খুঁজুন
, ,

আলিয়ার বিয়ের সাজ দীপিকা-অনুষ্কার চেয়ে কোথায় আলাদা?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 15 April, 2022, 1:36 pm
আলিয়ার বিয়ের সাজ দীপিকা-অনুষ্কার চেয়ে কোথায় আলাদা?

বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের বিয়ে। কে কেমন সাজলেন তা নিয়ে কৌতূহল থাকে বরাবরই। এখন অবশ্য ধরেই নেওয়া হয়, বলিউডের বিয়ে মানেই সব্যসাচীর লেহঙ্গা। কিন্তু ছক ভেঙে বিয়ের দিন শাড়ি পরলেন আলিয়া।

অনেক দিন পরে বলিউডের কোনও চর্চিত যুগল পাঁচতারা হোটেলের বদলে বিয়ে সারলেন মুম্বাইয়ে নিজেদের বাড়িতে।

আলিয়া ভাট বিয়ের ছবি ইনস্টাগ্রামে দিয়ে জানিয়েছেন, যে জায়গায় গত পাঁচ বছর তারা অসংখ্য মুহূর্ত কাটিয়েছেন, ঠিক সেই জায়গাতেই বিয়ে সারলেন তারা, তাদের প্রিয় বারান্দায়। বিয়ের ভেন্যুর মতই চমক ছিল কনের সাজেও।

সাম্প্রতিক সময়ে বলিউডে যে ক’টা ‘হাই প্রোফাইল’ বিয়ে হয়েছে, তাদের মতোই আলিয়া-রণবীরেরও পোশাকশিল্পী ছিলেন ইন্ডাস্ট্রির প্রিয় সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ই।

কিন্তু অন্য বলিউডি কনের চেয়ে আলিয়ার সাজ ছিল স্বতন্ত্র। লাল, গোলাপি, কমলা লেহঙ্গার বদলে হাতে রাঙানো আইভরি রঙের অরগ্যাঞ্জা শাড়ি বেছে নিয়েছিলেন তিনি।

গোটাপাট্টির কারুকাজের বদলে শাড়িতে এবং হাতে বোনা টিস্যু ওড়নায় ছিল সোনালি জড়ি এবং চুমকির কাজ। সেই সুতোর টানে বিয়ের প্রজাপতি ফুটে উঠেছিল আলিয়ার লেহঙ্গায়। মাথায় ছিল সব্যসাচীরই মাথাপট্টি। কিন্তু চুল খোলা।

বরমালাও ছিল অন্য রকম। বেল ফুল আর জিপসি দিয়ে তৈরি বরমালা যেমন অন্য রকম, তেমনই আলিয়ার কলিরে সোনালির বদলে ছিল রূপোলি রঙের। আলিয়ার হাতে মেহন্দিও ছিল ছিমছাম। বোঝাই যাচ্ছে বর-কনে একটু ছিমছাম অভিজাত সাজ চেয়েছিলেন বিয়ের জন্য।

সম্প্রতি বলিউডের সব কনেদের খানিকটা একই রকম দেখতে লাগে। কারণ তারা সকলেই সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের লেহঙ্গা পরেন, তার গয়না পরেন, তার পরামর্শ অনুযায়ী চুল বাঁধেন, এমনকি সিঁদুরও পরেন।

প্রথম এই সাজে নজর কেড়েছিলেন অনুষ্কা শর্মা। বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কার শর্মার বিয়ে সে সময়ে ছিল রূপকথার মতো। যেমন ঝকঝকে সাজ, তেমন সুন্দর ছবি, তেমনই মন জুড়ানো হাসি। লাল-কমলার ছক ভেঙে অনুষ্কা বেছে নিয়েছিলেন হালকা গোলাপি লেহঙ্গা।

তবে দিল্লির রিসেপশনে কিন্তু সব্যসাচী আদ্যপান্ত বাঙালি সাজে সাজিয়েছিলেন অনুষ্কাকে। বেনারসী শাড়ি, মাথায় সিঁথি ভরা সিঁদুর আর পরিপাটি করে চুল বাঁধা সাজ মনে ধরেছিল সকলের। তার পর অনেকেই একে একে সব্যসাচীর লেহঙ্গা বেছে নিয়েছেন বিয়ের দিন, আর শাড়ি পরেছেন রিসেপশনে।

রণবীর সিংহ-দীপিকা পাড়ুকোনের বিয়েতে ছিল একাধিক আচার-অনুষ্ঠান। দু’মতে বিয়ে হয়। পঞ্জাবি বিয়েতে তিনি লেহঙ্গাই পরেছিলেন। কিন্তু কোঙ্কানি বিয়েতে তিনি কাঞ্জিভরম শাড়িই পরেছিলেন। সেটি অবশ্য ছিল মায়ের পছন্দের দোকান থেকে কেনা। ওড়না ছিল সব্যসাচীর। বিয়ের ছবি ইনস্টাগ্রামে সব্যসাচী দিতেই চার দিকে ধন্য ধন্য পড়ে গিয়েছিল। এ দিকে বেঙ্গালুরু সেই শাড়ির দোকান তো ক্ষেপে বোম! কেউ যে তাদের প্রশংসা করছে না! সে সময়ে সব্যসাচী আবার বিষয়টা পরিষ্কার করে এক বিবৃতি দিয়ে ফের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন। এত কেলেঙ্কারির মধ্যেও সকলের স্মৃতিতে রয়ে গিয়েছিল দীপিকার সাজ।

বলিউডে বিয়ের দিন শাড়ি পরার চল কিন্তু কয়েক বছর আগে পর্যন্তও ভালই ছিল। মাধুরী দিক্ষিত, শিল্পা শেঠি, কাজল, ঐশ্বরিয়া রাই— সকলেই শাড়ি পরেছিলেন বিয়ের দিনটায়।

