খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সে দেশ বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। এ ছাড়া দেশটিতে ‘ভুয়া’ প্রতিবেদন ছড়ানোকে অপরাধ গণ্য করে একটি আইন পাস করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটারসহ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, মার্কিন গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা, রেডিও ফ্রি ইউরোপ/রেডিও লিবার্টি, জার্মান ডয়েসে ভেলে, এবং লাটভিয়া ভিত্তিক ওয়েবসাইট মেডুজাকে রাশিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রাশিয়ার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ রোসকমনাদজর গতকাল শুক্রবার জানায়, তারা প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়ের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টুইটার ও ফেসবুক বন্ধ করেছে। এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি টুইটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল—টুইটার রুশ সরকারের নিষিদ্ধ করা কনটেন্ট মুছে ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যজুড়ে একাধিক রুশ সংবাদ মাধ্যমের পেজ সরিয়ে দেয় ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। এর পরেই বিষয়টি রোসকমনাদজরের নজরে আসে। ফেসবুকের ওপর ‘বদলা’ নিতেই রাশিয়া এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।

এ ছাড়া যুদ্ধ সংক্রান্ত ‘ভুয়া খবর’ ছড়ানোকে অপরাধ গণ্য করা হবে বলে গতকাল শুক্রবার একটি বিল পাস করে রুশ সরকার।

ফেসবুকের ওপর বৈষম্যের অভিযোগ এনে রোসকমনাদজর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘২০২০ সালের অক্টোবর থেকেই রাশিয়ার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে ফেসবুক। এ ছাড়া রাশিয়া টুডে’র মতো বিখ্যাত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের পেজকেও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

ফেসবুক রুশ নাগরিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা লঙ্ঘন করছে বলে গত সপ্তাহে অভিযোগ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি রাশিয়াজুড়ে ফেসবুকের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করার কথা ঘোষণা করে রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ প্রসঙ্গে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা’র পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান নিক ক্লেগ জানান, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ রুশ নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য ও সঠিক তথ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করল রাশিয়া সরকার। মানুষের কণ্ঠরোধ করা হলো বলেও তাঁর দাবি। তবে, মেটার পক্ষ থেকে শিগগিরই আবার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে, শুক্রবার বিকেলে টুইটার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি রাশিয়ায় তাদের প্ল্যাটফর্ম বন্ধের বিষয়ে অবগত।

এদিকে, রুশ পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে পাস হওয়া নতুন আইনে বলা হয়েছে—রুশ সামরিক বাহিনী সম্পর্কে মিথ্যা সংবাদ ছড়ানোর দায়ে তিন বছর পর্যন্ত সাজা বা জরিমানা এবং ‘গুরুতর’ ক্ষেত্রে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের স্পিকার ভ্যাচেস্লাভ ভোলোডিন বলেছেন, এ ব্যবস্থা ‘যারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে অসম্মান করে এমন বিবৃতি দিয়েছে তাদের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে বাধ্য করবে।’

রাশিয়ায় বিবিসিসহ একাধিক গণমাধ্যম নিষিদ্ধ

এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে—তারা রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।

বিবিসির মার্কিন সম্প্রচার অংশীদার সিবিএস নিউজ এবং আরেক প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর আগে গতকাল, বিবিসি, সিএনএন ও ব্লুমবার্গ রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে।

এন-কে

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।