খুঁজুন
শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যুবাদের দাপুটে জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যুবাদের দাপুটে জয়

-১৯-দল

লঙ্কিনে নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ছয় উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে স্বাগতিকদের ১৭৬ রানে আটকে রাখার পর আকবর আলির অর্ধশতকের সুবাদে ৬৮ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য টপকে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

১৭৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে অবশ্য শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা। ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই ভেঙে যায় ওপেনিং জুটি। দলীয় ১১ রানের মাথায় ফিরে যান ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। ১০ বলে ২ রান করে রান আউট হন তিনি। তানজীদ হাসানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয় তার। দ্বিতীয় রান নিতে গেলে ইমন হাত দিয়ে তানজীদকে না-বোধক ইশারা দিলেও তানজীদ দৌড় থামাননি। এরপর নিজের উইকেট বিসর্জন দেন ইমন।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তানজীদ ও মাহমুদুল হাসান জয় মিলে গড়েন ৩০ রানের জুটি। দ্রুত রান তুলছিলেন তানজীদ হাসান। তবে ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ২৪ বলে ২৮ রান করে স্পিনার ট্যাশকফের বলে লেগ সাইডে তুলে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন মারিউর হাতে। তার ইনিংসে ছিল ৫ টি চার। এরপর তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৪০ রান যোগ করেন জয়। জয়ও করেন ২৮ রান। পেস বোলার জ্যাকসনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল কাট করতে গিয়ে জোহরাবের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

ইনিংস বড় করতে পারেননি হৃদয়ও। ৪৭ বল খেলে রান করেন ২৬। ডাউন দ্যা উইকেটে এসে ট্যাশরফের বলে তুলে মারতে গিয়ে বিদায় নেন হৃদয়।

পঞ্চম উইকেটের জুটিতে হাল ধরেন শাহাদাত হোসেন আর আকবর আলী। এ দুইজনের ব্যাটে চড়ে জয়ের পথে এগিয়ে যেতে থাকে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের কেউ বড় স্কোর না করতে পারলেও লক্ষ্য সহজ থাকায় তা তাড়া করা খুব একটা কষ্টকর হয়নি।

চমৎকার ব্যাটিং করেন আকবর আলী। শাহাদাতকে সাথে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৮১ রানের জুটি গড়ে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। অর্ধশতক তুলে নেওয়া আকবর আলি অপরাজিত ছিলেন ৬১ বলে ৬৫ রান করে। তার ইনিংসে ছিল ১১ টি চার।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিং করে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের যুবাদের বোলিং তোপে পড়ে ১৭৬ রানে অলআউট হয় তারা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার মারিউকে বোল্ড করেন পেসার শরিফুল ইসলাম। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে উপরে ফেলেন লেগ স্টাম্প। এরপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জোহরাব আর আনসেল। তবে রানের গতি ছিল বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রণে। ৪৫ রানের এ জুটি ভাঙেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। ২৪ রান করা আনসেল পুল করতে গেলে ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল আঘাত আনে স্টাম্পে।

ওপেনার জোহরাবকে ফেরান শামীম হোসেন। দলীয় ৫১ রানের মাথায় তানজীদের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন জোহরাব (১৮)। ঐ ওভারে ট্যাশকফও ফিরেন তানজীদের হাতে ক্যাচ দিয়ে। একই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় চলে যায় নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

বিপর্যয়ের মুখে হাল ধরেন লেলম্যান ও হোয়াইট। ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে এ জুটি যোগ করে ৪৭ রান। লেলম্যান (২৯ বলে ২১) শরীফুলের বলে পুল করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে সংযোগ ঠিকমতো ঘটাতে পারেনি। হাওয়ায় ভাসতে থাকা বল এসে জমা পড়ে উইকেটরক্ষক আকবরের গ্লাভসে।

শরীফুলের বলে এক ওভার পর বিদায় নেন হোয়াইটও। তানজীম হাসান সাকিবের বলে বিদায় নেন হোয়াইট। দারুণ এক ক্যাচ নেন আকবর আলি। ৫০ বলে ৩০ রান করেন হোয়াইট।