কিন্তু তার পরই হঠাৎ বদলে গেল ছবিটা। করিশ্মা কাপুরর তার বিয়েতে লেহঙ্গা পরেন। করিনা কাপুরও তার বিয়েতে শারারা-কুর্তা পরেছিলেন। তার পর থেকে কমবেশি সকলেই লেহঙ্গা বেছে নিতেন বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য। এমনকি, বঙ্গললনা বিপাশা বসুও বিয়ের দিন মাথায় বাঙালি মুকুট পরলেও তার পরনে ছিল লাল লেহঙ্গাই।

অনুষ্কা শর্মার পর সব্যসাচীর লেহঙ্গার চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তাকে দেখে লেহঙ্গা পরা শুরু করেন বলিউডের অভিনেত্রী থেকে দিল্লির করোলবাগের তরুণীও। শাড়িও অবশ্যই থাকত। কিন্তু তা রিসেপশনের জন্য। বহু দিন পর আলিয়া ভাট সেই ধারা ভাঙলেন। বিয়ের অনুষ্ঠানেই শাড়ি পরলেন।

এর পর কি তাহলে দীপিকা-আলিয়াকে দেখে ফের শাড়ির আধিক্যই ফিরবে বলিউডের বিয়ের মণ্ডপে? আপাতত প্রথম সারির ‘হাই প্রোফাইল’ বিয়ে আর তেমন কই বলিউডে! তাই উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে বেশ কিছু দিন।

এন-কে

Feb2
Feb2

‘বাবাকে বাঁচান’, ‘পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ওষুধ কেনার টাকাও নেই’— মানবিক ডিসির গণশুনানিতে অসহায় মানুষের আর্তি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 7:18 pm
‘বাবাকে বাঁচান’, ‘পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ওষুধ কেনার টাকাও নেই’— মানবিক ডিসির গণশুনানিতে অসহায় মানুষের আর্তি

কারও বাবার ক্যান্সারের চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। কেউ নিজেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালাতে পারছেন না। বার্ধক্য, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, দারিদ্র্য কিংবা উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম—এমন নানা সংকটের কথা উঠে এসেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের গণশুনানিতে।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর থেকে আসা একাধিক সেবাপ্রত্যাশীর আবেদন ও অভিযোগ শুনেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একই সঙ্গে অনলাইনে অংশ নেওয়া পাঁচজন প্রবাসী বাংলাদেশির অভিযোগও শোনেন তিনি।

গণশুনানি শেষে চরম আর্থিক সংকটে থাকা নয়জনকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া চারজন দুস্থ নারীকে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়াসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে রাঙ্গুনিয়ার জাফর আহমদ চিকিৎসা ও জীবিকা নির্বাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চান। সীমিত আয়ে সংসার চালাতে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয় বহন করাও তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

পূর্ব মাদারবাড়ীর পিংকি হিজড়া জানান, স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর অর্থাভাবে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে নিতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাঁশখালীর মর্জিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। অন্যদিকে স্বামী-সন্তানহীন হাসিনা বেগম মানুষের বাসায় কাজ করে জীবনযাপন করলেও শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা চালানোর সামর্থ্য হারিয়েছেন।

লোহাগাড়ার এক গণমাধ্যমকর্মী তাঁর ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার জন্য সহায়তা চান। একইভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফ্রন্ট ডেস্কে কর্মরত রিতা দাশ বাবার হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ও কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যয় বহনে অক্ষমতার কথা তুলে ধরেন।

পাহাড়তলীর আনোয়ারা বেগম জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিন মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়লেও অর্থাভাবে অস্ত্রোপচার করাতে পারছেন না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সেলিম ভূঁইয়া তাঁর আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ বাবা ও দিনমজুর বড় ভাইয়ের সীমিত আয়ের কারণে তাঁর উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে তিনি এককালীন শিক্ষাবৃত্তি সহায়তা চান।

অন্যদিকে অনলাইন গণশুনানিতে কাতার, দুবাই ও ওমানে অবস্থানরত প্রবাসীরা পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জাল দলিল তৈরি, পারিবারিক হয়রানি, প্রাণনাশের হুমকি ও স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া রাঙ্গুনিয়া ও পটিয়ার দুই বাসিন্দাও জমি দখলের অভিযোগ করেন।

সব অভিযোগ শুনে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় তদন্ত, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের কষ্ট, একজন রোগীর চিকিৎসা কিংবা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ। সরকারি নীতিমালার আওতায় থেকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।”

তিনি বলেন, “জনগণ শেষ আশ্রয় হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন। তাই প্রতিটি আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে শুনে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হয়।”

পাঁচলাইশে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 7:08 pm
পাঁচলাইশে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর এলাকার ফরেস্ট গেইট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে আজাদ (২৫) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজাদ, পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার হাকিম শাহ হুজুরের বাড়ির রশীদের ছেলে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, আজাদের এক বন্ধু তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খবর পেয়ে পুলিশ সেই বন্ধুকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়।

“আজাদকে হাসপাতালে নেওয়া ওই যুবক জানিয়েছে, ওই বাড়িতে বসে তারা তিনজন মিলে ইয়াবা সেবন করছিল। এসময় কেউ একজন আজাদকে গুলি করে। তবে বিষয়টি আমাদের সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।”

পুলিশ কর্মকর্তা স্বপন বলেন, যে বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে সেখানে কেউ বসবাস করেন না।

“আমাদের ধারণা সেখানে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। আজাদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 4:05 pm
তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ (নিকার)।

উপজেলা তিনটি হচ্ছে- চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’। একটি নতুন থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘হালদা’।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এসব উপজেলা ও থানা অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী তিনটি নতুন উপজেলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা।

চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।