খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কে মুসলিম কে খ্রিস্টান তা চিন্তা না করেই তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে : সোয়েব কবীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২, ১:০৫ অপরাহ্ণ
কে মুসলিম কে খ্রিস্টান তা চিন্তা না করেই তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে : সোয়েব কবীর

মৃত্যুকে উপেক্ষা করে ইউক্রেন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধের সবশেষ সংবাদ জানাচ্ছেন চট্টগ্রামের অকুতোভয় সাংবাদিক সোয়েব কবীর।

পেশাদারিত্বের জন্য পরিবারের মায়া ত্যাগ করে জীবনবাজি রেখে রাশিয়া-ইউক্রেন দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সবশেষ খবর জানাতে ইউক্রেনে অবস্থান করছেন তিনি। যেখানে এখন নিঃশ্বাস টানলে বাতাসের সঙ্গে বারুদের গন্ধ। চারিদিকে শুধু ধ্বংসস্তুপ, লাশ আর লাশ এবং হাহাকার। অপরদিকে গুলির শব্দ ভারি করেছে পরিবেশ। দুচোখ যে দিকে যায় শুধু যোদ্ধা আর যোদ্ধা। দেশকে শত্রুর কবল থেকে রক্ষা করতে যেন মরিয়া তারা; সোয়েব কবীরদের মতো অকুতভয় যোদ্ধারা ঘটনাস্থল থেকে সংবাদ প্রচার না করলে যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানা হতোনা।

মঙ্গলবার (৩ মে) তার ফেসবুক ওয়ালে একটি ভিডিও শেয়ার করে সোয়েব কবীর লিখেন, ‘খারকিভ শহরের মুখোমুখি সম্মুখযুদ্ধ না থাকলেও বিন্দুমাত্র আতঙ্ক কমেনি, বরং বেড়েছে। রাজধানী কিয়েব থেকে গাড়িতে করে যেতে বুচা শহরে সময় লাগে এক ঘন্টার মতো। সেখানে যেতে যেতে পরখ করলাম মাসের ব্যবধানে সুন্দর শহরটি ধ্বংসযজ্ঞে পরিনত হয়েছে। বুচা গণকবরটি স্থানীয় একটি চার্চের ঠিক পেছনে। টেক্সি ড্রাইভার স্থানীয়দের সহযোগিতায় সে স্থান খুঁজে বের করে নিয়ে গেল ঠিকই, তবে গিয়ে দেখলাম মূল ফটক বন্ধ। পাশেই লোহার শিকলে বাউন্ডারী করা একটি অংশ ফাঁকা দেখে প্রবেশ করলাম। ভেতরে কেউ নেই, আমি আর ড্রাইভার। এগিয়ে চললাম গনকবরের দিকে। এর খানিক পরেই ফুল হাতে এক নারী আর যুবক ধীর পায়ে এগিয়ে আসলো গনকবরের দিকে।

কেন এখানে আসা জিজ্ঞাসা করতেই ইংরেজি আর ইউক্রেনীয় ভাষায় ইরাইনা আব্রামচুক বললেন, এখানেই শায়িত আছেন নিজের একমাত্র বড় ভাই। রাশিয়ার সামরিক অভিযানে সম্মুখযুদ্ধে লড়াই করে মৃত্যু হয়েছে তার।

তিনি আরো লিখেন, দেশের জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে প্রাণ দিতে হয় তার ভাইকে। নিথর দেহটি পড়ে ছিলে হাসপাতালের মর্গে, মাথার ঠিক মাঝ বরাবর গুলির বেশ বড় একটা ছিদ্র ছিলো।

কথা বলতে বলতে চোখগুলো পানিতে টলটল করছিলো ইরানার। পাশেই তার ছেলে মাকে শান্তনা দিচ্ছিলো। ইরানার একমাত্র ভাইকে হারিয়ে কতটা যে শোক বুকে চাপা দিয়ে রেখেছে – তা শুধু সেই বুঝতে পারে।

কথা প্রসঙ্গে বললাম লন্ডন থেকে এসেছি এখানে সংবাদ সংগ্রহ করতে। তখন সে জানালো তার ভাই ইওয়র ডিডকিভস্কি পেশায় ভবন নির্মানকাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রথম থেকেই সে যোগ দেয় সেনাবাহিনীতে। বর্তমানে তার ১৫ বছর বয়সী ছেলে ও ৭ বছর বয়সী মেয়ে লন্ডনে শরনার্থী হিসেবে আশ্রয় পেয়েছেন। ইরানা বুচা শহরের বাসিন্দা। শহরের ধ্বংসযজ্ঞের কথাও তুলে ধরে সে। নিজ জন্মভূমির শহরটির কখনো এমন হবে কল্পনাও করতে পারেনি সে।

সোয়েব কবীরের ধ্যান-জ্ঞান সবই সাংবাদিকতাকে ঘিরে। চট্টগ্রামে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই সাংবাদিক ব্রিটেনের কার্ডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্যে সময় টিভির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।

এছাড়া বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক সোয়েব কবীর। তারকা সাংবাদিক সোয়েব কবীর সাংবাদিকতাকে সবসময় চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সেই নেশা থেকে নিজেকে এবার সম্পৃক্ত করেছেন যুদ্ধ সাংবাদিকতার সাথে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা গোলা বারুদের ভয় তুচ্ছ করে পুরো ইউক্রেন জুড়ে যুদ্ধের খবর জানাচ্ছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধে অনুভুতির কথা জানতে চাইলে সোয়েব কবীর বলেন, যুদ্ধের শহরে একমাত্র সঙ্গী ক্যামেরা। আর কোনো সঙ্গী নেই। প্রতি মুহূর্তে এখানে রকেট বোমা আঘাত হানার শব্দ হচ্ছে। শহরের দুটো এলাকা ধোয়াচ্ছন্ন হতে দেখলাম। দিনের বেলায় হয়তো জীবন বাঁচাতে দৌড় দেওয়ার চেষ্টা করা যায়, কিন্তু রাতের ঘুমে-তা সম্ভব না।’

তিনি বলেন, খারকিভ শহরে আসার আগেই ভয়ে ছিলাম কোথায় থাকবো আর কিভাবে চলাফেরা করবো। রাজধানী কিয়েভে যারা ছিলেন পরিচিত সবাই নিষেধ করেছে-এই শহরে না যেতে। কারন এখানে রাশিয়ান সৈন্যরা পিছু হটলেও সীমান্ত থেকে বোমা হামলা অব্যাহত আছে। অন্যদিকে গাড়ির তেল সংকট পুরো শহরে। সবচে বড় সমস্যা হলো ভাষাগত জটিলতা। সবকিছু মিলিয়ে বেশ দুশিন্তা কাজ করছিলো। তবে, অনলাইনে বাংলাদেশি শামিম ভাইয়ের মাধ্যমে পরিচয় এই চার্চের দায়িত্বে থাকা ভ্লাদিমির সাথে।

খারকিভে রাতে থাকার ব্যবস্থা করলো চার্চের দেওয়ালের পাশে একতলার একটি সাময়িকভাবে বানানো রুমে। উঁচু ভবনগুলোতে বোমা হামলা চালানো হচ্ছে, এমনকি এই চার্চেও দুইবার বোমা হামলাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই কঠিন সময়ে কে মুসলিম কে খ্রিস্টান তা চিন্তা না করেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে- এটাই বা কে করে; যোগ করেন তিনি।

এন-কে

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।