সপ্তম উইকেটে অশোক ও উইকেটরক্ষক পোম্যার যোগ করেন ৩৩ রান। ১৩৫ রানের মাথায় রকিবুল হাসানের বলে বোল্ড হন অশোক। ২৫ বলে ১৪ রান করেন তিনি। ফিল্ডকে সাথে নিয়ে অষ্টম উইকেটে ৩৭ রান যোগ করেন পোম্যার। এ দুইটি জুটি স্বাগতিকদের লড়াইয়ের রসদ দেয়।

১৭৫ রানের মাথায় বিদায় নেন পোম্যার। দলীয় সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন তিনি। পরের ওভারে ফিল্ড ও জ্যাকসনকে মৃত্যুঞ্জয় ফিরিয়ে দিলে দুই ওভার আগেই নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলেরর ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব- ১৯ দল ১৭৬/১০, ৪৮ ওভার
পোম্যার ৪০, হোয়াইট ৩০, আনসেল ২৪
মৃত্যুঞ্জয় ৩/২১, শরীফুল ৩/৪৪, শামীম ২/৪২

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ১৮০/৪, ৩৮.৪ ওভার
আকবর ৬৫*, তানজীদ ২৮, জয় ২৮
ট্যাশকফ ২/৩৭, জ্যাকসন ১/৪০

Feb2

জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য আমদানির নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে (ডিওই) এ সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চুক্তিতে সই করেন।

ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে সাশ্রয়ী মূল্য ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থার ভিত্তিতে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির আওতায় তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় জ্বালানি ও জৈব জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে।

খলিলুর রহমান এ সমঝোতাকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ উদ্যোগে সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এ চুক্তিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ বলে মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

উৎসব-পার্বণ ঘিরে সব সময় তৎপর হয়ে ওঠে জাল টাকার কারবারিরা। তবে কোরবানির ঈদকে নিজেদের সবচেয়ে সুসময় হিসেবে বিবেচনা করে তারা। কেননা, কোরবানির গরু কেনাকে কেন্দ্র করে শহর থেকে গ্রামে সবচেয়ে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়ে থাকে। এবারও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকার কারবারিরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রায়ই ধরাও পড়ছে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জাল টাকার কারবার নিয়ে বেশ শঙ্কা প্রকাশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এরপরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নকল টাকার কারখানায় কোটি কোটি টাকার নোট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

যেগুলো ঈদ বাজারে ব্যাপক হারে সয়লাব হতে পারে। এদিকে এজেন্ট দিয়ে সারা দেশে জাল নোট ছড়ানোর রীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করা অনলাইন হোম ডেলিভারি সার্ভিস নিয়েও আতঙ্ক কমেনি। সমাজমাধ্যমগুলোতে জালনোট বিক্রির পোস্ট দিয়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোট বিক্রি করা হচ্ছে দেদার।

ডিবি সূত্র জানায়, তৈরিতে খরচ কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে জাল নোটের।

আগে যেখানে ১০০টি ৫০০ অথবা ১০০০ টাকার নোট তৈরিতে খরচ হতো কমপক্ষে ৪-৭ হাজার টাকা। বর্তমানে খরচ হচ্ছে মাত্র আড়াই হাজার টাকা। আগে তৈরি খরচ বেশি হওয়ায় পাইকারি মার্কেটে লাখ টাকার নোট বিক্রি হতো ৮-১৫ হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে পাইকারি বাজারে লাখ টাকার নোটের দাম মাত্র ৬ হাজার টাকা। ক্রেতা বুঝে লাখ টাকার নোট ৮-১০ হাজার টাকাতেও বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা নতুন নোট জাল কারবারিদের কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। নোটের ডিজাইনে ত্রুটি, নিম্নমানের গ্রাফিক্স ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের সংযোজনের অভাবে নোটটি জাল করা খুবই সহজ করে দিয়েছে।

