খুঁজুন
, ,

শিশুদের মেধামননে বেড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবেঃ অতি.জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 29 May, 2022, 3:09 pm
শিশুদের মেধামননে বেড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবেঃ অতি.জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আবু রায়হান দোলন বলেছেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের উজ্জল ভবিষ্যৎ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশে শিশুদেরকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে মেধামননে ও সৃজনশীলতায় বেড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এজন্য অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদেরকে আন্তরিক হতে হবে। শিশুদেও নীতি-নৈতিকতা শেখাতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে উৎসাহিত করতে হবে। আগামীতে আমাদের দেশটি যখন সোনার বাংলা হয়ে গড়ে উঠবে তখন শিশুরা সোনার মানুষ হয়ে দেশকে আলোকিত করবে।

আজ রোববার (২৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা শিশু একাডেমিতে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পর্যায়ে দুই দিন ব্যাপী জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০২১-এর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন উড়িয়ে দু’দিন ব্যাপী চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি চট্টগ্রামের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রথম দিন একাডেমিতে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে ৭৯টি ইভেন্টে শুধু মাত্র ১ম স্থান অর্জনকারীরাই জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।

চট্টগ্রাম জেলা শিশু একাডেমির জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নূরুল আবছার ভূঁঞার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষক এডভোকেট মিলি চৌধুরী ও তানভীরুল ইসলাম নাহিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আহছানুল হক (কক্সবাজার), উষানু চৌধুরী (খাগড়াছড়ি), মাহফুজা আক্তার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মোছলেহ উদ্দিন (নোয়াখালী), সোহেল আহমদ ভূঁঞা (কুমিল্লা), মোঃ কাওসার আহমদ (চাঁদপুর), অর্চনা চাকমা (রাঙ্গামাটি) ও শিলাদিত্য মুৎসুদ্দী (বান্দরবান)। অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভিন্ন জেলা শিশু একাডেমির প্রশিক্ষক, বিচারক, প্রতিযোগী ও তাদের অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১১ জেলা থেকে ক, খ ও গ গ্রæপে ৭৯টি ইভেন্টে আট শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। উদ্বোধনী দিনের প্রতিযোগিতায় শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বিজয়ীদেরকে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

এবারের প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা ক্যাটাগরি ভিত্তিক ক, খ, গ বিভাগে শিক্ষা, সাংস্কৃতিক (সংগীত), নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, কুটিরশিল্প/বিজ্ঞানযন্ত্র ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

১ম শ্রেণী থেকে ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা “ক” বিভাগে, ৫ম শ্রেণী থেকে ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা “খ” বিভাগে ও ৮ম থেকে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা “গ” বিভাগে এবং দলীয় বিষয়ে অংশগ্রহণ করছে।

বিষয়গুলো হচ্ছে-শিক্ষা বিষয়ক প্রতিযোগিতায় রয়েছে-বঙ্গবন্ধুকে জানো, বাংলাদেশকে জানো-বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান, উপস্থিত অভিনয়, আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা, ক্বেরাত ও শিশু সাহিত্যঃ ধারাবাহিক গল্প বলা। সাংস্কৃতিক বিষয়ক প্রতিযোগিতায় (সঙ্গীত) রয়েছে-দেশাত্মাবোধক সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সঙ্গীত, ছড়া গান, ভাব সংগীত, লোকসংগীত, হামদ/না’ত, উচ্চাঙ্গ সংগীত, তবলা ও দোতরা/গিটার।নৃত্য বিষয়ে রয়েছে-মনিপুরী নৃত্য, কথক নৃত্য, ভরত নাট্যম, সৃজনশীল নৃত্য ও লোক নৃত্য। চিত্রাঙ্কন বিষয়ে রয়েছে-আমার দেখা বাংলাদেশ, বাঙালির উৎসব ও উন্নয়নের বাংলাদেশ। কুটির শিল্প/বিজ্ঞানযন্ত্র বিষয়ে রয়েছে-কুটির শিল্প বাঁশ-বেতের ব্যবহারের সামগ্রী তৈরি/মাটির কাজ ও বিজ্ঞান যন্ত্রের উদ্ভাবন বা বিজ্ঞান প্রজেক্ট।

ক্রীড়া বিষয়ে রয়েছে-দাবা, ব্যাডমিন্টন, ১০০ মিটার দৌঁড়, উচ্চ লাফ, দীর্ঘ লম্ফ ও ১০০ মিটার মুক্ত সাঁতার। এসব বিষয়ে জেলা পর্যায়ে শুধু মাত্র ১ম স্থান অর্জনকারীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।

Feb2
Feb2

ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 10:02 am
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।

এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।

আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।

বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।