খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ড পৌরসদরে সড়কের কাজে নিন্মমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মে, ২০২২, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ড পৌরসদরে সড়কের কাজে নিন্মমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ এডিবির অর্থায়নে নগর উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে সীতাকুণ্ড উপজেলার পৌরসভাধীন সীতাকুন্ড ডিগ্রী কলেজ রোডের পূর্বাংশে মহাদেবপুরের প্রেমতলা এলাকায় ১ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজে নিন্মমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ পৌরসভার প্রকৌশলী নুর নবীর যোগসাজশে ঠিকাদার দুই নাম্বার ইট ব্যবহার করছেন। এ কাজের ব্যায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, এডিবির অর্থায়নে নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কলেজ রোড নামক সড়ক উন্নয়নে দুটি প্যাকেজে কাজের দরপত্র আহবান করা হয়। পশ্চিমাংশে কলেজ রোডের মাথা থেকে ডিগ্রী কলেজের পশ্চিমাংশের বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আরেকটি অংশে কলেজের পূর্বপাশ থেকে শুরু হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত দুই নাম্বার পোল নামক স্থানের বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এই অংশের কাজের ইজারা পেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ কাজে দুই নাম্বার ইট ব্যবহার হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

তারা বলেন, প্রভাবশালী ঠিকাদার ও পৌর প্রকৌশলীর যোগ-সাজশ থাকায় কাজের মান নিয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করছেননা। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাদেবপুর এলাকায় অবস্থিত ‘কলেজ রোড’ সড়কের দুইপাশে এডিবির অর্থায়নে উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সালাউদ্দিন নামের এক মাঝির তত্বাবধানে কয়েকজন মিস্ত্রি নিন্মমানের ইট দিয়ে গাথুঁনির কাজ করছেন।

জানতে চাইলে সালাউদ্দিন মাঝি দুই নাম্বার ইটের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ঠিকাদার যা পাঠান তা দিয়েই কাজ করতে হয়। দুই ট্রাক দুই নাম্বার ইট পাঠিয়েছেন ঠিকাদার।’

পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম বলেন, একটি ইটও যদি নিন্মমানের ব্যবহার হয়ে থাকে সেটা অপসারন করা হবে। এছাড়া কাজে ত্রুটি থাকলে এ কাজের বিল আটকে দেওয়া হবে।

এদিকে অভিযোগ উঠায় সড়কের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন পৌর মেয়র।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…