সূত্র বলছে, ইউনূস সরকারের সময় তৈরি করা নতুন ডিজাইনের নোটের প্রতি শুরু থেকেই মানুষের আস্থা কম। বিভাগীয় শহরের মানুষ নোটগুলো নিলেও এখনো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেভাবে প্রচলন ঘটেনি নোটগুলোর। এজন্য বানানো সহজ হলেও জাল কারবারিদের এই নোটের প্রতি এখনো আগ্রহ বাড়েনি। কারণ জাল টাকার কারবারিরা এই নোট কিনতে চান না। এখনো বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত পুরোনো নোটই বেশি তৈরি হচ্ছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামের সহজলভ্যতা, সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার এজেন্টের ছড়াছড়ি, জামিনে থাকা কারবারিদের নজরদারির অভাব, বড় অপরাধে লঘু দণ্ড ও বিদেশি নাগরিকদের কেউ কেউ এসে জাল টাকা তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ায় দেশে জাল টাকার বিস্তার শূন্যের কোটায় নামানো যাচ্ছে না।

যদিও সম্প্রতি সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশে জাল নোটের বিস্তার রোধে সরকার একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। প্রস্তাবিত এ আইনে জাল নোট তৈরি বা আসল মুদ্রার আদলে কিছু তৈরির সঙ্গে জড়িতদের জন্য অত্যন্ত কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।

একই কারিগররা বারবার গ্রেপ্তার : প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত বুধবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। গ্রেপ্তাররা হলেন কামরুল ইসলাম ও নিষাদ হোসেন। তাদের কাছ থেকে ৪০টি ৫০০ টাকার ভুয়া নোট উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে গতকাল র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, ঈদকে টার্গেট করে জাল নোট বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। একই দিন রাজধানীর উত্তরার বিডিআর মার্কেট ও গাজীপুরের বাসন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ কারবারিকেও গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তারা হলেন মজিবুর রহমান, দুলাল মৃধা ও মো. মামুন। এ সময় ৩৪ লাখ জাল টাকাসহ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডিবি পুলিশকে জানিয়েছে, একই কারবারের জন্য এর আগেও তারা গ্রেপ্তার হয়েছিল। ধরা পড়ার আগে ১০ লাখ টাকার একটি চালানও তারা ডেলিভারি দিয়েছে। জাল টাকা তৈরির যেসব সরঞ্জাম সেগুলো তারা বিভিন্ন দোকান থেকে সহজেই সংগ্রহ করত। গত ১ মে রংপুরের পীরগাছায় জাল টাকার নোটসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৩ মে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ১৫ এপ্রিল রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আলী আজগর সিকদারকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গত ১২ এপ্রিল গুলশান থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। গত ৫ মার্চ তুরাগ থেকে ২৫ লাখ টাকার জাল নোট এবং তৈরির সরঞ্জামসহ মাইলস্টোনের দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে র‌্যাব। গত দেড় মাসে সারা দেশে আরও বেশ কয়েকজন কারবারি গ্রেপ্তার হয়েছে।

সূক্ষ্ম জাল নোটে বাজার সয়লাব : সাধারণ প্রিন্টারে প্রিন্ট দেওয়ার পর কাগজকে জলছাপ দিয়ে, ফুয়েল কাগজ ও বিশেষ গামের মাধ্যমে খুব সহজেই তৈরি হচ্ছে জাল নোট। যেগুলো এতই সূক্ষ্ম যে আসল নাকি নকল সেটা কারও পক্ষে বোঝা কঠিন। সূত্র জানায়, জাল টাকার চক্র বরাবরই ৫০০ কিংবা হাজার টাকার বড় নোট প্রিন্ট করে। কারণ, এতে লাভ বেশি। জাল টাকা তৈরি থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত কয়েকটি ভাগে কাজ করে চক্রের সদস্যরা।

সুপ্রিম কোর্ট বারে ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৭:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট বারে ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয়

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ সেশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মোহাম্মদ আলী।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন সাব-কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।

নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী হয়েছে ১৩টিতে। অপরদিকে জামায়াত সমর্থিত প্যানেল পেয়েছে একটি পদ।এর আগে দুদিনব্যাপী নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪ হাজার ৪৮টি।

বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে বিজয়ীরা হলেন, বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের সভাপতি পদে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দুটি সহসভাপতি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান, দুটি সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল।

সদস্য পদে এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এম আজাদ হোসেন,, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। ৭টি সদস্য পদের একটিতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে ১৩ ও ১৪ মে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ।