুবেল, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রদল নেতা মোঃ জাহেদ হোসেন ইফতি‌, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল থানার সাধারণ সম্পাদিকা মিসেস নাসিম আলম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।