খুঁজুন
সোমবার, ২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইস্ট ডেল্টায় এসিএইচআরএম-এ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
ইস্ট ডেল্টায় এসিএইচআরএম-এ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু

EDU-ACHRM

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড চেঞ্জ এর অধীনে অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এসিএইচআরএম) কোর্সে নতুন ব্যাচে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মানবসম্পদ পেশাজীবীদের সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (বিএসএইচআরএম) এর সাথে যৌথ উদ্যোগে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড চেঞ্জ সীমিত আসনের এই বিশেষায়িত কোর্সটি পারিচালনা করছে। এটি চট্টগ্রামে প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র।

আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। পেশাজীবী ও যেকোন বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা এতে আবেদন করতে পারবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড চেঞ্জ এর অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় পেশাজীবীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের শর্ট কোর্স, সার্টিফিকেট কোর্স এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ট্রেনিংয়ের আয়োজন করে থাকে।

এই সার্টিফিকেট কোর্সে দেশীয় ও বিশ্বমানের শিক্ষক এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষ পেশাজীবী দ্বারা পাঠদান পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া বিএসএইচআরএম-এর মাধ্যমে এই ক্ষেত্রটিতে কর্মরত পেশাজীবীদের দেশব্যাপী নেটওয়ার্কে যোগদানের সুযোগও পাবেন অংশগ্রহণকারীরা।

পেশাজীবীদের সুবিধার্থে তিন মাস মেয়াদী এই কোর্সের ক্লাসসমূহ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিচালিত হয়। ভর্তিতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের সুবিধাও থাকছে।

এছাড়া, প্রফেশনাল কোর্সের গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষ্য হলো হাতে-কলমে শিক্ষা। ব্যবহারিক শিক্ষার অংশ হিসেবে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারের জন্য সহায়ক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিটের ব্যবস্থাও করে আসছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি।

একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কর্মকৌশল ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানকে পরিপূর্ণতা দিতে কোর্স কারিকুলামের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় এই ভিজিটের।

ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, বর্তমানে পেশাগত দক্ষতা অর্জনে ক্লাসনির্ভর জ্ঞানের পাশাপাশি বিশেষায়িত ও ব্যবহারিক জ্ঞান খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। এ গুরুত্ব আমরা বুঝি বলেই কর্পোরেট ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরতদের জন্য বিএসএইচআরএম-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে শুরু করেছি এই বিশেষায়িত প্রোগ্রাম। মানবসম্পদ পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানের সমন্বয়ে কোর্সটির কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে।

এই বিশেষায়িত কোর্সে যোগদানে আগ্রহীদের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে অথবা ০১৭১৩ ১২৩৯৯৭ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

Feb2

সামনে কঠিন সময়, তেলের দাম বেড়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
সামনে কঠিন সময়, তেলের দাম বেড়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, কঠিন সময়। যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করছে। সামনে তেলের দাম বেড়ে যাবে, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সেগুলো সয়ে নিয়ে আমাদের আগাতে হবে।

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নেহা নদী পুন:খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, যুদ্ধ লেগেছে সে কারণে তেলের সরবরাহ কম, কিন্তু পাম্প ভাঙচুর করা সমীচীন নয়। মবকে আমরা কঠোর হস্তে দমন করব। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কোনো কাজ করতে দেব না।

তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। কেউ দুর্নীতি বা অনিয়ম করলে তাকে ক্ষমা করা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং এলাকায় মাছ ও হাঁস পালনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই খাল খনন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের প্রতিটি টাকা যেন যথাযথভাবে জনগণের কল্যাণে ব্যয় হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দলের নেতারা এবার বেহেশতে নিতে পারলো না। আমরা কাজ করে বেহেশতে যাবো। ধর্মকে ব্যবহার করা যায় না। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ ধার্মিক। তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না । আমরা কাজ করতে এসেছি। কাজ করে যাবো। একটি রাজনৈতিক দল মা-বোনদের বেহেশতে নেওয়ার কথা বলে ভুলিয়ে দেয়। এসবে ভুলবেন না। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া বেহেশতে যাওয়া যাবে না। সৎ থাকতে হবে, হালাল রুজি খেতে হবে। না হলে বেহেশতে যাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, গম ঝড় বৃষ্টিতে পড়ে গেছে। আলু বৃষ্টিতে শুয়ে পড়েছে। আমাদের কৃষকের ভাগ্য এটাই। এসব সমস্যা আমরা বুঝি। নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কৃষি ঋণ মওকুফের। আমরা করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সাহায্য হবে এমন কাজগুলো করছেন। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে কয়েক কোটি নারীকে কার্ড দেওয়া হবে। এটার মাধ্যমে তারা সহযোগিতা পাবে। আমাদের সব প্রজেক্টগুলো সম্পন্ন করা হবে। গোটা দেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে।

নেহা নদীর পুনঃ খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়া জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলল হোসেন, জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনটি তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় বিষয়টি উল্লেখ করেছে।

বার্তায় বলা হয়েছে, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীন দায়িত্ব পালনের অভ্যাস না থাকায় শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন পাম্পে কর্মরতরা। সবমিলিয়ে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এর আগে, ‘পেট্রোল পাম্পের তেল বিক্রিতে নিরাপত্তার প্রয়োজন’ বলে সংগঠনটি জানায়। তবে জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। পাম্পগুলোতে তেল বিক্রির সময় কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে তাদের দাবি।

সংগঠনটির দাবি, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত ছিল। তাদের আরেকটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি। স্বাভাবিক হিসাবে এই মজুত কয়েকদিন বিক্রি করার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়।

এই পরিস্থিতিকে তারা এক ধরনের লুটতরাজ বলে উল্লেখ করেছেন।

একেকজন দৈনিক একাধিকবার তেল নিতে আসছেন বলে অভিযোগ করে তারা জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে তেল বিক্রি করছে পাম্পগুলো। কিন্তু অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে ১০ বারের মতো তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার অনেকেই আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েই বারবার তেল নিতে আসছেন। এতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পাম্পে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।

এছাড়া গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে মব সৃষ্টি করে পেট্রোল পাম্প খুলিয়ে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালীন লাঠিসোঁটা নিয়ে সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সব পেট্রোল পাম্প মালিকদের ভাগ্যেই ঘটতে চলেছে। এখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই।

সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে জ্বালানি তেলের ঘাটতির সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তাবিষয়ক ইস্যুগুলো আরও বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে; ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঈদের আগের দিন রাতে অনেক পেট্রোল পাম্পে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য মাত্র ২০০ লিটার অকটেনও সংরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়নি। জোর করে পাম্প খুলে সেই জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তাই পাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত না করলে ডিপো থেকে তেল লিফটিং (সংগ্রহ) বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামানোই লক্ষ্য: মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামানোই লক্ষ্য: মীর হেলাল

আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিট’ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, অটোমেশন ও ই-সেবা চালুর মাধ্যমে মানবিক নগদ লেনদেন কমিয়ে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

রোববার (২২ মার্চ) সকালে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে অটোমেশন বাড়ানো, ই-পেমেন্ট চালু এবং অফিসগুলোতে সরাসরি নগদ লেনদেন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী ভূমি অফিসে ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ ই-পে সিস্টেম চালু হয়েছে, যেখানে কোনো ক্যাশ লেনদেন হয় না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামের প্রতিটি ইউনিয়নে ভূমি সেবা না থাকাটা দুঃখজনক। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো প্রতিটি ইউনিয়নে এই সেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি আইন মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সংস্কার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পিত সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়কে একটি স্বচ্ছ, জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

এসময় মীর হেলালের পিতা সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।